AD Agrovet

AD Agrovet Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from AD Agrovet, Fish Market, Sirajganj, Sirajganj.

মাছ চাষে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
05/07/2026

মাছ চাষে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

গ্যাসের ডোজ না দিলে কী হয় জানেন?পুকুরে যখন সব ঠিকঠাক থাকে, তখন অনেক খামারি ভাবেন— “এখন তো সমস্যা নাই, ডোজ দেওয়ার দরকার ক...
02/05/2026

গ্যাসের ডোজ না দিলে কী হয় জানেন?

পুকুরে যখন সব ঠিকঠাক থাকে, তখন অনেক খামারি ভাবেন—

“এখন তো সমস্যা নাই, ডোজ দেওয়ার দরকার কী!”

কিন্তু বাস্তবতা অন্য কথা বলে…
আমি নিজে দেখেছি—
যেসব পুকুরে নিয়মিত গ্যাস কন্ট্রোল করা হয় না,
একটা সময় হঠাৎ করে Oxygen Fall হয়

ফলাফল:
** ৩০–৬০% মাছ মারা যায়
**পুরো সিজনের লাভ শেষ
** লস কাটাতে লাগে ৩–৪ বছর
** সবচেয়ে কষ্টের বিষয়—
অনেক খামারি এই এক ভুলের কারণে ব্যবসা থেকেই হারিয়ে যায়।

“সমস্যা হওয়ার পর নয়, সমস্যা হওয়ার আগেই কন্ট্রোল করতে হবে।”
* নিয়মিত গ্যাস চেক করুন
*প্রয়োজন অনুযায়ী ডোজ দিন
*পুকুর ভালো থাকলেই সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকুন।

রাত্রিকালে গিয়ে দেখি সমস্যা যতটা না বাহিরের তার চেয়ে বেশি ভিতরের। এরপর থেকে এই চাষি গুলশার সমস্যা হলেই মাছ একটা নিয়ে ...
26/10/2025

রাত্রিকালে গিয়ে দেখি সমস্যা যতটা না বাহিরের তার চেয়ে বেশি ভিতরের। এরপর থেকে এই চাষি গুলশার সমস্যা হলেই মাছ একটা নিয়ে রাতের বেলা হাজির হত। আমি এই রোগ প্রথম পাই ২০২০ সালে,যা এখন অনেক গুলশা চাষিকে ফকির বানিয়ে দিচ্ছে।

এরকম রোগ কে আমি তিনভাবে নির্বাচন করতাম-
০১. Pre acute case- শুধুমাত্র রোগ শুরু হওয়ার শুরুতে এমন এক্সটারনাল বা ইনটারনাল সাইন দেখা।
০২. Acute case- হেমোরেজিক সেপটেসেমিয়া দেখা।
০৩. Chronic case- Abscess বা আলসার দেখা।

অবশ্যই ব্যাকটেরিয়াল কারনে হয়ে থাকে।এই তিনটি কেস হিসাব করে ট্রিটমেন্ট আপনারা কে কিভাবে দেন তা জানতে চাচ্ছি।

মাছ চাষে এন্টিবায়োটিক সমাচার।এরিথ্রোমাইসিন, সালফাডায়জিন, ট্রাইমিথোপ্রিম এবং টেট্রাসাইক্লিন (যেমন OTC, CTC) হলো ব্যাকটের...
25/10/2025

মাছ চাষে এন্টিবায়োটিক সমাচার।

এরিথ্রোমাইসিন, সালফাডায়জিন, ট্রাইমিথোপ্রিম এবং টেট্রাসাইক্লিন (যেমন OTC, CTC) হলো ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিক এন্টিবায়োটিক। এরা ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন তৈরি করা বন্ধ করে দেয়। প্রোটিন না থাকলে ব্যাকটেরিয়া কোষ বিভাজন (replication) করতে পারে না এবং নতুন ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় না। এরা পুরোপুরি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে না ফেলে এদের গ্রোথ বা কমিউনিটি বড় করতে দেয়না।

