Pakhi Pakhi

Pakhi  Pakhi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Pakhi Pakhi, Grocers, Mudafa nishadnagar Tongi Gazipur Dhaka, Tongi.

20/05/2025

★অথ সাধন ভক্তি তত্ত্ব সার ★
"ন গুরুর ধিকং তত্ত্বং ন গুরুর ধিকং তপঃ।
তত্ত্বজ্ঞানাৎ পরং নাস্তি তম্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ।।
মন্নাথ শ্রীজগন্নাথ মদ গুরু শ্রীজগৎগুরু ঃ
মমতাত্না সর্ব ভূতাত্মা তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।
রাগের অপ্রাপ্তি হেতু, অথার্ৎ অনু রাগ উৎপন্ন হয় নাই, কেবল শাস্ত্র ভয়ে ই যাহাতে প্রকৃতি জন্মিয়া থাকে,।
তাহাকে বৈধী ভক্তি বলে।
শাস্ত্রে বৈধি ভক্তি কে মর্যাদা মার্গ আর
রাগানুরাগা ভক্তি কে পুষ্টি মার্গ বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে ।
★”ভক্তি রসামৃত সিন্ধু ” ★
বৈধী রাগানুরাগা ভেদে সাধন ভক্তি দুই প্রকার।
যথা : যাত্রাগান ব্যপ্তদ্বাৎ প্রভৃতি রুপ জায়তে ।
শাসনেনৈব শাস্ত্রস্য সাবৈধী ভক্তি রুচ্যতে।।
★ভক্তি রসামৃত সিন্ধু ★
রাগ হীন জন ভজে শাস্ত্রের আঞ্জায়।
বৈধী ভক্তি বলে তারে সর্ব শাস্ত্রে গায়।।

20/05/2025

আত্মা তত্ত্ব কথা
*★অথ জিজ্ঞাসা তত্ত্ব প্রনালী ★
কোন পরিবার?
নিত্যানন্দ পরিবার।
কোনঠাকুরের কৃপা?
শ্রী গুরু কৃপা।
তোমার নাম কি?
অমুক দাস।
দাসের লক্ষন কি?
চরণামৃত প্রসাদ।
দাসের প্রকৃতি কি?
ভজন ত্রিয়া।
দাসের কাজ কি?
সেবা চর্য্যা।
দাসের লোভ কি?
সাধুসঙ্গ, কৃষ্ণ কথা
কোন মন্ত্র শুনিয়াছ?
কৃষ্ণ মন্ত্র শুনিয়াছি।
কৃষ্ণ মন্ত্র বলে কারে?
যুগল কিশোর রুপ।
মন্ত্র কয় পদি? ।
মন্ত্র পঞ্চ পদী।
মন্ত্র কয় অক্ষর?
চতুর্থ অক্ষর।
মন্ত্র কোন ছন্দ?
গায়ত্রী ছন্দ।
কোন গায়ত্রী?
কাম গায়ত্রী।
কাম গায়ত্রী র গুরুকে?
শ্রী রাধা ঠাকুরানী।
মন্ত্রের দেবতা কে?
বল্লভা কান্ত।
মন্ত্রের তপ কি?
সনন্দ কুমার।
মন্ত্রের কোন ঋষি?
সদাময় ঋষি।
প্রধান কি?
পুরুষ প্রধান।
কোন তত্ত্ব বাদী
ভাগবৎ তত্ত্ব বাদী
ভাগবৎ তত্ত্ব প্রধান কি?
শ্রী মৎ আচার্য্য।
সাধকের দেশ কোন অনুগত সিদ্ধি?
শ্রীকৃষ্ণ অণু গত সিদ্ধি।
শ্রী গুরু কার অনু গতা সিদ্ধি?
শ্রীরুপ অনু গত সিদ্ধি।
কোন অনুগত?
নিত্য সখী অনুগত।
শিষ্য কার অনু গত? শ্রীরুপমন্জুরী অনুগত।
নিত্য সখী কে? শ্রী রুপ মন্জরী।
কার ভক্তি মতো?
শ্রীগুরুরমত।
কোন জাতি অধম?
শ্রীগুরুর মতে অধম।
ভাগবত সম্বন্ধ কোথায়?
পাদ পদ্ম কথা।
অবলম্বন কি?
বৈষ্ণব গোসাঁঞি।
উদ্দিপন কি?
কৃষ্ণ কথা।
কোন পদি?
দাস পদি।
কোথায় গুরুর জন্ম, কোথায় তার বাস?
কি বস্তু পাইয়া তুমি হলে তার দাস।
কি ভাব পাইয়া তুমি বান্ধা দিলে মন।
কি স্বরুপ জেনে দেহ কপ্লে সমর্পন।।
পর কত্রিয়া ভাবে গুরু ব্রজে তার বাস।
প্রেমতত্ব পেয়ে হইয়া ছি তার দাস।।
মহাভাব পাইআমি বান্দাদিছি মন।
কৃষ্ণ ভক্তি জেনে দেহ কল্লেম সমর্পন।।
প্রথমে গুরুরকৃপা করি, বীজআরো পিলো।
বর্নাশ্রম দুর করি দাস আখ্যা দিল।
সাধক নামে রাখে গুরি সাধক নাম ধরি।
অতএব রাখিল নাম সিদ্ধি যে মঞ্জরী।।
ৃন্ মললল র ঘরে গুরু বেচিল যখন ।
গুরু কে শ্রী গুরু বলি সেই কারণ ।।

