Master Bari Agro Farm

Master Bari Agro Farm Collective Farm of Livestock, Poultry, Aviary, Fishery & Vegetables etc
Radha Nagar, Sunamganj
(4)

28/04/2026

চীনা হাঁস বা মাস্কোভি হাঁস

28/04/2026
28/04/2026

চীনা হাঁস বা মাস্কোভি হাঁস

১। পরিচিতি (Introduction)

চীনা হাঁস বা মাস্কোভি হাঁস বাংলাদেশের খামারি পরিবেশে ধীরে ধীরে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই হাঁস মূলত মাংস উৎপাদনের জন্য বেশি পরিচিত। এদের মাংস কম চর্বিযুক্ত এবং পুষ্টিমান বেশি। গ্রামবাংলার খোলা পরিবেশে এরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারে। পুকুর, জলাশয় ও খোলা মাঠ থাকলে পালন আরও সহজ হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে শক্ত হওয়ায় ছোট খামারেও এদের পালন সম্ভব। আধা-ফ্রি রেঞ্জ ব্যবস্থায় এরা নিজে খাবার সংগ্রহ করতে পারে। এতে খামারের খাদ্য খরচ কমে যায়। বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এদের জন্য বেশ উপযোগী। সঠিক ব্যবস্থাপনায় একটি খামারে দ্রুত উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।

২। উৎপত্তি (Origin)

মাস্কোভি হাঁসের উৎপত্তি মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায়। বিশেষ করে মেক্সিকো, পেরু এবং ব্রাজিল অঞ্চলে এদের প্রথম দেখা যায়। সেখানকার বনাঞ্চল ও জলাভূমিতে এরা বন্য অবস্থায় বাস করত। পরে মানুষ এদের গৃহপালিত করে। ধীরে ধীরে ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। উষ্ণ আবহাওয়ায় টিকে থাকার ক্ষমতা থাকায় এরা দ্রুত নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই হাঁস পালন বাড়ছে। স্থানীয় খামারিরা মাংস উৎপাদনের জন্য এটি বেছে নিচ্ছেন। কারণ এদের বৃদ্ধি ভালো এবং রোগ কম হয়। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে এটি একটি সম্ভাবনাময় জাত।

৩। পরিবেশ (Environment)

মাস্কোভি হাঁস সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে ভালো থাকে। বাংলাদেশের জলবায়ু তাদের জন্য বেশ উপযোগী। দিনে পর্যাপ্ত আলো এবং বাতাস থাকা দরকার। খুব বেশি গরম হলে ছায়া এবং ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা রাখতে হয়। আবার শীতকালে ঠান্ডা বাতাস থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। আশেপাশে খোলা মাঠ থাকলে হাঁস চলাফেরা করতে পারে। এতে তাদের স্বাভাবিক আচরণ বজায় থাকে। জলাশয় থাকলে আরও ভালো হয় কারণ তারা সেখানে খাবার খুঁজে পায়। পরিষ্কার পরিবেশ রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। সঠিক পরিবেশে হাঁস দ্রুত বৃদ্ধি পায়। খামারের উৎপাদনও স্থিতিশীল থাকে।

৪। বাসস্থান (Housing)

হাঁসের ঘর এমন হতে হবে যাতে বৃষ্টি ও রোদ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। মেঝে একটু উঁচু হলে পানি জমে না। ঘরের ভিতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল থাকতে হবে। এতে দুর্গন্ধ কম হয় এবং হাঁস সুস্থ থাকে। লিটার হিসেবে শুকনো খড় বা কাঠের গুড়া ব্যবহার করা যায়। নিয়মিত লিটার পরিবর্তন করলে রোগ কম হয়। রাতে শিয়াল বা কুকুর থেকে সুরক্ষা দিতে হবে। দরজা ও বেড়া মজবুত হওয়া প্রয়োজন। ঘরের ভিতরে অতিরিক্ত ভিড় রাখা উচিত নয়। পরিষ্কার বাসস্থান হাঁসের উৎপাদন বাড়ায়।

