Astha Naturals

Astha Naturals We tirelessly distribute authentic, wholesome food, ensuring the well-being of the entire nation.

কেন খাবেন ড্রাগন ফল?ক্যাকটাস গোত্রীয় গাছের অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল হলো ‘ড্রাগন ফল’। বিদেশি ফল হলেও সুমিষ্ট স্বাদ ও পুষ্...
19/08/2023

কেন খাবেন ড্রাগন ফল?
ক্যাকটাস গোত্রীয় গাছের অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল হলো ‘ড্রাগন ফল’। বিদেশি ফল হলেও সুমিষ্ট স্বাদ ও পুষ্টিগুণের জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে এই ফলটির। রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে কিংবা ক্যান্সার প্রতিরোধে ড্রাগন ফলের রয়েছে শক্তিশালী ভূমিকা। প্রচুর ক্যারোটিনসমৃদ্ধ হওয়ার কারণে চোখ, হার্ট থেকে শুরু করে চুল, ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি হজমপ্রক্রিয়াকে উন্নত করায় এর গুরুত্ব অনেক।

আর সে জন্যই নানা রকম পুষ্টিগুণ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই ড্রাগন ফলকে নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুপার ফুড’।
কেন খাবেন ড্রাগন ফল?

♦ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকার কারণে রক্তের ‘শ্বেতকণিকা’ বা ‘হোয়াইট ব্লাড সেল’ ভালো রাখে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

♦ এতে বিদ্যমান ‘ভিটামিন বি-৩’ রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় এবং ত্বক মসৃণ রাখে।

♦ হার্টের সুস্বাস্থ্যের জন্য ড্রাগন ফলে বিদ্যমান বিটা কেরোটিন ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

♦ ড্রাগনে বিদ্যমান লাইকোপেন ক্যান্সার কোষগুলোকে দমন করে। এতে বিদ্যমান বেটালাইন অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম।

♦ ড্রাগন ফল প্রি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

ফলে পেটের প্রদাহ ও কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং অন্ত্র সুরক্ষিত রাখে।
♦ ড্রাগন ফলে পর্যাপ্ত আয়রন বিদ্যমান। অন্যদিকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘সি’ থাকায় শরীরে আয়রন শোষণে কোনো বাধাই থাকে না।

♦ ম্যাগনেসিয়ামের ভালো উৎস হওয়ার কারণে ড্রাগন ফল নিয়মিত খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। হার্টকে রাখে ভালো।

হাড়ের গঠন ও পেশির সংকোচনে ম্যাগনেসিয়ামের ভূমিকা অনেক। আর এক কাপ ড্রাগন ফল নিয়মিত খেলে আপনি দৈনিক চাহিদার ১৮ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ নিশ্চিত করতে পারবেন, যা আপনার জয়েন্ট পেইন কমাবে, ফ্র্যাকচার কিংবা হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমাবে।

♦ প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে ড্রাগন ফল হজমে সহায়ক। কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে অন্যতম। পাশাপাশি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। ফলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য আদর্শ।

♦ ড্রাগন ফলে বিদ্যমান ভিটামিন ‘বি’, ফোলেট ও আয়রন গর্ভবতী মায়েদের জন্য আদর্শ ফল। ভিটামিন ‘বি’ ও ফোলেট গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি রোধ করতে সহায়তা করে এবং গর্ভাবস্থায় মাকে শক্তি সরবরাহ করে। এতে থাকা ক্যালসিয়াম ভ্রূণের হাড়ের বিকাশের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ড্রাগন ফল নারীদের পোস্ট-মেনোপোজাল জটিলতা যেমন—শরীরে হট ফ্লাশ কমায় ও ডিহাইড্রেশন রোধ হয়।

♦ ক্যালরি কম থাকার কারণে শরীরের মেদ কমায়। পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে এই ড্রাগন ফল। তবে অবশ্যই খাওয়ার সময় লবণ মিশিয়ে খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

পরামর্শ দিয়েছেন

শায়লা শারমীন
সিনিয়র নিউট্রিশনিস্ট,
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল, ঢাকা।
কালের কণ্ঠ
প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট, ২০১৬ ০৯:৫৮তোকমার ৪ গুণ জেনে রাখুন কালের কণ্ঠ অনলাইন১. ওজন কমাতেদেহের ওজন কমাতে এ বীজের জুড়ি নেই। পানিত...
14/08/2023

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট, ২০১৬ ০৯:৫৮
তোকমার ৪ গুণ জেনে রাখুন
কালের কণ্ঠ অনলাইন

১. ওজন কমাতে
দেহের ওজন কমাতে এ বীজের জুড়ি নেই। পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলেই বীজটি ফুলে ওঠে। এরপর সেই পানি কিংবা নানা মসলা দিয়ে তা সুস্বাদু করে পান করা যায়। তোকমার ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