হরির নাম কোন স্বরুপ?
নিত্যানন্দ স্বরুপ ।
মন্ত্র কোন স্বরুপ?

শ্রী রাধিকার স্বরূপ।
বীজ কোন স্বরুপ?
শ্রী কৃষ্ণ স্বরুপ ।
চরণামৃত কোন স্বরুপ?
হরিনাম স্বরূপ।
অধরা মৃত কোন স্বরুপ ?
বীজ স্বরুপ।
শ্রী কৃষ্ণ সঙ্গে কোন সম্বন্ধ?
অবিদ্যা সম্বন্ধ।
বৈষ্ণব গোসাঁঞির সঙ্গে কোন সম্বন্ধ?
বন্ধু, সখী, ত্রিয়া সম্বন্ধ।
শ্রী গুরু সংগে কোন সম্বন্ধ?
জগৎ স্বামী সম্বন্ধ।
কৃষ্ণ কোন রতি?
মধুরতি।
শ্রী গুরু কোন রতি?
নিষ্ঠা রতি।
বৈষ্ণবেতে কোন রতি
আনন্দ রতি।
হরির নাম কোন বর্ণ?
চম্পক বর্ণ।
মন্ত্র কোন বর্ণ?
কাঞ্চন বর্ণ।
বীজ কোন বর্ণ?
বিদ্যুৎ বর্ণ।
চরণা মৃত কোন বর্ণ?
কজ্জল বর্ণ।
অধরামৃত কোন ব র্ণ?
হরিতাল বর্ণ।
পদ ধুলি কোন ব র্ণ?
প্রগাঢ়শ্যাম বর্ণ।
মন্ত্রের কোন স্থান?
ষাষট্র গ্রাম।
নন্দ গ্রাম।
-★***★
আশ্রয় কি?
শ্রী গুরুর চরণার বৃন্দ।
অবলম্বন কি
বৈষ্ণব গোসাঁঞি
উদ্দিপন কি?
কৃষ্ণ ভজন ।
স্বভাব কি?
শ্রী রাধা ভাব।
ভাব কি?
গোপীভাব
কোনরস?
প্রেম রস।
কোন প্রেম?
মধুর প্রেম।
কোন ভজন?
উজ্জ্বল ভজন।
কোন উজ্জ্বল ?
রস উজ্জ্বল।
কোন রতি?
সার্মথ্যারতি।
রতি কয় প্রকার?
রতি তিন প্রকার।
(১) সার্মথ্যা ( ২)সামন্জস্য (৩)সাধারনী।
সার্মথ্যার পাত্রী কে?
শ্রীমতি।
সামঞ্জস্যার পাত্রী কে?
রুক্মিণী দেবী।
সাধারনী পাত্রী কে?
কুব্জা রানী।
সামর্থ্যার রতির ধাম কোথায়?
শ্রী বৃন্দাবন।।
গুম কি?
পতিভাব।
সাধারনীর রতি ধাম কোথায়?
মথুরা।
সাধারনী রতি বলি কেন?
সাধারনী রতি বলি করিয়া বিচার।
কান্ত প্রতি রাগ নাহি অন্তরে যাহার।।

18/05/2025

★অথ কৃষ্ণ বীর্জাথ ★
কাম বীজ প্রকৃত কামের ধ্বংস হয় মাধুর্য্য সাধনার মহা মন্ত্র এই কাম বীজ ।
★কামবীজ (ক্লঁ) এই আদি বীজ সুতরাং আদি আদিরসের আশ্রয়।
বৃন্দাবনে অপ্রাকৃত নবীন মদন।
কাম বীজ কাম গায়ত্রী যার উপাসন।।
কাম বীজ সহ অর্থ গায়ত্রী ভজিলে।
রাধা কৃষ্ণ লভে গিয়ে শ্রী বাস মন্ডলে।।
শ্রী রাধিকা হয় কাম বীজের স্বরুপ।
কৃষ্ণের আশ্রয় তাতে গুণ অপরুপ ।।
কামের গায়ত্রী সার কামবীজ জান।
সর্বদা জানিবে লোকে গুরুমুখে শুন।।
কাম বীজ রাধা কৃষ্ণ গায়ত্রী সে সখী।
সে কারণে গায়ত্রী বীজ পুরানেতে লিখি।।
কাম বীজ উপসেনা সখি নাম কয়।
রতি রাগ প্রাপ্ত তৃতীয় জন্ম হয়।।

