AH Islamic Media

AH Islamic Media সিলসিলায়ে ফুলতলী

আ'য় রাব,,,শুকরিয়া তোমারগত ৪ ঠা রবিউল আউয়াল মাসে নূর নাবীজি মুহাম্মাদ (সাঃ) সদকায় তুমি এই জাতিকে হাদিয়া করেছিলে মুসলিম মি...
19/08/2026

আ'য় রাব,,,
শুকরিয়া তোমার
গত ৪ ঠা রবিউল আউয়াল মাসে নূর নাবীজি মুহাম্মাদ (সাঃ) সদকায় তুমি এই জাতিকে হাদিয়া করেছিলে মুসলিম মিল্লাতের এক ওবিসংবাদিত রাহবার, যার জবান থেকে কুরআন-হাদিসের অমিয় বাণী মানুষ শুনে হেদায়েতের দিশা পাচ্ছে,,,,,,,,

দোয়া করি আল্লাহ আপনার কাছে হযরতকে নেক হায়াত ধারাজ করুন, সকল প্রকার বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত করুন এবং এই মুসলিম ভূখণ্ডে আপনার বন্ধু নাবীজি মুহাম্মাদ (সাঃ) এর এই আশেকের হাতেই কালিমার পতাকা উঠায়ে দিন মাবুদ।

ব্রেকিং: বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি খেলোয়াড় 'রবার্তো কার্লোস' ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।
19/08/2026

ব্রেকিং: বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি খেলোয়াড় 'রবার্তো কার্লোস' ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

দারুল কিরাত ২০২৬: দারুল হাদীস লতিফিয়া সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চে পুরস্কার ও সনদ বিতরণলন্ডন প্রতিনিধি: পবিত্র কুরআনের শুদ্ধ তিলাও...
18/08/2026

দারুল কিরাত ২০২৬: দারুল হাদীস লতিফিয়া সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ

লন্ডন প্রতিনিধি: পবিত্র কুরআনের শুদ্ধ তিলাওয়াত, তাজবীদ ও কিরাআতের শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে পরিচালিত দারুল কিরাত ২০২৬ সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চের পুরস্কার ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার লন্ডনের দারুল হাদীস লতিফিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুরআন শিক্ষায় সফল শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সফল ছেলে শিক্ষার্থীদের ঐতিহ্যবাহী পাগড়ি এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের আবায়া ও স্কার্ফ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাহেবজাদা হযরত আল্লামা শিহাব উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইয়াকুবিয়া হিফজুল কুরআন বোর্ডের সেক্রেটারি হযরত মাওলানা গুফরান আহমদ চৌধুরী এবং দারুল হাদীস লতিফিয়া নর্থওয়েস্টের প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা সালমান আহমদ চৌধুরী।

দারুল হাদীস লতিফিয়া সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চের নাজিম ও প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ হাসান চৌধুরী ফুলতলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল ওয়াছি আরিফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হযরত আল্লামা শিহাব উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী বলেন, কুরআনের খিদমত পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ খিদমত। যারা কুরআন শিখছেন, শেখাচ্ছেন এবং কুরআনের বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন, তারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। সন্তানদের কুরআনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা এবং তাদের ক্বারি ও হাফিজ হিসেবে গড়ে তোলা অভিভাবকসহ সবার দায়িত্ব।

তিনি শিক্ষার্থীদের কুরআনের শিক্ষা নিজেদের জীবনে ধারণ ও আমল করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সমাজে কুরআনের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি বছর দারুল কিরাতের সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চ থেকে মোট ৯৬ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। আর যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শাখা মিলিয়ে এ বছর ৬০০-এরও বেশি শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।

সনদ ও পুরস্কার বিতরণ পর্বে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়ার সময় অনুষ্ঠানস্থলে আনন্দঘন ও আবেগাপ্লুত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সন্তানদের কুরআনের শিক্ষা সম্পন্ন করে ক্বারি হিসেবে সনদ অর্জন করতে দেখে অভিভাবকদের অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