৫। ১টির কত বর্গফুট জায়গা লাগে (Space Requirement)

একটি প্রাপ্তবয়স্ক মাস্কোভি হাঁসের জন্য সাধারণত ৩ থেকে ৪ বর্গফুট ঘরের জায়গা প্রয়োজন। খোলা দৌড়ানোর জায়গা হলে প্রতি হাঁসের জন্য ৮ থেকে ১০ বর্গফুট রাখা ভালো। এতে হাঁস স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে। বেশি জায়গা থাকলে রোগ কম ছড়ায়। হাঁসের মধ্যে মারামারি বা চাপ কম হয়। বর্ষাকালে একটু বেশি শুকনো জায়গা রাখা দরকার। বাচ্চা হাঁসের ক্ষেত্রে প্রথম দিকে কম জায়গা লাগে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে জায়গা বাড়াতে হয়। সঠিক জায়গা ব্যবস্থাপনা উৎপাদন বাড়ায়।

৬। দৈহিক আকার (Body, Beak, Legs)

মাস্কোভি হাঁসের দেহ লম্বা ও শক্তিশালী। বুক চওড়া এবং মাংসল হওয়ায় মাংস উৎপাদন বেশি হয়। মাথার চারপাশে লাল কারাংকেল দেখা যায় যা এই জাতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। ঠোঁট শক্ত এবং মাঝারি আকারের। এটি খাবার সংগ্রহে সাহায্য করে। পা শক্ত ও মোটা হয়। এতে হাঁস সহজে হাঁটতে পারে। ডানা বড় হওয়ায় তারা অল্প দূরত্বে উড়তেও পারে। দেহ গঠন স্বাস্থ্যবান হলে উৎপাদন ভালো হয়।

৭। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য (Behavioral Traits)

মাস্কোভি হাঁস স্বভাবের দিক থেকে তুলনামূলক শান্ত ও স্থির প্রকৃতির। অন্যান্য হাঁসের মতো বেশি ডাকাডাকি করে না। তাই খামারের পরিবেশ শান্ত থাকে। এরা খুব কম শব্দ করে এবং সাধারণত হিস হিস ধরনের শব্দ করে। এই হাঁস মানুষের সাথে দ্রুত অভ্যস্ত হয়ে যায়। দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে কিন্তু অতিরিক্ত ভিড় পছন্দ করে না। এরা খুব ভালো ফরেজার। মাঠে ছেড়ে দিলে নিজেরাই পোকামাকড়, ঘাস ও ছোট প্রাণী খুঁজে খায়। সাধারণত খুব বেশি আক্রমণাত্মক নয়। তবে প্রজনন মৌসুমে পুরুষ হাঁস একটু এলাকা রক্ষা করতে চায়। এরা পরিষ্কার পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে এবং নিয়মিত পানিতে যেতে ভালোবাসে।

৮। রঙ (Color)

মাস্কোভি হাঁস বিভিন্ন রঙে দেখা যায়। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় সাদা রঙের মাস্কোভি। এছাড়া কালো, নীল, চকোলেট এবং ব্রোঞ্জ রঙও পাওয়া যায়। অনেক সময় একটি হাঁসের শরীরে দুই বা তিনটি রঙের মিশ্রণ থাকে। যাকে পায়েড রঙ বলা হয়। সাদা রঙের হাঁস সাধারণত বাজারে বেশি জনপ্রিয়। কারণ তাদের মাংস দেখতে পরিষ্কার লাগে। কিছু হাঁসের ডানায় কালো দাগ থাকে। আবার কিছু হাঁস সম্পূর্ণ কালো বা বাদামি রঙের হয়। রঙের পার্থক্য থাকলেও উৎপাদনে খুব বেশি পার্থক্য দেখা যায় না। খামার ব্যবস্থাপনায় সব রঙের হাঁসই সমানভাবে পালন করা যায়।

৯। ওজন (Weight)