এই বীজ হইতে ভূ ভূর্বঃ স্বঃ এই স্ত্রীলোক ওস্ত্রী লোকস্থ বীজ সমুদয় সৃষ্টি হইয়াছে। যাহা হইতে সর্বভুত জাত তাহাই আদি বীজ ।
ব্রক্ষার সৃষ্টি করিবার কামনা এই কাম বীজ । জীবের ব্রক্ষত্ব, বক্ষ তও্ব এই সূত্রে অবস্থিত। কাজেই ইহা আনন্দ রস। যাহা সর্বভূত চরাচর যাহা রসতত্ত্ব তাহা রাধাকৃষ্ণ। সুতরাং কামবীজ ও রাধাকৃষ্ণ।

যথা :— ক কারে নায়ক : কৃষ্ণ : সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ।
ঈ কার : প্রকৃতি রাধা মহা ভাব স্বরুপিনি।
ল শ্চানন্দাত্নক:প্রেম মুখঞ্চ পরিকীত্তিতং।
চুম্বন শ্লেষ মাধূর্য্যং বিন্দু নাদ সমীবিতং।
ক কারে সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ, শ্রী কৃষ্ণ নায়ক এবং
ঈ বস্তুু মহাভাব স্বরুপিনি শ্রীরাধা প্রকৃতি বুঝায়।
ল কার এই নায়ক নায়িকার মিলনানন্দ ত্বক।
প্রেম সুখ কে নির্দ্দেশ করেন এবং নাদ ও বিন্দু
উভয়ে বিলাস ভাবোদ্যোতক চুম্বন আলিঙ্গনাদি,
মাধুর্য্যমৃত বিন্দুকে পরিস্ফুটিত করিয়া থাকেন।
অতএব ক্লীঁ এই মহা বীজ শ্রীরাধামাধবের পরোক্ষ
ভাবোদ্যক বিলাস প্রেম প্রাপ্ত রুপ মাধূর্য্য রস বিভাজন
মহামন্ত্র।
বলিতে পার কেবল রাধাকৃষ্ণ এই নাম বা ক্লীঁ এই
বীজ শ্রবন করিলেই জীব নিত্যধাম লাভ করিতে পারে । তবে কৃষ্ণ হরে নাম এই তিনটি নাম করি বার প্রয়োজন কি?
আর রাধা রাধা নাম ই বা উহার মধ্যে নাই কেন?

"হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।। "
এই বএিশ অক্ষর বিশিষ্ট ষোল নামে র বীজ।
এই হরে কৃষ্ণ রাম এই তিনটি শব্দ ই দুই তিন বার
করিয়া বলা হইয়া ছে। কিন্তু এই তারক ব্রক্ষ নামে
রাধা কৃষ্ণ এই যুগল নাম ই করা হইয়া থাকে ।

★প্রথম হরে শব্দের ব্যাখা শুন।
হরতি শ্রীকৃষ্ণমন: কৃষ্ণাহলাদ স্বরুপিনী।
অতো হরে ত্যানেনৈব রাধিকা পরি কীর্তিতা। যিনি
শ্রীকৃষ্ণের মন হরণ করেন তিনি ই হরা।
কৃষ্ণ হ্লাদ স্বরুপিনী শ্রীমতি রাধিকা হরা।
সম্বোধনে হরা শব্দ হরে তৎপরে কৃষ্ণ ।