অভিভাবকরা জানান, স্কুল ও সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি সন্তানদের পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত, তাজবীদ ও কিরাআতের শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পেরে তারা গর্বিত ও আনন্দিত। তাদের মতে, এই অর্জন শুধু একটি সনদ পাওয়ার বিষয় নয়; বরং সন্তানদের ভবিষ্যৎ জীবনকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তারা দারুল কিরাতের শিক্ষক ও আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ ধরনের দ্বীনি শিক্ষামূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চের উস্তাদ হযরত মাওলানা মুফতি ইলিয়াস হুসাইন, মুহাদ্দীস মাওলানা শেহাব উদ্দিন, মাওলানা মুফতি আশরাফুর রহমান, মাওলানা মো. আবদুল কাহহার, মাওলানা আব্দুল আউয়াল হেলাল, হাফিজ মাওলানা আনহার আহমদ, ম্যানচেস্টারের শাহজালাল মসজিদের খতিব মাওলানা খায়রুল হুদা খান, গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মাওলানা ফরিদ আহমদ চৌধুরী, গভর্নর কমর উদ্দিন চৌধুরী পাপলু, হাফিজ মাওলানা কয়েছ উজ জামান এবং ক্বারি বদরুল ইসলামসহ বিশিষ্ট আলেম-উলামা ও শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলর ও ক্যাবিনেট মেম্বার সাইদ আহমদ, কাউন্সিলর আবদুল মজিদ, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মি. ফয়জুল ইসলাম আলী, মাওলানা মুজতাবা হাসান চৌধুরী নোমান, মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন, মাওলানা রাফি আহমদ, মাওলানা জয়নুল আবেদীন, মাওলানা আবদুল ওয়াহিদ, মাওলানা রায়হান আহমদ, মাওলানা আহনাফ মুশাররফ চৌধুরীসহ শিক্ষক, অভিভাবক, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-খতিব এবং বিপুলসংখ্যক শুভাকাঙ্ক্ষী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে পবিত্র কুরআনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে দারুল কিরাতের মতো উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষ উস্তাদদের তত্ত্বাবধানে শুদ্ধ তিলাওয়াত, তাজবীদ ও কিরাআতের শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও নৈতিক জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সফল শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, কুরআনের খেদমতে তাদের জীবন উৎসর্গ করার তাওফিক এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ-বিদেশে উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং পবিত্র কুরআনের শিক্ষা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হয়।

মীলাদুন্নবী ﷺ এর মাসে সীরাতুন্নবী ﷺ মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাসে সীরাত পাঠ, সীরাত কম্পিটিশন, সেমি...
17/08/2026

মীলাদুন্নবী ﷺ এর মাসে সীরাতুন্নবী ﷺ

মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাসে সীরাত পাঠ, সীরাত কম্পিটিশন, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, সীরাত অলিম্পিয়াড, সীরাতুন্নবী মাহফিল—সবই নিশ্চিত বিদআত! আর সকল বিদআতই গুমরাহী। কারণ? নবীজি ﷺ এরকম অনুষ্ঠান করেন নি, খুলাফায়ে রাশেদা করেন নি, সাহাবীগণ করেন নি, তিন যুগে ছিল না, আবু হানীফা রহ, ইমাম শাফেঈসহ কেউ করেন নি, নবীজির যুগেতো সীরাতের কোনো কিতাবই ছিল না। ইসলামতো পরিপূর্ণ জীবন বিধান। নবীজি তাঁর উপর আরোপিত দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করেছেন। তারপর এসব আয়োজন করার অর্থ হলো সে দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা ।

এ সকল প্রশ্নের উত্তর হলো এটা ঠিক যে, এসকল আয়োজন বিদআত কিন্তু এটা উত্তম বিদআত তথা বিদআতে হাসানা। এব্যাপার রসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
مَنْ سَنَّ فِي الْإِسْلَامِ سُنَّةً حَسَنَةً، فَلَهُ أَجْرُهَا، وَأَجْرُ مَنْ عَمِلَ بِهَا بَعْدَهُ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْقُصَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْءٌ، وَمَنْ سَنَّ فِي الْإِسْلَامِ سُنَّةً سَيِّئَةً، كَانَ عَلَيْهِ وِزْرُهَا، وَوِزْرُ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ بَعْدِهِ، مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْقُصَ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَيْءٌ

