15/05/2025
চক্ষু, কর্ণ,নাসিকা, জিহবা, ত্বক, বাক,পানি, পাদ,পায়ু,উপস্থ, এ-ই দশইন্দিয়, দিকপাল।
বায়ূ,অর্ক,প্রচেতা,বহ্নি অশ্বিনী কুমার, ইন্দ্র, উপেন্দ্র,
মিত্র,প্রজাপতিএই দশ অধিষ্ঠাত্রী দেবতাসহহইল বিংশ তি তত্ত্বে শরীর সৃষ্টি।
★ অথ তত্ত্ব উৎপত্তি বর্ণণ।
আকাশে উদ্ভবে বায়ূ,রবি যেবায়ূতে।
রবি উৎপত্তিতে তোয় পৃথিবী তোয়াতে।।
★শাস্ত্রেআছে :—
মূল শক্তি প্রভাবেন বিন্দু রুপ পস্থিতংগতা।
তস্যাংশ পঞ্চ তত্ত্বানাং আকাশাদিগুনোদ্ভবং।।
*বিন্দু হইতে আকাশে র উৎপত্তি ইহারশব্দগুন।
আকাশ বায়ু ইহার শব্দ ও স্পর্শ গুন।।
*বায়ু হইতে তেজ ইহার শব্দ, স্পর্শ ও রুপ গুন।
অপ জল হইতে পৃথিবী উৎপত্তি ইহা র শব্দ স্পর্শ রুপ,রস ও গন্ধ এ-ই পঞ্চ গুণ।
এই পঞ্চে পঞ্চবিংশতিগুন।
★ক্ষিতির পঞ্চ গুণ :—
অস্তি,মাংস, নখ, রোম,আর দেহ চর্ম।
পৃথিবী হইতে এই পঞ্চ দ্রব্য জন্ম।।
★অপের পঞ্চ গুণ :—
শুক্র ওশোনিত আর মল, মুত্র,মজ্জা ।
অপ পঞ্চ গুণ তার আছে বটে সজ্জা।।
★তেজের পঞ্চ গুণ :—
ক্ষুধা তৃষ্ণা, নিন্দ্রা ভ্রান্তি আলস্য পঞ্চম।
এই পঞ্চ গুণে তেজ কহিলাম ক্রম।।
★বায়ুর পঞ্চ গুণ :—
ধারণ, চালন আর সঙ্কোচন,প্রসারণ।
ক্ষেপণ এই পঞ্চ বায়ুর কারণ।।
★
আকাশের পঞ্চ গুণ :—
কাম ক্রোধ,লোভ,মোহ লজ্জা গুণ সব।
আকাশ হইতে এই পঞ্চের উদ্ভব।।
★পঞ্চ ভূতের সাধন :—
প্রতিভুতেপাঁচ পঞ্চ ভুতেতে পঁচিশে।
সদ্য জীব মুক্ত হয় বুঝিলে নিমিষে।।
চরাচর সব সৃষ্টি পঞ্চ ভুত হ’তে ।
নিত্য বস্তুু পঞ্চ ভুত আছয়ে শাস্ত্রেতে।।
নিত্য বস্তুু কারে বলে শুন তার সার।
ধ্বংস প্রাদূর্ভাব কভু না হয় যাহার।।
★পৃথিবী বশীভূত কিসে?
শ্রী গুরু কৃপা ব'লে।
★অপবশীভুত কিসে?
নামসংকীর্তনে।
★তেজবশীভুত কিসে?
ভাবনায়।
★বায়ূ বশীভূত কিসে?
ধ্যানে।
★আকাশ বশীভূত কিসে?