এই গ্রোথ কমে যাওয়া ইন্যাকটিভ ব্যাকটেরিয়াগুলো পরবর্তীতে মাছের ইমিউনিটির উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে।যেই মাছের ইমিউনিটি ভালো হয় সেই মাছ এসব ইন্যাকটিভ ব্যাকটেরিয়াকে পরবর্তীতে শরীর থেকে ফ্যাগোসাইটোসিস সহ অন্যান্য প্রসেসের মাধ্যমে মেরে ফেলে। তাই এসব এন্টিবায়োটিকের পাশাপাশি ইমিউনিটির ট্রিটমেন্টের দিকে নজর দেয়া জরুরী। যার ফলে খাবারের সাথে এসব এন্টিবায়োটিক ও ইমিউনো বুস্টার খাওয়ালে রিকভারী বা সুস্থ হওয়ার চান্স বেশি থাকে।

অ্যামক্সিসিলিন হলো ব্যাকটেরিসাইডাল, যা নতুন বিভাজনরত কোষের কোষপ্রাচীর তৈরী করতে বাধা দেয়। তাই নতুন কোষ না থাকলে এর কার্যকারিতা থাকে না। যদি স্ট্যাটিক এবং অ্যামক্সিসিলিন একসাথে ব্যবহার করা হয়, স্ট্যাটিক আগে থেকে নতুন কোষ তৈরি হতে না দেওয়ায় অ্যামক্সিসিলিন কার্যকর হতে পারে না। এটিই এন্টাগনিজম। একারণে আমি অনেককেই স্ট্রেপটোকক্কোসিসের চিকিৎসায় একইসাথে ইরাইথ্রোমাইসিন,সালফাডায়জিন, ট্রাইমিথোপ্রিম ( EST group) এর সাথে অ্যামক্সিসিলিন দিতে না করি।

কিন্তু এনরোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, লিভোফ্লক্সাসিন প্রভৃতি ব্যাকটেরিসাইডাল এন্টিবায়োটিক মুলত ব্যাকটেরিয়ারর DNA কে টার্গেট করে। তারা DNA ঠিকমতো কপি হতে না দেওয়ায় ব্যাকটেরিয়ার কোষ মরে যায়, অ্যামক্সিসিলিনের মত নতুন কোষের তৈরি হওয়ার প্রয়োজন নেই এসব এন্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে । তাই এই ধরনের ব্যাকটেরিসাইডাল যখন ব্যাকটেরিওস্ট্যাটিকের সাথে ব্যবহার করা হয়, এন্টাগনিজম সাধারনত হয় না এবং কার্যকারিতা বজায় থাকে।
তাই অনেক ক্ষেত্রে আমি EST গ্রুপের সাথে এনরো,সিপ্রোফ্লক্সাসিন এসব একসাথে দিয়ে ট্রিটমেন্টে সফলতা পেয়েছি।

আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় এসব শিখায় নাই,আমি নিজে নিজে পড়তে পড়তে ট্রিটমেন্টে ফেইল মারতে মারতে এতদূর এসেছি,মাঝে মাঝে ডিভিএমের ভাইদের কাছে দারস্হ হয়ে শিখেছি,আসলে মাছ চাষে এন্টিবায়োটিক নিয়ে কার কাছে শিখবো তা নিয়েও সন্দিহান।উপরোক্ত এন্টিবায়োটিকগুলোই যেহেতু মাছ চাষে আমরা বেশি ব্যবহার করি সেহেতু এসবের ড্রাগ ইন্টারেকশন সম্পর্কে আরো সাইন্টিফিক ওয়েতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে পড়াশোনার দরকার আছে বলে আমি মনে করি। মন চাইলেই একসাথে অনেকগুলো এন্টিবায়োটিক লিখা থেকে বিরত থাকি এবং AMR নিয়ে সচেতন থাকি।

 #ইউগ্লেনা/Euglena কী?Euglena হলো এক ধরনের মাইক্রোস্কোপিক এককোষী শৈবাল, যা Euglenophyceae শ্রেণির অন্তর্গত। এটি একাধারে ...
19/10/2025

#ইউগ্লেনা/Euglena কী?