“যে ব্যক্তি ইসলামে কোনো উত্তম রীতি/সুন্নাহর প্রচলন করে, তার জন্য তার নিজের সেই আমলের সওয়াব রয়েছে এবং তার পরে যারা সেই আমল করবে, তাদের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াবও তার জন্য রয়েছে—তাদের সওয়াব থেকে কোনো কিছু কমানো হবে না।
আর যে ব্যক্তি ইসলামে কোনো মন্দ রীতির প্রচলন করে, তার ওপর তার সেই মন্দ কাজের গুনাহ রয়েছে এবং তার পরে যারা সেই মন্দ কাজ করবে, তাদের গুনাহের সমপরিমাণ গুনাহও তার ওপর বর্তাবে—তাদের গুনাহ থেকে কোনো কিছু কমানো হবে না।” (সহিহ মুসলিম)

এখন প্রশ্ন হলো—
সীরাতুন্নবী ﷺ পড়া কি নিজেই খারাপ কাজ?
না।
নবীজি ﷺ-এর জীবন, চরিত্র, সুন্নাহ ও ভালোবাসার কথা মানুষকে শেখানো কি হারাম?
না।
শিশুদের সীরাত শেখাতে কুইজ বা প্রতিযোগিতা করা কি নিজেই হারাম?
না।
মানুষকে নবীজি ﷺ-এর আদর্শের প্রতি উৎসাহিত করতে সেমিনার করা কি নিজেই হারাম?
না।

তাহলে—
সীরাত পড়া, নবীজি ﷺ-এর জীবন আলোচনা করা এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা জাগানো—এসবের উদ্দেশ্য যদি দ্বীনি হয়, তাহলে শুধু “নবীজি ﷺ এভাবে অনুষ্ঠান করেননি” বলেই সেটাকে মন্দ বিদআত বানিয়ে দেওয়া কি এত সহজ?

তাছাড়া শাব্দিক অর্থে যেকোনো নব আবিষ্কৃত বিষয় বিদআত হলেও পারিভাষিকভাবে তা (মন্দ বা বর্জিনীয়) বিদআত হওয়াটা শর্তসাপেক্ষ।
ক. নব আবিষ্কৃত বিষয়টি সত্তাগতভাবে দীন মনে করা
খ. কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী হওয়া অর্থাৎ, অকাট্যভাবে বিষয়টি সত্তাগতভাবে দীনী বিষয় না হওয়া প্রমাণিত ।
গ. বিষয়টি যন্নী (অর্থাৎ যা অকাট্য নয়) না হওয়া। এর মানে হলো, যে বিষয়টি দীনী বিষয় হওয়ার ব্যাপারে যন্নী দলীল বা ইখতিলাফ না থাকা।

অতএব, মীলাদের এই রবিউল আউয়াল মাসে সীরাতুন্নবী ﷺ উপলক্ষে সকল আয়োজনই উত্তম বিদআত। তবে এটাও নিয়তের উপর নির্ভরশীল । কেননা, কারো নিয়ত যদি হয় যে মীলাদুন্নবী ﷺ কে ঠেকিয়ে দেয়া, বা শিশুদের মনে মিলাদ মাহফিলের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো তবে তা গুরুতর অন্যায় ও গুনাহের কাজ । কেননা, উপর্যুক্ত দলীল ছাড়াও মীলাদুন্নবী ﷺ
উদযাপনের পক্ষে ইবনে হাজার আসকালানী, শামসুদ্দীন যাহাবী, ইমাম সুয়ূতী, আল্লামা কাস্তাল্লানী, আল্লামা সাখাভী, শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী, আব্দুল হাই লাখনাভী, মুল্লা আলী কারী, ইবন আবিদীন শামী র.সহ শতাধিক সর্রজন গ্রহণযোগ্য আলিমে দীন মন্তব্য করেছেন ।