মাস্কোভি হাঁসের ওজন সাধারণত অন্যান্য অনেক হাঁসের চেয়ে বেশি হয়। একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হাঁসের ওজন প্রায় ৪ থেকে ৬ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। স্ত্রী হাঁস সাধারণত ২.৫ থেকে ৩.৫ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। ভালো খাদ্য এবং সঠিক পরিচর্যায় ওজন আরও বাড়তে পারে। দ্রুত বৃদ্ধির জন্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য প্রয়োজন। প্রথম তিন মাসে বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়। খামারে সুষম খাদ্য দিলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সঠিক ব্যবস্থাপনায় ৪ থেকে ৫ মাসে বাজারজাত করা যায়। ওজন বেশি হওয়ায় মাংস উৎপাদনে লাভজনক।

১০। প্রকারভেদ (Varieties)

মাস্কোভি হাঁসের কয়েকটি সাধারণ প্রকারভেদ দেখা যায়। সাদা মাস্কোভি সবচেয়ে বেশি পালিত হয়। কালো মাস্কোভি আরেকটি পরিচিত ধরন। এছাড়া ব্লু মাস্কোভি এবং চকোলেট মাস্কোভিও পাওয়া যায়। কিছু হাঁসের শরীরে বিভিন্ন রঙের মিশ্রণ থাকে যাকে পায়েড বলা হয়। বাণিজ্যিক খামারে সাধারণত সাদা ও পায়েড জাত বেশি দেখা যায়। কারণ এগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মাংসের গুণগত মানও ভালো থাকে। বিভিন্ন প্রকারভেদ থাকলেও পালন পদ্ধতি প্রায় একই।

১১। খাদ্য তালিকা (Feed List)

মাস্কোভি হাঁসের খাদ্য তালিকা সুষম হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ভুট্টা, গম এবং ধান প্রধান খাদ্য হিসেবে দেওয়া হয়। চালের কুঁড়া শক্তির ভালো উৎস। সরিষা বা সয়াবিন খৈল প্রোটিন সরবরাহ করে। মাছের গুঁড়া দিলে প্রোটিনের মান আরও ভালো হয়। সবুজ ঘাস ও শাকসবজি দেওয়া ভালো। কচুরিপানা বা জলজ উদ্ভিদও খেতে পারে। খনিজ ও ভিটামিন প্রিমিক্স দিলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। পরিষ্কার পানির ব্যবস্থা সবসময় থাকতে হবে। সঠিক খাদ্য তালিকা দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

১২। খাদ্যাভ্যাস (Feeding Habit)

মাস্কোভি হাঁস স্বাভাবিকভাবে ফরেজিং করতে ভালোবাসে। তারা মাঠে ঘুরে ঘুরে খাবার সংগ্রহ করে। পোকামাকড়, কেঁচো এবং ছোট জলজ প্রাণী খেতে পছন্দ করে। ঘাস ও বিভিন্ন বুনো উদ্ভিদও খায়। এই অভ্যাসের কারণে খামারের খাদ্য খরচ কমে যায়। আধা মুক্ত পদ্ধতিতে পালন করলে এরা বেশি সক্রিয় থাকে। সকালে এবং বিকালে প্রধান খাদ্য দেওয়া ভালো। দিনের বাকি সময় তারা নিজেরা খাবার খুঁজে নেয়। অতিরিক্ত মোটা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। প্রাকৃতিক খাদ্য তাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

১৩। প্রজনন সক্ষমতা (Reproductive Ability)

মাস্কোভি হাঁসের প্রজনন ক্ষমতা সাধারণত ভালো। একটি সুস্থ স্ত্রী হাঁস বছরে কয়েকবার ডিম পাড়তে পারে। সাধারণত ১টি পুরুষ হাঁসের সাথে ৪ থেকে ৫টি স্ত্রী হাঁস রাখা ভালো। এতে প্রজননের হার ভালো থাকে। স্ত্রী হাঁস সাধারণত ৬ থেকে ৭ মাস বয়সে ডিম দেওয়া শুরু করে। ভালো পুষ্টি এবং সঠিক পরিবেশ প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রজনন মৌসুমে হাঁসের স্বাস্থ্য বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হয়। পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভিটামিন দিলে ডিমের মান ভালো হয়। পরিষ্কার বাসা ডিম উৎপাদনে সহায়ক। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করলে বংশবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পায়।