" আনন্দৈক সুখ স্বামী কমল লোচন গোকুলানন্দ নন্দন : কৃষ্ণ ইত্যাভিধীয়তে।"
যিনি একমাত্র পূর্ণ তম আনন্দ যিনি সর্বজগতের স্বামী
এবং যিনি নির্মল ও নিরবিচ্ছিন্ন সুখ এবং গোকুলে পূর্ণ তম পরমানন্দ রুপে প্রকাশ পাইয়া জাত বীজ মাত্রেরই নন্দন। অর্থাৎ আনন্দ বিধায়ক, তিনিই শ্যাম সুন্দর কমল লোচন কৃষ্ণ নামে অভিহিত।
এখন রাম এই শব্দের গুঢ়ার্থ সংক্ষেপে
শ্রবন কর:—
"বৈগ্ধিসার সর্বসীন সর্বলীলা বিশারদ।
শ্রীরাধা রময়েন্নিত্যং বাম ইত্যাভিধায়ে।। "
যিনি সর্ববিষয়ে শ্রেষ্ঠ বিদগ্ধ অর্থাৎ সুপণ্ডিত
সর্বলীলা বিশারদ এবং যিনি শ্রীরাধাতে
নিত্য রমন করেন অর্থাৎ হ্লাদিনী শক্তি তে মিলনান্দ
উপভোগ করেন, সে মিলনানন্দ ভাবময় কৃষ্ণ ই রাম
এই র নামে কথিত।
অতএব হরে কৃষ্ণ রাম ইহা রাধা কৃষ্ণ
মিলনাত্মক লীলা ময় যুগল নাম, ইহাতে অন্য কাহার
নাম নাই ।
জীব সুখ চায় সুখের আকাঙ্খা র জীবের এতো
আকুল আকাঙ্খা। এই সুখ লাভায়েই জীব রসনার দাস
হইয়া পড়ে কিন্তু পার্থিব পদার্থেই সুখ নাই , সে সমস্ত ই ক্ষন ভঙ্গুর। বা ধর্মশীল, যদি সুখ চাও তবে একমাত্র
পূর্ণ তম সুখময় শ্রী কৃষ্ণে আত্ম সমর্পন করে রস শ্রী কৃষ্ণে অতএব কৃষ্ণে প্রানপন কর।
যদি সুখ চাও হৃদয় সুখ স্বরুপ কৃষ্ণে অর্পন কর।
যদি রস চাও বৃত্তি সমূদয় পূর্ণ তম রস বিগ্রহ শ্রীকৃষ্ণে অর্পন কর।
যদি কাম দমন করিয়া কাম রুপ হইতে চাও সাক্ষাৎ
মন্মথ শ্রীকৃষ্ণে কামনা বাসনা অর্পন কর।
অতএব সর্বোন্দিয় সংযত করিয়া প্রেম ভক্তি তে
হৃদয় পূর্ণ করিয়া বল।
"কী কৃষ্ণায়ৈ গৌবিন্দায় গোপীজন বল্লো ভায় স্বাহা। ""
অতএব শয়নে স্বপনে, জীবনে মরনে সুখে,
দুঃখে এই মন্ত্র জপ করিও। তোমার প্রানের আশা
পরিতৃপ্ত হইবে ; সুখের অভিলাষ পূর্ণ হইবে।
রসো উপভোগে আত্মা কৃতার্থ করিতে পারি বে।।। -**★.।
যদি