অধিকাংশ মুসলমান মীলাদুন্নবীর মাহফিলে কুরআন তিলাওয়াত, হামদে বারী তা‘আলা, না‘তে রাসূল পরিবেশন করে থাকেন। তার পর মহান আল্লাহর যিকর, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা, প্রিয় নবীর শানে বিভিন্ন কবিতা আবৃতির পাশাপাশি দাঁড়িয়ে বা বসে সালাত-সালাম প্রেরণ এবং সর্বশেষে দু‘আ মুনাজাত ও তাবারুক বিতরণীর মাধ্যমে পালন করে থাকেন। পৃথক পৃথক ভাবে এসব ইবাদতের কোনোটিই নাজায়েয, বিদ‘আত বা হারাম বলার কোনোই সুযোগ নেই৷ মীলাদুন্নবীর এ পদ্ধতিটি পৃথক কোনো ইবাদত নয়; বরং কিছু ইবাদতের সমষ্টি। অতএব যদি মীলাদুন্নবীর নামে কোনো হারাম কাজ যেমন, নারী-পুরুষের একত্রে সম্মিলন, নাচ-গানের আয়োজন, ডোল-বাদ্য বাজানো বা চেয়ার সাজিয়ে নবীজির অবশ্যই আগমনের আকীদা পোষণ ইত্যাদি করা হয় তবে তা অবশ্যই বিদ‘আত হারাম হবে। কিন্তু এ কারণে মূল বৈধ মীলাদকে এ হুকুমের অন্তর্ভুক্ত করা ঠিক হবে না।

 #আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলির তত্ত্বাবধায়নের পরিচালিত Latifi Hands ❤️ #কত মানুষই তো পৃথিবীতে উপহার পায়, কিন্তু প...
17/08/2026

#আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলির তত্ত্বাবধায়নের পরিচালিত Latifi Hands ❤️

#কত মানুষই তো পৃথিবীতে উপহার পায়, কিন্তু পিতৃহীন অসহায় এতিম শিশুর হাতে যখন নতুন পোশাক তুলে দেওয়া হয়, তখন তা শুধু একটি উপহার নয় এটি তাকে এই বার্তা যে, তুমিও আমাদের আপন!

ছোট ছোট এতিম শিশুদের মুখে নির্মল হাসি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সামান্য একটি সহযোগিতা কারো জীবনে কত বড় আনন্দের কারণ হতে পারে।

গতকাল ২০ জুলাই ২০২৬ ইং, লতিফি হ্যান্ডসের ব্যাবস্তাপনায় লতিফিয়া এতিমখানা ফুলতলী'র সকল এতিম ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় নতুন পোশাক। নতুন পোশাক পেয়ে তাদের উচ্ছ্বাস আর আনন্দময় হাসি ছিল আমাদের জন্য এক অমূল্য উপহার।

এই সুন্দর মুহূর্তটি সম্ভব হয়েছে লন্ডনের দারুস সালাম মসজিদের সম্মানিত মুসল্লিয়ানদের আন্তরিক সহযোগিতায়। আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে সকল দাতাদের জন্য দোয়া করি, যারা নিয়মিত এতিম শিশুদের খেদমতে আমাদের পাশে রয়েছেন। দয়াময় তাদের দানকে কবুল করেন। আমিন

17/08/2026

২০২৫ সালে লন্ডনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে মুবারক র‍্যালী, নেতৃত্বে ছিলেন আল্লামা মুফতী গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ছাহেব ফুলতলী।

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

#কমেন্টবক্সে_দেওয়া_আছে_২০২৪সালের_ভিডিও

ছাত্রজীবনে পড়াশোনাই ছাত্রদের মূল ওযীফা—মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী
17/08/2026

ছাত্রজীবনে পড়াশোনাই ছাত্রদের মূল ওযীফা
—মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী

আলহামদুলিল্লাহ ! ফ্রান্সে সামারকালিন দারুল কিরাত কোর্স-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হযরত আল্ল...
17/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ !
ফ্রান্সে সামারকালিন দারুল কিরাত কোর্স-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলা রহ.-এর সুযোগ্য নাতি বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক হযরত মাওলানা হাফিজ মারজান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী ফ্রান্স Paris Charles de Gaulle এয়ারপোর্টে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান আনজুমানে আল ইসলাহ ফ্রান্সের নেতৃবৃন্দ।

তীর শুধু মীলাদুন্নবীর দিকেই কেন?কদিন যাবত কয়েকজন ভাই ইনবক্সে একটি তালিকা পাঠাচ্ছেন, যেখানে মীলাদুন্নবী ﷺ সংক্রান্ত কিছু ...
16/08/2026

তীর শুধু মীলাদুন্নবীর দিকেই কেন?