১৪। বংশবৃদ্ধি (Breeding)

মাস্কোভি হাঁস প্রাকৃতিকভাবে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফুটাতে পারে। স্ত্রী হাঁস সাধারণত একটি নিরিবিলি জায়গায় বাসা বানায়। সেখানে খড় বা শুকনো ঘাস ব্যবহার করে। একসাথে ১২ থেকে ১৬টি ডিমের উপর বসতে পারে। তা দেওয়ার সময় স্ত্রী হাঁস খুব কম সময়ের জন্য বাসা ছাড়ে। প্রায় ৩৫ দিনের মধ্যে বাচ্চা ফুটে বের হয়। বাচ্চা বের হওয়ার পর মা হাঁস তাদের দেখাশোনা করে। বাচ্চাদের উষ্ণ ও শুকনো জায়গায় রাখা জরুরি। পরিষ্কার পানি ও হালকা খাবার দিতে হয়। সঠিক পরিচর্যায় বাচ্চার মৃত্যুহার কম থাকে।

১৫। জীবনকাল (Lifespan)

মাস্কোভি হাঁস সাধারণত দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে। গড়ে এদের জীবনকাল ৮ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত হতে পারে। তবে খামার ব্যবস্থায় সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত উৎপাদনের জন্য রাখা হয়। বয়স বাড়লে ডিম উৎপাদন কমে যায়। মাংস উৎপাদনের জন্য সাধারণত কম বয়সেই বিক্রি করা হয়। স্বাস্থ্যকর খাদ্য জীবনকাল বাড়াতে সাহায্য করে। পরিষ্কার পরিবেশ রোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ভালো। ভালো ব্যবস্থাপনায় হাঁস দীর্ঘদিন সুস্থ থাকে।

১৬। ডিম উৎপাদন (Egg Production)

মাস্কোভি হাঁস সাধারণত বছরে ৬০ থেকে ১২০টি ডিম দিতে পারে। ডিমের আকার তুলনামূলক বড় হয়। ডিমের খোসা শক্ত এবং রঙ সাদা বা ক্রিম ধরনের। ডিমের পুষ্টিমান ভালো এবং খাদ্য হিসেবে ব্যবহারযোগ্য। পর্যাপ্ত আলো ও পুষ্টি ডিম উৎপাদনে সাহায্য করে। সুষম খাদ্যে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকা দরকার। ডিম পাড়ার সময় শান্ত পরিবেশ প্রয়োজন। নিয়মিত ডিম সংগ্রহ করলে পরিষ্কার থাকে। সঠিক ব্যবস্থাপনায় ডিম উৎপাদন স্থিতিশীল থাকে।

১৭। ইনকিউবেশন (Incubation: Temperature and Humidity)

মাস্কোভি হাঁসের ডিম ফুটাতে সাধারণত প্রায় ৩৫ দিন সময় লাগে। কৃত্রিম ইনকিউবেটরে তাপমাত্রা প্রায় ৩৭.৫° সেলসিয়াস রাখা উচিত। আর্দ্রতা সাধারণত ৫৫ থেকে ৬৫ শতাংশ রাখা ভালো। শেষ কয়েক দিনে আর্দ্রতা একটু বাড়ানো হয়। প্রতিদিন কয়েকবার ডিম উল্টানো দরকার। এতে ভ্রূণের সঠিক বৃদ্ধি হয়। পরিষ্কার ইনকিউবেটর ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। দূষণ থাকলে বাচ্চা নষ্ট হতে পারে। সঠিক তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সফল হ্যাচিং নিশ্চিত করে।

১৮। সুবিধা (Advantages)