16/05/2025

★(ষোড়শী হরিনাম মাহাত্ম্য) ★
একদা আচার্য্য গোঁসাই শ্রী গৌরাঙ্গ সনে।
নামের মাহাত্ম্য কহে কথা আলাপনে।।
ছয়দল অষ্টদল আর ষোড়শ দল।
নাম সূত্র জন্ম স্থান গোলক মন্ডল।।
এক গোপী এক গোপাল ষোল দলে খেলা।
অষ্টদল সংকীরতন গোপী সহ কৈলা।।
ষোলো দলে নাম সুত্র প্রচারি ভুবনে।
অষ্ট দলে সংকীর্তন যার নিস্তারনে।।
ছয় দল ছয় অক্ষরে তিন নাম তার।
তিন নামষোল নাম ভুবনে প্রচার।।
তিন নামে ছয় অক্ষরে গুপ্ত সমাচার ।
বাম বীজ পরা বীজ , কাম বীজ আর।।
তিন বীজ এই তিন গোস্বামী র নাম।
অতি বড় গুহ্য তত্ত্ব অতি অনুপম।।
সেই নাম তত্ত্ব কথা শুন হ আচার্য্য।
এই মতে পরি নামে সিদ্ধি হবে কার্য্য।।
আচার্য্য বলেন গোসাঁই অপূর্ব নাম হরি।
তত্ত্ব কথা আরো কিছু কহ কৃপা করি।।
তিন নামে ছয় অক্ষরে ষড় দলে বসে।
কি'বা ফলকোন অক্ষরে কহ সবিশেষ।।
চৈতন্য বলেন শুন আচার্য্য ধীমান।
যেমত অক্ষর ফল আছয়ে ব্যাখ্যান।।
সুবনের বর্ণ তাহা অতি জ্যোতির্ম্ময়।
গুরুমুখে কর্নে শুনি মহা পাপক্ষয়।।
লোহিত বরণ হয় রবির সমান।
'হ'শব্দ উচ্চারণ পাপ অন্তদ্ধার্ন।।
'রে 'উচ্চারন যদি মহাপাপী করে।
পাপনাশ হয়ে যায় গোলক নগরে।।
"কৃ " কার অক্ষরে জ্যোতি কোটি রবি সম।
উচ্চারণে পাপ নাশে সূর্য্যোদয়ে তমঃ।।
"ষ্ণ" অক্ষর নানা বর্ণ দিব্য রুপ ধরে।
গতকোটি জন্ম পাপ উচ্চারণে হরে।।
"কৃষ্ণ " এই দু অক্ষর একত্রে তেলয়।
মায়াজাল হ’তে মুক্ত সেই ক্ষনে হয়।।
"রা"অক্ষর জ্যোতিবর্ণ অতি রুপ ধরে।
উচ্চারণে পাপ রাশি সদা নাস করে।।
" ম"বলিতে পাপ দেহ হয় নির্মলে।
পাপ ভস্মে তুলারাশি যেমতি অনলে।।
হরে কৃষ্ণ রাম নামে তারক ব্রক্ষ হয়।
শ্রীগুরু কৃপাতে হয় পাপরাশি ক্ষয়।।
তিন নাম এক যোগে যেই জন লয়।
সর্ব পাপ নাশ হয় প্রেমের উদয়।।
শ্রীচৈতন্য কহে আচার্য্য কর অবধান।
ভক্তি ভাবে নাম নিলে মুক্তির বিধান।।
কর জোরে আচার্য্য কহে চৈতন্য গোঁসাই।
হরে হরে অষ্টবার কেন বল চাই ।।
রাম রাম চারি বার করে উচ্চারণ।
কৃষ্ণ কৃষ্ণ চারি বার বলে কি কারণ ।।
এ-ই কথা শুনি প্রভূ আলিঙ্গন দিয়া।
প্রেমাবশে আচার্য্যের জড়িল ধরিয়া ।।
শুন হ আচার্য্য গোসাঁই করি নিবেদন।
তোমা বিনা বন্ধু বলে আছে কোন জন।।
অতি বড় গুহ্য কথা কহা বড় দায়।
আশ্রয় পরিচয় হ'লে কিছু জানা যায়।।
পরম হংস নাম জীব জপে রাত্র দিনে।
সেই জপে প্রান হবে ক্ষনে ক্ষনে।।
প্রতিক্ষনে কৃষ্ণ মন হবে যেই জন।
সেই হেতু হরি বলে জানহ কারণ।।
স্থাবর জঙ্গম হবে একই নিমিষে ।
সে কারণে হরে বলি শুন সবিশেষে।।
অদ্ধর্ প্রকৃতি রাধা কৃষ্ণ জপে যারে।
আদি মন্ত্র রাধা হয় তা্ঁকে বলি হরে।।
বিশ্বেশ্বর ভুব্বাবর্ক নিবিঘ্নে সতৃষ্ণ ।
তাই প্রভু নাম হয় বলি কৃষ্ণ কৃষ্ণ ।।
নিষ্কাম যে নিত্যানন্দ শ্যাম কলে বর।
সেই হেতু কৃষ্ণ বলি গোলক ঈশ্বর।।
অনন্ত ব্রক্ষান্ড পতি সেই গুণ ধাম।
বেদ পুরানেতে সবে জানে কৃষ্ণ নাম।।
না ম চিন্তা মনি কৃষ্ণ চৈতন্য কেবল।
গুণাতীত মহা প্রভূ সেই সে সকল।।
সকল আশ্রিত মুক্ত হয় সদা ক্ষন।
রাম রাম বলি তারে ঘোষয় ভূবন।।
যোগীর অন্তর মাঝে রাম সদাক্ষন।
তাহার সে রাম বলি এই সে কারণ ।।
শ্রী কৃষ্ণ রমন করে রাধিকা সহিতে।
সেই হেতু রাম বলি ব্যাক্ত এ মহিতে।।
অতিব কোমল নাম তারক ব্রক্ষ হয়।
সেই হেতু রাম নাম সর্বত্র ঘোষয়।।
ষোল নামে মুল সুত্র কহিনু তোমারে।
মহিতে প্রচার নাম জীব তরি বারে।।
গুরুমুখে যে জন না শুনে নাম সূত্র।
তার হস্ত অন্ন বিষ্ঠা জল হয় মূত্র।।
হরি হেন নাম কর্নে না শুনে যে নর।
একান্ত অশুচি সে রয় নিরন্তর ।।
কলিকালে নাম যজ্ঞ মহা যজ্ঞ হয়।
ষোড়শী এ হরিনাম অব্যর্থ নিশ্চয়।।
******★*******★********★****-★

(প্রমাণং পীঠ মালা  মহা তন্ত্রে)
16/05/2025

(প্রমাণং পীঠ মালা মহা তন্ত্রে)