কদিন যাবত কয়েকজন ভাই ইনবক্সে একটি তালিকা পাঠাচ্ছেন, যেখানে মীলাদুন্নবী ﷺ সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন দেয়া আছে। কমেন্টে স্ক্রিনশট দিচ্ছি, দেখে নিন।

আমরা জানি, মীলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষ্যে আজকের মত উদযাপন, অর্থাৎ র‍্যালি এবং মাহফিল রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যুগে হয়নি। তবে এরকম বহু বিষয় আছে, যার আসল বা মূল কুরআন-সুন্নাহতে রয়েছে, তবে পদ্ধতি পরবর্তীতে কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। যেমন ওয়াজ মাহফিল, সীরাত কনফারেন্স, তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। সাহাবিরা কবে সীরাত কনফারেন্স, তাও আবার জাহাজ ভাড়া করে করেছেন? সাহাবিরা কবে আন্তর্জাতিক তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা করেছেন? সাহাবিরা রবিউল আউয়ালে মীলাদুন্নবী করেননি ঠিক, তাঁরা রবিউল আউয়ালে সীরাত মাহফিলও তো করেননি। রাসূল ﷺ রোযা রেখে তাঁর মীলাদের শুকরিয়া আদায় করেছেন (সহীহ মুসলিম, ১১৬২)। এটি সর্বোত্তম পদ্ধতি, অনেকে রোযা রাখেও। তাই বলে অন্য সব উপায়ে মীলাদ উদযাপন করা যদি বিদআত হয়ে যায়, তাইলে আজকের দিনে যেভাবে ওয়াজ মাহফিল হয়, রাসূল ﷺ কবে এরকম দিন-তারিখ নির্ধারণ করে, আয়োজন করে মাহফিল করেছেন?

সবচেয়ে বড় উদাহরণ তো ২৯ রামাদানে হারামাইন শারীফাইনের খতমে কুরআনের দুআ। একটি রিওয়ায়াতও পাবেন না, যেখানে সাহাবিরা তারারীর পর এরকম সম্মিলিতভাবে খতমে কুরআনের মোনাজাত করেছেন। তবু হারামাইনে এটি চলে আসছে। সালাফি উলামাও তাতে শরীক হন। তবে তীর শুধু মীলাদের দিকেই কেন? সীরাত কনফারেন্স, ওয়াজ মাহফিল, তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা বা অন্য কোনো বিষয়ের দিকে কেন নয়?

আপনারা বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবীর ঈদের নামাজ কখন আদায় করা হয়। তবে উমর রা. ও ইবন আব্বাস রা. জুমআ ও আরাফার দিনকে যে ‘ঈদের দিন’ বলেছেন (সহীহ বুখারী, ৪৫ ও তিরমিযী, ৩০৪৪)। তাঁরা আরাফার দিনের ঈদের নামাজ কখন ও কীভাবে আদায় করেছিলেন?

আপনাদের অভিযোগ, আমরা মীলাদুন্নবী ﷺ সাওয়াবের নিয়তে উদযাপন করি বলে এটি বিদআত৷ তাইলে আপনারা কি সীরাত কনফারেন্স ও তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা আযাবের নিয়তে করেন? তাইলে তীর কেবল মীলাদুন্নবীর দিকেই কেন? যেন দুনিয়ার বাকি সবকিছু একদম মাদানী নিয়মে চলছে, আর আমরা মীলাদ নিয়ে মাঝখান থেকে আলগা হয়ে গেছি!

মীলাদুন্নবীর র‍্যালি বা মাহফিলে শরিক হওয়া কেউই এগুলোকে শারঈ ইবাদত মনে করে নয়, বরং খুশি জাহির করার একটি জায়িয মাধ্যম মনে করেই শরিক হয়েছে। শারঈ ইবাদত হলে তো সবার জন্য শরিক হওয়া ফরয হয়ে যেত। অথচ কত মানুষ শরিক হয়নি। কেউ কাউকে দোষারোপও করেনি।

ইমাম ইবন হাজার আসকালানী মীলাদুন্নবীকে নতুন বললেও এর আসল সুন্নাহ (সহীহ বুখারী, ২০০৪ ও সহীহ মুসলিম, ১১৩০) দ্বারা সাবিত বলেছেন। ঈদে মীলাদুন্নবীর কাইফিয়্যাত বা পদ্ধতি নিয়ে অনেকে কথা বলেছেন। দলিল নিয়েও অনেক লেখা রয়েছে। আর আমি কাউকে মীলাদুন্নবী গিলে খাওয়াতে চাইও না। কেউ করলে করলেন, না করলে নাই।
(আমি শুধু র‍্যালি ও মাহফিলের ব্যাপারে কথা বলছি। ফুল দিয়ে পীর সাজানোর দায়দায়িত্ব নিচ্ছি না।)

