21/01/2024
اَلَمۡ تَرَ اِلَی الۡمَلَاِ مِنۡۢ بَنِیۡۤ اِسۡرَآءِیۡلَ مِنۡۢ بَعۡدِ مُوۡسٰی ۘ اِذۡ قَالُوۡا لِنَبِیٍّ لَّہُمُ ابۡعَثۡ لَنَا مَلِکًا نُّقَاتِلۡ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ ؕ قَالَ ہَلۡ عَسَیۡتُمۡ اِنۡ کُتِبَ عَلَیۡکُمُ الۡقِتَالُ اَلَّا تُقَاتِلُوۡا ؕ قَالُوۡا وَ مَا لَنَاۤ اَلَّا نُقَاتِلَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ وَ قَدۡ اُخۡرِجۡنَا مِنۡ دِیَارِنَا وَ اَبۡنَآئِنَا ؕ فَلَمَّا کُتِبَ عَلَیۡہِمُ الۡقِتَالُ تَوَلَّوۡا اِلَّا قَلِیۡلًا مِّنۡہُمۡ ؕ وَ اللّٰہُ عَلِیۡمٌۢ بِالظّٰلِمِیۡنَ ﴿۲۴۶﴾
তুমি কি মূসার পরবর্তী বানী ইসরাঈলের প্রধানদের প্রতি লক্ষ্য করোনি? তারা তাদের নবীকে বলেছিলো, ‘আমাদের জন্য একজন বাদশাহ ঠিক করুন, যাতে আমরা মহান আল্লাহ্র পথে জিহাদ করি’। নির্দেশ হলো, ‘এমন সম্ভাবনা আছে কি যে, যদি তোমাদের প্রতি জিহাদের হুকুম দেয়া হয় তবে তোমরা জিহাদ করবে না’? তারা বললো, ‘আমরা কী ওযরে মহান আল্লাহ্র পথে জিহাদ করবো না, যখন আমরা আমাদের গৃহ ও সন্তানাদি থেকে বহিস্কৃত হয়েছি’। তারপর যখন তাদের প্রতি জিহাদের হুকুম হলো, তখন তাদের অল্প সংখ্যক লোক ছাড়া সকলেই ফিরে দাঁড়াল এবং মহান আল্লাহ্ যালিমদের খুব ভালোভাবেই জানেন। ঐ ইয়াহূদীদের বর্ণনা যারা তাদের জন্য একজন বাদশাহনিযুক্ত করার আবেদন জানিয়েছিলো ‘আব্দুর রায্যাক (রহঃ) কাতাদাহ (রহঃ) -এর সূত্রে বলেন যে, অত্র আয়াতে নবী দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইউশা‘ ইবনু নূন (আঃ) । আর ইবনু জারীর (রহঃ) বলেন যে, ইউশা‘ ইবনু নূন ইবনু আফরাসীম ইবনু ইউফুফ ইবনু ইয়া‘কূব। এ উক্তিটি সঠিক থেকে অনেক দূরবর্তী কথা। কেননা এটা ছিলো মূসা (আঃ) -এর অনেক যুগ পরে দাউদ (আঃ) -এর যুগের ঘটনা। যা বিভিন্ন কিতাবে স্পষ্ট। আর দাউদ (আঃ) ও মূসা (আঃ) -এর মধ্যে প্রায় হাজার বছরের ব্যবধান ছিলো। মহান আল্লাহ্ ভালো জানেন। সুদ্দী (রহঃ) বলেন, উক্ত নবী ছিলেন সামাউন (আঃ) । মুজাহিদ (রহঃ) বলেন যে, তিনি হচ্ছেন নবী শামাভিল। (তাফসীর তাবারী ৫/২৯৩) ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) বলেন, মূসা (আঃ) -এর পরে কিছুদিন পর্যন্ত বানী ইসরাঈল সত্যের ওপরেই ছিলো। অতঃপর তারা শিরক ও বিদ‘আতের মধ্যে পতিত হয়। তথাপি তাদের মধ্যে ক্রমাগত নবী পাঠানো হয়। কিন্তু যখন তাদের অন্যয় কার্যকলাপ সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন মহান আল্লাহ্ তাদের শত্রুদেরকে তাদের ওপর জয়যুক্ত করেন। সুতরাং তাদের শত্রুরা তাদের বহু লোককে হত্যা করলো, বহু বন্দী করলো এবং তাদের বহু শহ