Euglena হলো এক ধরনের মাইক্রোস্কোপিক এককোষী শৈবাল, যা Euglenophyceae শ্রেণির অন্তর্গত। এটি একাধারে উদ্ভিদসুলভ ( সালোকসংস্লেষণ করতে পারে) এবং প্রাণীসুলভ (জৈব পদার্থ শোষণ করে বাঁচতে পারে)।

এ কারনে একে মিক্সোট্রফিক(স্বভোজী ও পরভোজী উভয়) অর্গানিজম (mixotrophic organism) বলা হয়।

মাছ চাষে ইউগ্লেনার উপকারিতা:
১. প্রাকৃতিক খাদ্য:
ছোট মাছ ও পোনা (fingerlings) ইউগ্লেনা খেয়ে উপকার পায়। এতে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে।

২. অক্সিজেন উৎপাদন:
দিনের বেলায় সালোক-সংস্লেষণের মাধ্যমে পানিতে অক্সিজেন বৃদ্ধি করে।

৩. পানির পুষ্টি ভারসাম্য রক্ষা:
ইউগ্লেনা জৈব পদার্থ ব্যবহার করে পানির কিছু বর্জ্য উপাদান কমায়।

ক্ষতিকর দিক / সমস্যা:
Euglena যখন অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় (যাকে বলে Euglena bloom), তখন এটি মাছ চাষে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সমস্যাগুলো নিম্নরুপ:
- রাতের অক্সিজেন ঘাটতি রাতে ইউগ্লেনা শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়, ফলে পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায় - মাছ হাঁসফাঁস করে বা মারা যেতে পারে।
- পানির রঙ পরিবর্তন অতিরিক্ত ইউগ্লেনা পানিকে গাঢ় সবুজ বা লালচে করে ফেলে, যা পানির স্বচ্ছতা ও আলো প্রবেশ কমায়।
- বর্জ্য জমা: মরা ইউগ্লেনা পচে গিয়ে অ্যামোনিয়া, নাইট্রাইট ও হাইড্রোজেন সালফাইড উৎপন্ন করে- পানির গুণমান খারাপ করে।
- ক্ষতিকর শৈবাল বৃদ্ধিতে সহায়তা অতিরিক্ত জৈব পদার্থ থাকলে নীল-সবুজ শৈবাল (Microcystis, Oscillatoria) দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

✊ ইউগ্লেনা নিয়ন্ত্রণের উপায়
১. অতিরিক্ত জৈব সার বা গোবর প্রয়োগ এড়ানো।
২. পানির রঙ পর্যবেক্ষণ করা — গাঢ় সবুজ বা লালচে হলে জল পরিবর্তন করুন।
৩. চুন (CaCO₃) প্রয়োগ: স্বাভাবিক মাত্রায় ১৫ দিনে দুইবার।
৪. এয়ারেশন বা পানির নড়াচড়া বৃদ্ধি করা — অক্সিজেন স্বল্পতা কমায়।
৫. আংশিক পানি পরিবর্তন করা — ২০–৩০% পানি পরিবর্তন করলে ভারসাম্য ফিরে আসে।
6. প্রয়োজনে উপকারী জুপ্লাংকটন (যেমন রোটিফার) বৃদ্ধি করা, তারা ইউগ্লেনা খেয়ে ভারসাম্য রাখে।

***ইউগ্লেনা আপনার চাষের পুকুরে তেমন ক্ষতি করে না, তবে ব্লুম হলে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

সাইপারমেথ্রিন ও ডেল্টামেথ্রিন সমাচার ১৯৭২ সালে বিজ্ঞানী এলিওট জাপানের সুমিটমো কেমিকেলের একটি প্যাটেন্ট নিয়ে কাজ করতে গিয়...
18/10/2025