16/05/2025

★অথ ষট চক্রভেদ কথন ★

দেহ মধ্যে কহি শুন পদ্মের বিচার ।
ষটচক্র ভেদ ইহা নিরূপণ তাঁর ।।
কুন্ডলিনী মূলাধারে গুহ্য উদ্ধর্খানে।
এক পদ অধো মুখে রয় সেই স্থানে।।
চতুর্দ্দল যুক্ত হয় স্বর্ণ বর্ণতার।
গুহ্যদেশে আছে চক্রতথা মূলাধার।।
দ্বিতীয় পদ্মের তত্ত্ব কহি সভা পাশ।
স্বাধিষ্ঠান লিঙ্গ মূলে চক্রেতে বিকাশ।।
অরুণ সদৃশ্য বর্ণঅতি মনোহর।
ষড়দল মুক্ত পদ্ম অতীব সুন্দর।।
তৃতীয় পদ্মের তত্ত্ব করহ শ্রবণ।
লিঙ্গ উদ্ধ দেশে এর আছে নিরুপন।।
দশ দল যুক্ত পদ্ম নীল বর্ণ অতি।
মনিপুর নাভি চক্রে তাহার বসতি।।
হৃদয় অনাহত চক্র আছে বার দল।
রক্তিম উজ্জ্বল আভা পদ্ম নির্মল।।
চতুর্থ পদ্মের এই আছে নিরুপন।
পঞ্চম পদ্মের কথা করিয়ে বর্ণণ।।
বিশুদ্ধ চক্রেতে কন্ঠে রহে ষোড়শ দল।
স্বর্ণ বর্ণ পদ্ম সেই অতীব উজ্জ্বল।।
অবশেষে কহিশুন করিয়া প্রকাশ।
সে স্থানেতে হয় আত্মা রামের নিবাস।।
ভ্রু যুগোলে কন্ঠে উদ্ধে ধ্যান নিকেতন।
শুক্লা বর্ণ পদ্ম তথা অতি সুশোভন।।
তাহার উপরে পদ্ম নাম সহস্রার।
অধোমুখে পদ্ম সেই দশ শতদল।
নবীন সূর্যের জ্যোতি অতি নির্মল।।
তথা বিরাজিত রন কিশোরী কিশোর।
যোগী যোগে, রোগী রোগে যার কাছে ঘোর।।
পদ্মের নিয়ম এই কহিলাম সার।
চক্রের প্রমান কহি করিয়া বিস্তার।।
***★****★****★***--★★************★

16/05/2025

★অথ দেহতত্ত্ব বিচার কথন।
দেহ সকলের সার দেখ বিচারিয়া।
যেখানে যে দেব মুর্তি যাইব কহিয়া।।
আধ্যাত্নিক বৈষ্ণবের কার্য্য এ সকল।
সাধনেতে সিদ্ধিলাভে নাশে অমঙ্গল।।
ললাটে কেশব সদা করেন বসতি।
বামে লক্ষীদেবী দক্ষিণে সরস্বতী।।
কন্ঠ দেশে শ্রী গোবিন্দ ওঁঙ্কার স্বরুপ।
করে বাঁশি মুখে হাসি যুগল সে রুপ।।
চতুর্ভুজ মানবেন্দ্র বক্ষ:স্থলে স্থিতি।
শঙ্খ, চক্র, গদা,পদ্ম বামেতে প্রকৃতি।।
নাভি মুলে নারায়ণ করিবে স্মরণ।
সাধনায় সিদ্ধি লাভ করে মহাজন।।
দক্ষিণ কক্ষে তে বিষ্ণু শুন কহি সার।
বাহুতে মধুসূদন সহ শ্রী রাধার।।
স্কন্ধ মুলে ত্রিবিক্রমে হন বিরাজিত।
বাম কক্ষে বামন যে হয় অধিষ্ঠিত।।
শ্রীধর বাহুতে বামে স্ত্রী সহ বিরাজে।
হৃষীকেশ স্কন্ধ মুলে রয় যোগী সাজে।।
পদ্ম লাভ পৃষ্ঠ দেশে জানিও নিশ্চিত।
দামোদর কটিদেশে আছে নিরুপিত।।
দ্বাদশ দেবতা স্থান দেহের ভিতরে।
এই সব দেব মুর্তি চিন্তিয়া অন্তরে।।
করিবে তিলক মুদ্রা আছে বিধানেতে।
অত:পর ধ্যান জপ কর বিধিমতে।।
এবে কহি শুন দেহ তত্ত্বের বিচার।
দেহ মধ্যে বৃন্দাবন সর্ব সিদ্ধি সার।।
বাহ্যেতে চুরাশি ত্রোশ শ্রী বৃন্দাবন হয়।
দেহ মধ্যে বিচারিয়া দেখ সমুদয়।।
ব্রক্ষান্ডেতে যাহা আছে ভান্ডেতাহা আছে।
গুরু কৃপা হলে তাহা জানিবেক পাছে।।
অত:পর কহিতেছি ধাম নিরূপণ।
সদানন্দ নিত্যানন্দ ধাম বৃন্দাবন।।
বক্ষেতে মথুরা ধাম জানিবে সকলে।
মুখ দ্বারে শ্রী রাধিকা ভক্ত গন বলে।।
শ্রী গোলক হয় মস্তক উপরে।
শ্রীগোকুল ধাম জেনো কর্ণদ্বয়ো পরে।।
শ্যাম কুন্ড রাধাকুন্ড নেত্র দ্বয়ে হয়।
কালিঙ্গী যমুনা দুই নাসিকাতে রয়।।
জিহ্বার ভিতরে গোর্বদ্ধনের কুঠুরি।
তত্ত্ব কথা কহিলাম শুন কর্ণভরি।।
সপ্ত পাতালাদি পুনঃ কহি নিদ্ধার্ণ।
সপ্ত স্বর্গ আনি করি দেহে অবস্থান ।।
মস্তকে স্বলোকে আর গলা অন্তরীক্ষ।
পৃথিবী সে স্কন্ধ দেশ মহা লোক বক্ষ।।
জনলোক পৃষ্ঠ দেশে আছে বিরাজিত।
তপলোক কটিদেশে জানিবে নিশ্চিত।।
ব্রক্ষ তাল উপরেতে সত্য লোক হয়।
কহিলাম সপ্ত স্বর্গ এই পরিচয়।।