মাস্কোভি হাঁস পালন তুলনামূলক সহজ। এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো। খাদ্য খরচ তুলনামূলক কম হয়। কারণ তারা নিজেরাই অনেক খাবার সংগ্রহ করে। মাংসের গুণগত মান ভালো এবং বাজারে চাহিদা আছে। দ্রুত বৃদ্ধি হওয়ায় লাভ পাওয়া সহজ। গ্রামীণ পরিবেশে সহজে মানিয়ে নেয়। শব্দ কম করায় আশেপাশের পরিবেশ শান্ত থাকে। ছোট ও বড় উভয় খামারে পালন করা যায়। সঠিক ব্যবস্থাপনায় এটি লাভজনক খামার ব্যবসা হতে পারে।

১৯। অসুবিধা (Disadvantages)

মাস্কোভি হাঁস কখনও কখনও উড়তে পারে। তাই বেড়া শক্ত হওয়া দরকার। ডিম উৎপাদন অন্য কিছু হাঁসের তুলনায় কম। কিছু পুরুষ হাঁস প্রজনন মৌসুমে আক্রমণাত্মক হতে পারে। বাচ্চা অবস্থায় ঠান্ডা পরিবেশে ঝুঁকি থাকে। বর্ষাকালে বাসা ভেজা হলে রোগ বাড়তে পারে। অপরিষ্কার পরিবেশে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে উৎপাদন কমে যায়। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ জরুরি।

২০। স্বাস্থ্য পরিচর্যা (Health Care)

হাঁসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পরিষ্কার পরিবেশ খুব জরুরি। নিয়মিত বাসা পরিষ্কার করা দরকার। পরিষ্কার পানি সবসময় দিতে হবে। সুষম খাদ্য দিলে রোগ কম হয়। অসুস্থ হাঁস আলাদা করে রাখা ভালো। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করলে সমস্যা দ্রুত ধরা পড়ে। পরজীবী নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। খামারের আশেপাশে পানি জমতে দেওয়া উচিত নয়। স্বাস্থ্যকর পরিবেশ উৎপাদন বাড়ায়।

২১। রোগ বালাই (Diseases)

মাস্কোভি হাঁসে কিছু সাধারণ রোগ দেখা যায়। যেমন ডাক প্লেগ, ডাক কলেরা এবং ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ। পরজীবী সংক্রমণও হতে পারে। অপরিষ্কার পরিবেশে রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ভেজা লিটার সমস্যা তৈরি করে। দুর্বল খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়। অসুস্থ হাঁস দ্রুত আলাদা করা দরকার। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা ভালো।

২২। চিকিৎসা (Treatment)

রোগ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অ্যান্টিবায়োটিক কখনও প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়। পানিতে ভিটামিন দেওয়া যেতে পারে। অসুস্থ হাঁসকে আলাদা স্থানে রাখা দরকার। পরিষ্কার পরিবেশ বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। রোগের লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করলে চিকিৎসা সহজ হয়।

২৩। টিকা সময়সূচী (Vaccination Schedule)

টিকা রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাচ্চা বয়স থেকেই টিকা শুরু করা ভালো। নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী টিকা দিতে হয়। ডাক প্লেগের টিকা সাধারণত দেওয়া হয়। খামারের অবস্থার উপর ভিত্তি করে সময়সূচী নির্ধারণ করা হয়। নিয়মিত টিকা দিলে রোগের ঝুঁকি কমে।

২৪। টিকার নাম (Vaccine Names)

ডাক প্লেগ ভ্যাকসিন একটি গুরুত্বপূর্ণ টিকা। ডাক কলেরা ভ্যাকসিনও ব্যবহৃত হয়। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়াল রোগ প্রতিরোধের টিকা দেওয়া হয়। খামারের ঝুঁকি অনুযায়ী টিকা নির্বাচন করা হয়। পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা ভালো।

২৫। শীতকালের পরিচর্যা (Winter Care)