সাইপারমেথ্রিন ও ডেল্টামেথ্রিন সমাচার

১৯৭২ সালে বিজ্ঞানী এলিওট জাপানের সুমিটমো কেমিকেলের একটি প্যাটেন্ট নিয়ে কাজ করতে গিয়ে সাইপারমেথ্রিন আবিস্কার করেন এবং এই সাইপারমেথ্রিন কে ২ মাসের জন্য যখন একটি হেক্সেন সলুশনে ফ্রিজে রেখে দেন তখন তিনি সাদা ক্রিস্টালের মত ডেল্টামেথ্রিন আবিস্কার করে বসেন।এবং তিনি দেখেন যে এই ডেল্টামেথ্রিন অনেক বেশি শক্তিশালী কীটনাশক। এখন মাছে এই দুই ধরনের পাইরিথ্রয়েড গ্রুপের কীটনাশক অনেক বেশি ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন জলজ পোকা দমন ও উকুননাশক হিসাবে।

এই গ্রুপের কীটনাশক একবারেই বলা চলে পানিতে অদ্রবণীয় ও এরা মূলত লিপোফিলিক বা চর্বি জাতীয় পদার্থে বেশি দ্রবনীয় হয়ে থাকে। এজন্যই ডেল্টামেথ্রিন ২.৫ EC বানাতে গেলে তিনটি উপাদান লাগে-
০১. ডেল্টামেথ্রিন -২.৫ গ্রাম
০২. তেল/ফ্যাট- এই তেলের মধ্যে ডেল্টামেথ্রিন মিশে থাকে। তেলের পরিমান বেশি দিলে দেখবেন পুকুরে তেল ভাসতেছে। তেল হিসাবে অনেক লোকাল কোম্পানি কেরোসিন ও ব্যবহার করে। এই তেল বেশি দিলে তখন ডেল্টা শুধু পানির উপরেই ভাসবে,পুকুরের সবখানে যাবেনা।
০৩. ইমালসিফায়ার- এটি ডেল্টামেথ্রিন ও তেল কে পানির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে সবখানে ছড়িয়ে দিতে সাহায্যে করে। ইমালসিফায়ার ভালো হলে বা ইমালসিফায়ারে ডেল্টা ভালোভাবে ড্রপলেট তৈরী করলে দেখবেন সাদাটে দুধের মত বা ফোমের মত হচ্ছে দ্রবনটি।

শুধুমাত্র কেরোসিন দিয়ে তৈরি ডেল্টামেথ্রিনে কেরোসিনের গন্ধ পাবেন এবং শুধু পুকুরের উপরের পোকা মারতে সাহায্য করবে। ভালো ইমালসিফায়ার হলে ডেল্টামেথ্রিনকে সবখানে ছড়িয়ে দিতে সাহায্যে করে এবং উকুন মারতে কার্যকরী ভুমিকা পালন করবে।

এইযে ইমালসিফায়ার দেয়ার কারনে ডেল্টামেথ্রিন সবখানে ছড়িয়ে পড়ল এজন্যই বোতলের গায়ে লিখা থাকে ডেল্টামেথ্রিন ২.৫ EC বা Emulsifiable Concentrate.
আশা করি কেন বোতলের গায়ে ২.৫ EC লিখা থাকে বুঝতে পারছেন,সামনের পর্বে ডেল্টা নিয়ে কি জানতে চান কমেন্টে লিখতে পারেন?