সপ্ত পাতা লের তত্ত্ব কহি যতনেতে।
সবিশেষ তত্ত্ব যত জানিবে এ মতে।।
কটিঅধো দেশে হয় স্থান তলাতল।
গুহ্য দেশে বিরাজিত আছেয়ে বিতল।।
জঙ্ঘা দেশে তল আর হাঁটু তলাতল।
পদের গুলফ যেথা সেই সে সুতল।।
পদের উপরিপিষ্ঠ রসাতল হয়।
পাতাল পদের তলা জানি যে নির্ণয়।।
কহিলাম স্বর্গ আদি পাতাল বিধান।
দেহের তদন্ত আর শুনহ সন্ধান।।

**--*----***-----***--*
মন্জুরী ও সখী গন যেথায় বর্ত্তে।
শুনহ এ ক্ষনে দেহে মন্জরীর তত্ত্বে।।
শ্রীরুপ মন্জরী নেত্রে শ্রী ললিতা লিখি।
শ্রী রতি মন্জরী কর্ণে শ্রী বিশাখা সখি।।
শ্রী রস মন্জরীমুখে শ্রীসুচিত্রা তথা।
লবঙ্গ মন্জরী নাশায় শ্রী চম্পক লতা।।
মন্জুমালী মন্জরী কন্ঠে আর সে সুদেবী।
কস্তুুরী মন্জরী বক্ষে সখিরজদেবী।।
শ্রীগুনমন্জরী গুহ্যে তুন্দ্র রেখা হয়।
বিশাল মন্জরী হস্তে ঈন্দ্র রেখা কয়।।
অনঙ্গ মন্জরী মনে শ্রী রাধীকা সার।
মন্জরীর তত্ত্ব কথা শুন সারোদ্ধার।।

***-----------*-******------+*******_--***
এবেশুন মন দিয়া যত ভক্ত গন।
দেহের তদন্ত আর করিব বর্ণন।।
চুড়া মধ্যে চুড়ামনি ব্রক্ষ পাশে স্থিতি।
মহা বিষ্ণু পাট মধ্যে করেন বসতি ।।
কালাচাঁদ চক্ষু মধ্যে করিতেছে ধ্যান।
নিত্যানন্দ নাসিকা য় করে মধু পান।।
কর্নেতে চৈতন্য গোঁসাই আছে বত র্মান।
মুখেতে ভদ্রাক্ষ বসি বত্রিশ যোগান।।
জিহ্বায় নারদ মুনি বাজায় কোন্দল।
কায়া গঙ্গা নদী বিরাজিত জিহবা তল।।
আলা জিহ্বায় সরস্বতী বামেতে শ্রীদাম।
কন্ঠে তে কানাই বসে দান অধিপতি।
হস্তে তে গোবিন্দ বসে বাহুতে বলরাম।
সপ্ত দ্বীপে জগন্নাথ করেন বসতি।।
নাভীমূলে ব্রক্ষা বসি করিতেছে লীলা।
লিঙ্গেমহাদেব বসে লয়ে চন্দ্র কলা।।
হাটুতে শক্তি ধরে পদে বসুমতী ।
ষোল কলা অঙ্গ ভেদ যেই জন জানে।
নরলোক তুচ্ছ কথা দেব লোক মানে।।
****------★*******------★**------**-
শরীর শ্চৈব মাত্নানং অন্তরাত্মা মনো ভবেৎ।
পরমাত্মা ভবেৎশুন্যো মনো যত্র বিলীয়তে।।
অবশেষে শুন দেহে তত্ত্বের বিচার।
এই দেহ আত্ম বলি পরিচয় সার।।
মনযাতে লয় হয় পরমত্না কয়।।
সুক্ষ্ম সেই পরমাত্মা হয় পূর্ণ্য রুপ।
দেহের তদন্ত এই জানহ স্বরুপ।।
*****---★****---**-----*****---*★