এ ছাড়া এর নানা উপাদান দেহের চর্বি কমাতে সহায়তা করে। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা বাড়তি ক্ষুধা দূর করে এবং পেট দীর্ঘক্ষণ পরিপূর্ণ থাকার অনুভূতি দেয়।

২. দেহের তাপ কমায়
তোকমা গরমকালে দেহের তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করে। আর এ কারণে গরম আবহাওয়ার দেশগুলোতে বহু মানুষ তোকমার শরবত পান করে।

এটি সুস্বাদু করার জন্য চিনি, মধু এবং কোথাও কোথাও নারিকেল দুধ দেওয়া হয়।

৩. রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ
রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর তোকমা। মূলত দেহের বিপাকক্রিয়া ধীর করে দেয় তোকমা। ফলে কার্বোহাইড্রেটকে গ্লুুকোজে রূপান্তরের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। এ কারণে টাইপ টু ডায়াবেটিস যাঁদের রয়েছে, তারা এটি নিয়মিত খেতে পারেন।

৪. কোষ্টকাঠিন্য দূর করে
কোষ্টকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে খুবই কার্যকর তোকমা। সামান্য তোকমা অল্প পানিতে ভিজিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর তা দুধে মিশিয়ে খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। এটি হজমের সমস্যাও দূর করতে সহায়তা করে

অর্জুন গাছের যত গুনঅর্জুন গাছের অনেক গুন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা অনেকেই এই গাছের গুনাবলি জানি না। এই গাছের গুনাবলি তুল...
12/08/2023

অর্জুন গাছের যত গুন

অর্জুন গাছের অনেক গুন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা অনেকেই এই গাছের গুনাবলি জানি না। এই গাছের গুনাবলি তুলে ধরেছেন ড. তপন কুমার দে তার ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় গাছ-গাছড়ার’ বইয়ে। একুশে টেলিভিশন অনলাইনের পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

১, হৃদরোগ উপশমে অর্জুন ছাল ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে বাজারে এক অনেক ওষুধ পাওয়া যায়। অর্জুন ছাল ভালভাবে পেষণ করে চিনি ও গরুর দুধের সঙ্গে প্রত্যহ সকালে খেলে হৃদরোগ এবং বুক ধড়ফড় কমে যায়।

২, রক্তে নিম্ন চাপ থাকরে অর্জুনের ছালের রস সেবনে উপকার হয়।

৩, রক্তক্ষরণে ৫-৬গ্রাম ছাল রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেকে পানি খেলে আরোগ্য হয়।

৪, শ্বেত বা রক্ত প্রদরে ছাল ভিজানো পানি আধ চামট কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে রোগের উপশন হয়।

৫, ক্ষয়কাশে অর্জুনের ছালের ‍গুড়াবাসক পাতার রসে ভিজিয়ে ঘি মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৬, এছারা হাঁপানিতে অর্জুন ফল টুকরো করে তামাকের মত ধোঁয়া টানলে উপকার হয়।

৭, হার্নিয়াতে অর্জুন ফল কোমরে বেঁধে রাখলে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা পাতার রস সেবনে আমাশয় রোগ ভাল হয়।

৮, হৃদপিন্ডের দুর্বলতা ও সাধারণ দুর্বলতায় ৩-৪ গ্রাম অর্জুন ছাল চূর্ণ প্রত্যহ দুবার এক গ্লাস পরিমাণ দুধসহ সেব্য । এক মাস নিয়মিত সেবন করে যাওয়া আবশ্যক।

৯, কাচাঁ অর্জুনের ছাল ৫ গ্রাম পরিমাণ নিয়ে ভালোভাবে পিষে ঠাণ্ডা পানিসহ দিনে দুবার খেলে রক্ত আমাশয়ে বিশেষ উপকারী

৯, ২০ গ্রাম পরিমান আধাচূর্ণ অর্জুন ছাল নিয়ে দুই কেজি পরিমাণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে ,পরবর্তীতে জ্বাল করে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে সেব্য। উল্লিখিত নিয়মে দিনে ২-৩ বার সেবন করে যাওয়া আবশ্যক।

১০, বিচূর্ণ ফল রক্তচাপ কমায়, মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভার সিরোসিস টনিক হিসাবে কাজ করে।

১১, বিচূর্ণ ফল রক্তচাপ কমায় মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে এবং লিভার সিরোসিস টনিক হিসেবে কাজ করে।

১১, এই ছাল মুখ, জিহ্বা ও মাড়ির প্রদাহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, এটি মাড়ির রক্তপাত বন্ধ করে।

১২, এটি সংকোচন ও জ্বর রোধক হিসেবেও কাজ করে।

১৩, এছাড়া চর্ম ও যৌন রোগে অর্জুন ব্যবহুত হয়। যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে ও অর্জুনের ছালের রস সাহায্য করে।