বি: দ্র: এই পেজ শুধুমাত্র ভিউ ব্যবসার জন্য নয়,এটি একটি শিক্ষনীয় প্লাটফর্ম। পারলে পোস্ট শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ দিন।

নেটিং করা কেনো দরকার জেনে নিন- *পাখির দ্বারা মাছে কোনো ধরনের ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে না, *পুকুরে মাছ যা ছাড়বেন ত...
18/10/2025

নেটিং করা কেনো দরকার জেনে নিন-

*পাখির দ্বারা মাছে কোনো ধরনের ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে না,
*পুকুরে মাছ যা ছাড়বেন তাই পাবেন যদি না মরে,
*কালো পাখি বা পানি কাউড় পর্যাপ্ত মাছ খেয়ে ফেলে,
*পুকুরে রোগ বালাই কম হয়,
*মাছ চুরির সম্ভাবনা কম থাকে,
*বড় ধরনের সাপ পুকুরে আসতে পারে না,
*ব্যাঙ পুকুরে রেনু খেতে পারবে না,
*সুস্থ ভাবে মাছ উৎপাদন করা যায়,
*নেটিং মাছ চাষে লাভের বড় ভূমিকা রাখে,

পুকুর কে সব ধরনের রোগ বালাই মুক্ত রাখতে চাললে নেটিং করতে হবে, দেখবেন দিনশেষে আপনি লাভবান হয়েছেন...!

চান্দা মাছ কি সত্যিই অন্য মাছের শরীর থেকে সেলাইভা চেটে খায়?​মাছের শরীর থেকে লালা বা শ্লেষ্মা (Mucus/Slime) চেটে খাওয়ার এ...
11/10/2025

চান্দা মাছ কি সত্যিই অন্য মাছের শরীর থেকে সেলাইভা চেটে খায়?

​মাছের শরীর থেকে লালা বা শ্লেষ্মা (Mucus/Slime) চেটে খাওয়ার এই নির্দিষ্ট আচরণটি দেশি ছোট চান্দা মাছের (যেমন: কাঁচ চান্দা, Chanda nama)

​ছোট চান্দা মাছের স্বভাবগতভাবে তারা সাধারণত অবাঞ্ছিত মাছ (Unwanted Fish) হিসেবেই পরিচিত এবং তাদের প্রধান ক্ষতিকর দিক হলো:

​খাদ্যের প্রতিযোগিতা: তারা পুকুরে চাষ করা মাছের (রুই, কাতলা ইত্যাদি) জন্য দেওয়া খাবার ও প্রাকৃতিক খাদ্যের একটি বড় অংশ খেয়ে ফেলে।

​রোগের বাহক: তারা পরোক্ষভাবে পুকুরে রোগ ছড়াতে সাহায্য

​মাছের শরীর থেকে লালা বা শ্লেষ্মা চেটে খাওয়া একটা প্রবণতায় এই মাছের মধ্যে রয়েছে, যা অন্যান্য মাছকে দুর্বল করে তোলে যাতে মাছ ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে মারা যেতে শুরু করে,