শীতকালে হাঁসকে ঠান্ডা বাতাস থেকে রক্ষা করা দরকার। বাসায় শুকনো লিটার রাখতে হবে। রাতে ঘর বন্ধ রাখা ভালো। উষ্ণ খাবার ও পরিষ্কার পানি দিতে হবে। ছোট বাচ্চাদের জন্য অতিরিক্ত উষ্ণতা দরকার। ঠান্ডা পরিবেশে রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

২৬। গরমকালের পরিচর্যা (Summer Care)

গরমকালে ছায়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি দিতে হবে। ঘরের বাতাস চলাচল বাড়াতে হবে। দুপুরে অতিরিক্ত গরম হলে হাঁস বিশ্রাম নেয়। পানির ব্যবস্থা থাকলে হাঁস ঠান্ডা থাকে। তাপ চাপ কমাতে খামারের চারপাশে গাছ লাগানো ভালো।

২৭। বর্ষাকালের পরিচর্যা (Rainy Season Care)

বর্ষাকালে ঘর শুকনো রাখা জরুরি। পানি জমে থাকলে রোগ বাড়ে। লিটার নিয়মিত পরিবর্তন করতে হয়। খাবার ভেজা হওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে। পরিষ্কার পানি দিতে হবে। খামারের চারপাশে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

২৮। খামারি হিসাবে বিশেষ সতর্কতা (Special Precautions for Farmers)

খামার সবসময় পরিষ্কার রাখা দরকার। সুষম খাদ্য দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। অসুস্থ হাঁস দ্রুত আলাদা করতে হবে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা উচিত। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে হবে। পানির উৎস পরিষ্কার রাখা জরুরি। নতুন হাঁস আনার আগে পরীক্ষা করা ভালো। সঠিক ব্যবস্থাপনা খামারের সফলতা নিশ্চিত করে।

Call now to connect with business.

21/01/2026

The Gumboro disease, also known as infectious bursal disease (IBD), a highly contagious and deadly viral infection primarily affecting young chickens.

Here's a summary of the key points:

Impact: The disease attacks the bursa of Fabricius, which is crucial for the bird's immune system, leading to weakness, vulnerability to other diseases, and stunted growth.

Symptoms: Signs to look out for include white diarrhea, trembling, ruffled feathers, and sometimes sudden death in chicks aged 3 to 6 weeks old.

Spread: Gumboro disease spreads rapidly through contaminated water, feed, or droppings, and can devastate an entire flock.

Prevention: The good news is that it's preventable.
Vaccination: Administer the first Gumboro vaccine at day 14 and a booster at day 21, typically via clean drinking water.

Biosecurity: Maintain a clean and dry brooding area and prevent overcrowding.

Without vaccination, there is no protection against this disease.

21/01/2026

How to use salt as a natural disinfectant in organic poultry farming. The here explains that salt can be an effective, chemical-free alternative for cleaning chicken coops and treating certain poultry diseases.

Key points include:
Why organic farming? The video highlights concerns about chemical residues in poultry products affecting human health, advocating for organic methods to avoid chemicals.

How salt works: Salt acts as a disinfectant by dehydrating bacteria through osmosis. When bacteria come into contact with a concentrated saline solution, they lose water and die swiftly.

Preparing the solution: To create an effective saline solution, mix salt in water until it's saturated. For a 20-liter container, a sachet of salt and four pieces of lemon are recommended. Any type of salt (sea salt, iodized salt) can be used.

Application for disinfection: The solution can be sprayed onto empty cages and surfaces within the chicken house to kill bacteria before a new batch of birds arrives.

Treating infectious coryza: For chickens suffering from infectious coryza (swollen eyes with white discharge), a cotton ball dipped in the saline solution can be used to gently press on their eyes to help remove the discharge.

The presenter demonstrates filling a semi-automatic sprayer with water, adding salt and lemon, and preparing it for use.

21/01/2026

Pawpaw (Papaya) Leaf

How pawpaw (papaya) leaf can be used as a natural, affordable booster for broiler chicken growth and health.