১৪, অর্জুন খাদ্য হজম ক্ষমতা বাড়ায়। খাদ্যতন্ত্রের ক্রিয়া স্বাভাবিক স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।



অর্জুন গাছের পরিচিতি বংশবিস্তার চাষাবাদ ও ব্যবহার-

অর্জুন একটি পত্রঝরা মাঝারি ধরনের বৃক্ষ। পরিণত বয়সে একটি গাছ ১০-১৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। গোড়ায় অধিমূল আছে। গাছের কাণ্ড একধিক ভাঁজ বা স্তর যুক্ত। বাকল পাতলা স্তরে বিভক্ত। পাতা লম্বাটে ৭.৫ – মে সে. মি. ফুল হলুদাভ ও স্পাইক সোজা এবং ফুলের পাপড়ি নাই। ফল লম্বাটে ৫টি ভাজ ও পাখায় বিভক্ত।

বিস্তৃতি- ভারত, পাকিস্তান,শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ অর্জুনের আদি নিবাস। বাংলাদেশের সর্বত্রই পাওয়া যায়। বন কম দেখা যায়। বিশেস করে নিচু ও স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় অর্জুন ভাল জন্মে।

বীজ সংগ্রহ করার সময়- ফেব্রুয়ারি- মার্চ।

বীজের ওজন: প্রতি কেজিতে ৩০০ থেকে ৫০০টি বীজ থাকে।

ব্যবহার্য: প্রধানত- ছাল,তবে ক্ষেত্রবিশেষে পাতা ও ফল।

বীজ সংগ্রহ ও চারা উত্তোলন ও রোপন: স্যাঁতস্যাঁতে ও ঊর্বর দোআঁশ মাটি এ গাছ চাষের জন্য উপযুক্ত। গাছে বৈশাখ–আষাঢ় মাসে ফুল ফুটে এবং পৌষ –ফাল্গুন মাসে ফল পাকে। তখন বীজ সংগ্রহ করে পালি ব্যাগে চারা উত্তোলন করা হয়। পরিপক্ক ফল থেকে বীজ সংগ্রহের পর তা ভালভাবে রৌদ্রে শুকিয়ে ৬-১২মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। অর্জুনের বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা যায়। সাধারণত মার্চ-এপ্রিল মাসে পরিপক্ক ফল হতে বীজ সংগ্রহ করা হয়। বীজ বপনের পূর্বে ৪৮ ঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরবর্তীতে বীজতলায় বীজ বপন করা হয়। বীজতলার মাটি ও গোবরের অনুপাত হবে ৩ : ১ । তাছারা পলিব্যাগে একটি মিশ্রন পূঁতে চারা উৎপাদন করা যায়। নয় মাস বয়সের অঙ্কুরিত চারা বীজতলা বা নার্সারী থেকে সংগ্রহ করে রোপন করা হয়।

উপযোগী আবহাওয়া ও মাটি- বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে অর্জুন গাছ কম-বেশি দেখা যায়। বিশেষত রাস্তার দুপাশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনাঞ্চলে প্রচুর জন্মে থাকে। আর্দ ও নাতিশীতোষ্ঞ আবহাওয়া অর্জন গাছের জন্য উপযোগী। সাধারনত দো-আঁশ মাটিতে এ গাছটি ভালো হয়ে থাকে। বর্ষার শুরুতেই নির্দিষ্ট স্থানে রোপন করতে হয়।

ছালসংগ্রহ ও সংরক্ষন পদ্ধতি- পরিপক্ক গাছ থেকে ছাল উঠিয়ে ( সংগ্রহ করে ) ছোট ছোট টুকরো করে নিতে হয়। অতঃপর ৪-৫দিন রৌদ্রে শুকিয়ে চটের বস্তায় ভরে শুষ্ক স্থানে রেখে দিলে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায় এবং কার্যকারিতা অটুট থাকে। তাছাড়া বীজ পুরোপুরিভাবে পরিপক্ক গাছ থেকে সংগ্রহ করতে হয়। অতঃপর সংগৃহীত বীজ ভালোভাবে রৌদ্রে শুকিয়ে বায়ুরোধী পাত্রে রেখে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।

সাধারণ ব্যবহার: কাঠ খুবই শক্ত। কাঠ গৃহনির্মাণ,গরুর গাড়ির চাকা, কৃষি উপকরণ,জলযান, নৌকা,দাড়,মাস্তুল,খনি ও নলকূপ খননে ব্যবহৃত হয়। বাকল থেকে আহরিত ট্যানিন চামড়াতে ব্যবহৃত হয়। বাকল থেকে হৃদরোগের ওষুধ , পাতার রস আমাশয় রোগের ওষুধ এবং পাতা
সূত্র: একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১৯:৫৮, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

Address

Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Astha Naturals posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share