চাষের পুকুরে এই মাছের প্রধান ক্ষতিকর প্রভাবগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
​১. খাদ্যের তীব্র প্রতিযোগিতা (Competition for Food)
​এটিই দেশি চান্দা মাছের কারণে চাষের মাছের প্রধান ক্ষতি।
​খাদ্য ভাগ বসানো: চান্দা মাছেরা পুকুরের উপরের স্তরের, মধ্য স্তরের এবং তলদেশের প্রাকৃতিক খাদ্য (যেমন: প্ল্যাঙ্কটন, পোকামাকড়ের লার্ভা) এবং চাষের জন্য দেওয়া কৃত্রিম সম্পূরক খাদ্যে (ফিড) ভাগ বসায়।
​খাদ্য সংকট: যেহেতু চান্দা মাছের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে, তারা প্রচুর পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করে। ফলে চাষের প্রধান মাছ (রুই, কাতলা, মৃগেল, তেলাপিয়া ইত্যাদি) তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পায় না।
​বৃদ্ধি ব্যাহত: খাদ্যের অভাবে চাষের মাছের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধি (Growth) কমে যায় এবং তারা কাঙ্ক্ষিত সময়ে বাজারজাতকরণের জন্য প্রস্তুত হতে পারে না। ফলে মাছ চাষী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
​২. বাসস্থান ও অক্সিজেনের প্রতিযোগিতা
​বাসস্থানের ভাগ: চান্দা মাছ পুকুরের মূল্যবান স্থান দখল করে, যা চাষের মাছের স্বাভাবিক চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
​অক্সিজেনের অভাব: পুকুরে মাছের ঘনত্ব বেড়ে গেলে, বিশেষ করে রাতের বেলা বা মেঘলা আবহাওয়ায়, সব মাছের জন্য দ্রবীভূত অক্সিজেনের (Dissolved Oxygen) অভাব দেখা দেয়। চান্দা মাছের আধিক্য এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে তোলে, যার ফলে চাষের মাছেরা খাবি খেতে পারে এবং দুর্বল হয়ে পড়ে।
​৩. রোগ সংক্রমণের বাহক
​যদিও চান্দা মাছ নিজেরা কোনো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে না, তবে তারা পুকুরে বিভিন্ন রোগজীবাণু বা পরজীবীর বাহক হিসেবে কাজ করতে পারে।
​সংক্রমণ বিস্তার: চান্দা মাছে কোনো পরজীবী বা দুর্বল রোগজীবাণু থাকলে, তাদের মাধ্যমে তা সহজেই পুকুরের সুস্থ চাষের মাছে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
​স্বাস্থ্য ঝুঁকি: এর ফলে চাষের মাছেরা রোগাক্রান্ত হয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মাছের মড়ক দেখা দিলে চাষীর বড় ধরনের লোকসান হতে পারে।
​৪. পোনা মাছের ভক্ষণ (বিশেষ করে ডিম ও রেণু)
​কিছু চান্দা প্রজাতি বা তাদের স্বভাব অন্যান্য মাছের ডিম ও রেণুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
​ডিম ও রেণু ভক্ষণ: চান্দা মাছ আকারে ছোট হলেও সুযোগ পেলে তারা পুকুরের পাড়া ডিম বা সবেমাত্র ফোটা ছোট রেণু পোনা খেয়ে ফেলে।
​বংশবৃদ্ধি ব্যাহত: নার্সারি বা পোনা মজুদের পুকুরে চান্দা মাছ থাকলে তা পোনা উৎপাদনের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।

বৃষ্টির সময় খাবার ব্যবস্থাপনা এবং মাছকে কীভাবে সুস্থ রাখবেন জেনে নিন-১-বৃষ্টি শেষ হলে ১-২ ঘন্টা পরে খাবার দিবেন।২-একটানা...
18/09/2025

বৃষ্টির সময় খাবার ব্যবস্থাপনা এবং মাছকে কীভাবে সুস্থ রাখবেন জেনে নিন-
১-বৃষ্টি শেষ হলে ১-২ ঘন্টা পরে খাবার দিবেন।
২-একটানা বৃষ্টি হলে খাবার বন্ধ করে রাখবেন।
৩-সকালের খাবারের সাথে ভিটামিন সি দেবেন।
৪-রাতের খাবারের সাথে এনজাইম দিবেন।
৫-রেনুর পুকুর বৃষ্টির পরে তৌরি করেন।
৬-খাবার স্বাভাবিকের চেয়ে কম দিবেন।
৭-৩দিন পর পর লিভার টনিক দিবেন।
৮-এখন গ্যাস এমনিতেই বেশি হবে।
৯- ইমারজেন্সি হলে অ্যামোনিয়ার ডোস করতে পারেন।
১০-পি এইচ স্বাভাবিক না থাকলে চুন দেবেন।
১১-ক্যাটফিশ হলে খাবারের সাথে সি মিস করা যাবে না।
১২-এখন অ্যামোনিয়া একটু বৃদ্ধি হবে চিনতা করেন না।
১৩-ভালো খাবার দিবেন।
১৪-কোনো ধরণের কীটনাশক ব্যাবহার করবেন না।
মাছকে ভালো রাখুন, নিজে ভালো থাকুন।

মাছ চাষে পুকুরে TSP সার: ব্যবহার মাত্রা, উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিকTSP সার কী?TSP (Triple Super Phosphate) হলো একটি রাসায়নি...
09/09/2025

মাছ চাষে পুকুরে TSP সার: ব্যবহার মাত্রা, উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক

TSP সার কী?