ও হ্যাঁ, শোকরানা র‍্যালি, শোকরানা মাহফিল ও ‘তাওহীদি রাষ্ট্র’ সৌদির জাতীয় দিবসে শায়খদের অংশগ্রহণের কথা তো ভুলেই গেলাম। বলুন, রাসূল ﷺ কবে কিসের জন্য শোকরানা মাহফিল বা র‍্যালি করেছেন। মদীনা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর সাহাবিরা কতবার ‘প্রতিষ্ঠা দিবস’ পালন করেছেন? তবু তীর শুধু মীলাদের দিকে?

রবিউল আউয়ালে সবাই কিছু না কিছু করছে। কেউ মীলাদুন্নবী নামে, কেউ সীরাতুন্নবী নামে, কেউ ইমামে আজম মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ কনফারেন্স নামে। আমি বলি, করুন। নবী তো কেবল আমার একার নয়, আপনারও।

❤️❤️❤️❤️❤️ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ ❤️❤️❤️❤️❤️❤️

—মাওলানা মারজান আহমদ চৌধুরী ফুলতলী

ব্যক্তিত্ব, সরলতা, আলোচক,গবেষক ও বংশীয়  আভিজাত্যের সমন্বয়ে গড়া আমার এবং আমাদের  সিলেটি হুজুর Badruzzaman Riad (দামাত বার...
15/08/2026

ব্যক্তিত্ব, সরলতা, আলোচক,গবেষক ও বংশীয় আভিজাত্যের সমন্বয়ে গড়া আমার এবং আমাদের সিলেটি হুজুর Badruzzaman Riad (দামাত বারাকাতুহুম)। তিনি একাধারে একজন গবেষক, প্রথিতযশা মুহাদ্দিস ও দূরদর্শী আলোচক।
হুজুরের চলাফেরা, আচার-ব্যবহার ও উন্নত আখলাক আমাদের জন্য এক অনুপম আদর্শ। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন মাহফিলে যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। তাঁর প্রতিটি আলোচনা এতই জ্ঞানগর্ভ ও হৃদয়গ্রাহী ছিল যে, আমার প্রায়ই মনে হতো—এই অমূল্য আলোচনাগুলো যদি গ্রন্থাকারে প্রকাশ করা যেত, তবে বিশেষ করে ইলমপিপাসু তালিবুল ইলমদের জন্য তা এক অসামান্য নিয়ামত হতো।
দীর্ঘ সফরের চরম ক্লান্তিকর মুহূর্তেও তিনি নিজের কাজ নিজে করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন; কখনোই তা ছাত্রদের ওপর চাপিয়ে দিতেন না। তাঁর এই বিনয় ও স্বাবলম্বিতা আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে।
ছাত্রাবস্থায় আমি যখন বিভিন্ন প্রোগ্রামে বক্তব্য দেওয়া শুরু করি, হুজুর তখন দরসেই আমাকে অত্যন্ত স্নেহে সতর্ক করে বলেছিলেন, "পাকা ফল হওয়ার আগেই ঝরে যেও না; আগে নিজেকে পাকার সুযোগ দাও।"
আলহামদুলিল্লাহ, ওস্তাদজীর এই অমূল্য উপদেশটি আজও আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাথেয়। ইলমের সাগরে আমি যতই গভীরে প্রবেশ করছি, এই কথার গূঢ় রহস্য ততই অনুধাবন করছি এবং কথা বলার ক্ষেত্রে নিজেকে আরও সতর্ক ও সংবৃত করতে শিখছি।
হুজুর সাময়িকভাবে দূরে অবস্থান করলেও আমার হৃদয়ে খুবই নিকটবর্তী। আমাদের হৃদয়ের মারকাজ ‘দারুন্নাজাত মাদরাসা’—আর সেই মারকাজের উজ্জ্বল নক্ষত্রদের মাঝে তিনি অন্যতম। আল্লাহ তাআলা ওস্তাদজীকে দীর্ঘায়ু ও সুস্থতার সাথে দ্বীনের দ্বীপ্তিময় খিদমত অব্যাহত রাখার তাওফিক দান করুন।

সংরক্ষিত

Address

সিলেট
Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AH Islamic Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category