সাধন নাসিকা।
**★**★**★**★**★
(কাম বীজ ও গায়েত্রী)★
অথ পঞ্চ অলঙ্কার বীর্জাথ।
ক্লঁ:— ক:, ল:,ঈ,: এই পঞ্চ অলঙ্কার সাধ্য।।
★অলঙ্কারের বিশেষত্ব।
'ক' কারে পৃথিবী জাঁতা, 'ল'কারে জলসম্ভবা,
'ঈ'কারাৎ বহ্নি রোৎপ ন্না নাদেৎ বায়ূ প্রজায়তে।
বিন্দু রাকাশং সম্ভুতং মিতি পঞ্চ তকং মনু:।।
★অনুবাদ ★
'ক'কারেপৃথিবীহয়, অপ 'ল'কারেতে। 'ঈ'কারে তেজ, নাদে বায়ু আকাশ বিন্দু তে।।
★প্রাপ্তি পঞ্চ ।
'ক'কারে কৃষ্ণহয়, রাধিকা 'ল'কারে।
'ঈ'কারেতে হলাদিনী, শ্রীরুপহয় নাদেতে।।
বিন্দুতে হয় বৃন্দাবন, এই পঞ্চ জান।
অপ্রাকৃত চিন্তা মনি ধ্যান বৃন্দাবন।।
★কাম গায়েত্রী অর্থ।
'ক'শব্দে হয় জান বীজের উৎপত্তি।
ইহাতে উজ্জ্বল রস জন্মে নিতি নিতি।।
'ম'শব্দে মদনহয় জানিও নিশ্চিত।
আকর্ষন দ্বারা সদা সুখ আস্বাদিত।।
'দে' শব্দেতেদেখা দিলে কৃষ্ণ হয় বশ।
দেহ সমর্পন করে পান করে রস।।
'বা' শব্দেতে বাহুতুলে করে আলিঙ্গন।
বারে বারে দুই করে আদরে চুম্বন।।
'য়'শব্দে অভেদ হয় রাধিকার মনে।
কৃষ্ণবান্জা করে যাহা, রাধা তাহা জানে।।
'বি'শব্দে বিলাসময় দোঁহাকার দেহ।
সেরূপ নয়ণ বিনে, নাহি জানে কেহ।।
'দ্ম'শব্দেতে দর্পকরি করে রস পান।
সদা ডুবে থাকে রসে, হ'য়ে হত জ্ঞান।।
'হে'শব্দেতেহেম জিনি রাধা প্রেম হয়।
করি যত্ন সেই প্রেমে, কৃষ্ণ আস্বাদয়।।
'পু'শব্দ পনর দন্ড শৃঙ্গারবিলাসন।
তাতে যার পুলকাঙ্গ, সেই মহাজন।।
('স্প"শব্দেতেপুস্পপূর্ণ, রাধিকার হৃদয়।
প্রস্ফুটিত সে পুষ্পে, কৃষ্ণ আস্বাদয়।।
'বা'শব্দেতে বালকোচিত প্রেমের বিকার।
ইষ্টানিষ্ট স্হানা স্থান নাকরে বিচার।।
'না'শব্দে নায়ক হয় রস চূড়ামণি।
যত্নে আস্বাদয়ে সেই রাধা ঠাকুরানী।।
'য়'শব্দে অদ্ভুত কথা বস্তুু তত্ত্ব সার।
নারে আস্বাদিতে কৃষ্ণ হলো চমৎকার।।
'(বি'শব্দে ধীরাধীর, দুই বস্তু হয়।
দু'জনারদুই বস্তু্ু দোঁহে আস্বাদয়।।
'ম'শব্দে মহৎবস্তুু নাসিকা অন্তরে।
শৃঙ্গারে নামিলে বস্তুু রয় স্থানান্তরে।।
('হি'শব্দে হিঙ্গুল বর্ণ, যদি চলি যাবে।
কৃপাবশে নায়কেরে নায়িকা কহিবে।।
'ত্ব'শব্দে তত্ববস্তু নিরাকার রুপ।
ধরিতে পারিলে হয় সাক্ষাৎ স্বরুপ।।
'ণ্ণ' শব্দেতেনবধারা নবতত্ত্ব সার।
নবরসে নবপ্রেমে নবঅঙ্গযার।
'ল'শব্দ লাবন্য যুত দুই তনুহয়।
সাধিতে পাবিলে হবে, সাক্ষাত উদয়।।
'ঈ'শব্দে অঙ্গ তার আসিলে পরসে।
সর্বতীর্থফললাভ আসিবেক বশে।।
'প্র'শব্দে প্রসন্ন সেই যখন হইবে।
প্রোখিত অমূল্য বস্তু তবে সে মিলিবে।।
'চ শব্দে চাতক ন্যায় ভক্তেবস্তুু জানে।
দিবারাত্র হলে মাত্র ক্ষয় বক্ষ্য মানে।।
'দ্দ'শব্দে উদ্দেশ্য বস্তুু করহ সাধন।
সাধিতে পারি লে ভবে পাইবে নিস্তার।।
'ৎ'শব্দে তত্ত্ব বস্তুু অদ্ধর্চন্দ্র ধর।
তার সাক্ষী দেখ শম্ভু ললাট উপর।।
'