Key benefits of pawpaw leaf for broilers:
Improved Digestion and Nutrient Absorption: Contains natural enzymes like papain and chymopapain that help break down food faster, leading to better nutrient absorption and less feed waste.

Boosted Immunity: Rich in flavonoids, tannins, alkaloids, and saponins, which are natural compounds that strengthen the birds' immune systems.

Faster Weight Gain: Poultry trials have shown that birds supplemented with pawpaw leaf can gain 15% to 20% more weight within 3-4 weeks.

Cost-Effective and Organic: It's a 100% organic, easy-to-make, and affordable solution for poultry farmers.

How to prepare pawpaw leaf:
The video outlines two main preparation methods:

1. Powder Form (for mixing with feed):
Pick healthy green leaves, wash them thoroughly.

Dry them in the shade to preserve nutrients, or use a dehydrator at about 40°C .
Once dry and crispy, grind them into a fine powder.
Store in an airtight container away from sunlight and moisture for up to 2-3 months.

2. Liquid Extract Form (for drinking water):
Wash fresh leaves, crush them by hand until juice is extracted, then filter.

Alternatively, blend washed leaves with a little clean water and then filter.

Store in a glass bottle and refrigerate; use within 24 hours.

Hygiene is crucial to avoid contamination.

Dosage and application:
Powder in feed: Mix 2% pawpaw powder into the daily feed (e.g., 200g of powder for every 10kg of feed), ensuring even distribution.

Liquid in water: Use 0.5% extract in water (e.g., 100ml of extract in 20 liters of water). Serve in clean drinkers and ensure it's consumed within 24 hours; do not reuse leftovers.

Start with small amounts and observe your birds.

The pawpaw leaf is a natural, affordable, scientifically proven, and game-changing solution for broiler farmers, leading to better growth rates, feed efficiency, immunity, and profit margins.

20/01/2026

Let now I show you step by step on how to feed your layers of chickens dairy for maximum eggs production.
The first step is morning feeding. Give exactly 120 g of layers much per bed at 6 to 7:00 a.m. These meals provide the protein, calcium, and vitamins required to start forming the egg yolk, egg white, and egg shell. Morning mash supports strong chicks good exercise and consistent laying throughout the day.
The second step is midmorning morning feeding. Give exactly 40 grams of grains per bed at 10:00 a.m. You can use a crushed maze, millet, sum or wheat brand. Energy grains keep the bird active and prevent them from becoming tired. They fuel body warmth, movement, and digestion, allowing the birds to continue egg development without stress. Good energy intake prevents sudden drops in egg production.
The third step is free choice calcium. Use clashed oyster shells, limestone or dried eggshells. This allows hens to access unlimited calcium in a separate dish.
Calcium helps the chickens to form hard eggshells and prevent shells from breaking or becoming more soft. Let each bird take exactly what it needs of free choice calcium because layers naturally regrate their calcium intake.
Fourth step is afternoon feeding. Give exactly 70 grams per b of layer pleats or layer mash at 1 to 2 p.m. This meal maintains the nutrients level in the blood. Layers need constant nutrients to continue forming the egg through the afternoon and evening. Without this feeding, birds may produce small eggs or skip laying. The fifth step is water management. Each bird should drink 250 to 300 ml of clean water per day. Lets water twice daily and add vitamins or electrolytes every Tuesday and Friday. Water directly affects egg size, egg number and egg shells thicknesses. Even a few hours without water can cause stress and an immediate drop in LA. And lastly, between 5 to 6:00 p.m., check if your birds have eaten enough. A full chicken crop should feel soft and loud. A full crop ensures and digest feed slowly at night. This supports nighttime egg formation which is when most internal egg developments happen. In total each hen should take 230 g of feeds per day. If each hen gets this amount daily and plenty of clean water. This will lead to the increase of egg production even more than 80%.

Address

Master Bari, Radha Nagar, Housing Estate
Sunamganj
3000

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801886787030

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Master Bari Agro Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Master Bari Agro Farm:

Share

Category