TSP (Triple Super Phosphate) হলো একটি রাসায়নিক সার যাতে প্রায় ৪৬% ফসফরাস থাকে। ফসফরাস হলো মাছ চাষের জন্য অপরিহার্য উপাদান, কারণ এটি ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন ও অন্যান্য প্রাকৃতিক খাবার উৎপাদনে সাহায্য করে।

মাছ চাষে TSP সার ব্যবহারের কারণ

1. ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন বাড়ায় – শৈবাল জন্মায়, যা মাছের জন্য প্রাকৃতিক খাদ্য।

2. জলজ প্রাণীর বৃদ্ধি ঘটায় – জুপ্ল্যাঙ্কটনসহ ছোট প্রাণী বাড়ে, যেগুলো মাছ সহজেই খেতে পারে।

3. উৎপাদনশীলতা বাড়ায় – পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার বেশি থাকলে মাছ দ্রুত ও স্বাস্থ্যকরভাবে বড় হয়।

4. মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে – পুকুরের তলায় ফসফরাস জমে থেকে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব দেয়।

TSP সারের ব্যবহার মাত্রা

✅ মাছ চাষের জন্য সাধারণত প্রতি এক একর 4/5 ফিট পানির জন্য:

TSP সার: ৮০০ গ্রাম – ১ কেজি

ব্যবহার পদ্ধতি:

সার সরাসরি না দিয়ে আগে এক বালতি পানিতে গুলে নিতে হবে।

তারপর সমানভাবে পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে।

সাধারণত ১০–১৫ দিন অন্তর সার ব্যবহার করা হয়।

পানির রঙ যদি হালকা সবুজ হয় তবে বুঝতে হবে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন ঠিক আছে, নতুন সার দেওয়ার দরকার নেই।

TSP সারের উপকারিতা

1. প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন বাড়ায় – মাছের জন্য পর্যাপ্ত শৈবাল ও ছোট প্রাণী জন্মায়।

2. খাদ্য খরচ কমায় – বাজার থেকে কেনা খাবারের উপর নির্ভরতা কমে।

3. মাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে – মাছ দ্রুত বড় হয় ও স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

4. দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব দেয় – একবার দিলে ফসফরাস দীর্ঘদিন কাজে লাগে।

TSP সারের ক্ষতিকর দিক

1. অতিরিক্ত ব্যবহারে সমস্যা – বেশি সার দিলে পানিতে ব্লুম হয়, অক্সিজেন কমে মাছ মারা যেতে পারে।

2. পানির মান নষ্ট হয় – অ্যামোনিয়া জমে বা পিএইচ পরিবর্তন হতে পারে।

3. পরিবেশ দূষণ – অব্যবহৃত সার আশেপাশের জমি ও পানিতে দূষণ ঘটায়।

4. অর্থনৈতিক ক্ষতি – প্রয়োজনের বেশি সার দিলে খরচ বাড়ে কিন্তু লাভ হয় না।

---

TSP সার মাছ চাষে খুবই কার্যকর। এটি ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন ও প্রাকৃতিক খাবার বাড়িয়ে উৎপাদন বাড়ায়। তবে অবশ্যই সঠিক মাত্রায় (প্রতি একরে ৮০০ গ্রাম – ১ কেজি) ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত ব্যবহার করলে মাছ ও পানির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

Address

Sirajganj
Sirajganj
SIRAJGANJ

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AD Agrovet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category