15/05/2025

★আত্না চৈতন্য তত্ত্ব
পঞ্চ তত্ত্ব ত্তকং কৃষ্ণ সোহংজানাতি যোনরা :।
জীব মুক্ত ভবেৎ সাধ্য দেহ নিত্যং জায়তে।।
পঞ্চ তত্ত্ব সহিতেন যথা জীব প্রবেশ্যতি।
তৎক্ষনাৎ গুরু চৈতন্য মেকাত্না সহ:জায়তে।।
পঞ্চ ভূত হয় সকল সংসার।
পঞ্চ ভূত বিনে বস্তু নাহি কিছু আর।।
পঞ্চ ভূত তত্ত্ব সহ ধরে এক রুপ।
জীব পর মাত্না মন একই স্বরূপ।।
তত্ত্ব ও পদার্থ আর জীব পরমাত্মা।
চারি বস্তুু নাভি ভেদ সকলি একাত্মা।।
পদার্থের অর্থ বলি শুন মন দিয়া।
পঞ্চ ভূত অভিহিত পদার্থ বলিয়া।।
তত্ত্ব শব্দে পঞ্চ তত্ত্ব পঞ্চ ভূত গুণ।
তত্ত্বে স্পর্শ রুপ রস গন্ধ ওনিরুপণ।।
তত্ত্ব শব্দে কহি শুন অন্য রুপ অর্থ।
চর্তুবিংশ পঞ্চ বিংশ হয় মহতত্ত্ব।।
এসব জানিলে জীব জীব মুক্ত হয়।
পাপপূর্ণ্য জন্ম মৃত্যু নাহি কিছু রয়।।
গুরু শিষ্য অভেদাত্মা হইবে তখন।
সাধন করিলে যাবে নিত বৃন্দাবন।।
গুরু শিষ্যএক আত্মা চৈতন্য বাজারে
অচৈতন্য ব্যাক্তি ইহা বিশ্বাস না করে।।
(সোহং জাত পরংতত্ত্ব হংসাদি পরং লভ্যতে।
নাহংশ্বানপরং তত্ত্বা মনহি পরং জীবকং।।
হ, স কায় দুই পাখি রবি শশী হয়।
মধ্যে বিন্দু রুপে পরম পূর্ণ তনু ময়।।
'হ'করে নির্গম স কারে প্রবেশন।
করিতেছে নিরন্তর গমনা গমন।।
হংস শব্দে সোহংঅর্থ মনে হয় জ্ঞাত।
সোহং শব্দে সেই আমি জানিবে নিশ্চিত।।
হংস কার দুই পাখা ছেদন করিয়া।
বিন্দু রুপি পরমাত্মা লইবে চিন্তিয়া।।
জানিলে ইহাকে আত্মা চৈতন্য ঈশ্বর।
নবদ্বীপ সহ হবে প্রত্যক্ষ গোচর।।
হেন মহা মূল্য বস্তুু গুরুর কৃপায়।
ভাগ্যবান যেই জন গুরু ভজে পায়।।
হেন ধর্ম জানিয়া না করিলে ভজন।
সেহ ধর্ম কাল হয় করয়ে দংশন।।
যে জনার ধ র্ম পদে থাকে নিষ্ঠা বুদ্ধি।
গুরু বাক্য সত্য মানি সেই হয় শুদ্ধি।।
গুরু বাক্যে অনাদর করে যেই নর।
সাধন বিহনে পায় কষ্ট বহুতর।।
গুরু সব তত্ত্ব তীত জীবের জীবন।
হেন গুরু না ভজিলে কষ্ট অগণন।।
মাতৃগর্ভে মহা পদ্মে মহামন্ত্র মুপাশ্রিতঃ।
তন্ময় বিম্মৃত যেন গর্ভবাস পুনঃ পুনঃ।।
মুই শ্রীচরন দাস বুদ্ধি শুদ্ধিহীন।
ভক্ত পাশে কৃপা মাগে এদীন অধীন।।
ঢাকা জিলা আবিরিয়লে রাখাল জীবন।
গোস্বামীর পদাম্বুজে লয়ে ছি শরণ।।
এভব দুস্তর নদী তরঙ্গ সংকুল।
গুরু কৃপা মাগে দীন হয়ে ভয়াকুল।।
'হংস 'মন্ত্র সোহং অর্থ ২১৬০০জপেদিবারাত্রিহয়।
"হকারে নির্গম প্রোক্তা সঃ কারনে প্রবেশন।
দ্বয়ো মধ্যে স্তিতং বিন্দু ব্রক্ষরুপি সনাতন।।
" হ কারে পুরুষ স্বামী স কারে শক্তি রেবচ।
নির্গমে পুরুষ প্রোক্তা শক্তি আকর্ষণ যথা।। +++++(+

★★★★*******★★*****★★★★★★★***

15/05/2025

চক্ষু, কর্ণ,নাসিকা, জিহবা, ত্বক, বাক,পানি, পাদ,পায়ু,উপস্থ, এ-ই দশইন্দিয়, দিকপাল।
বায়ূ,অর্ক,প্রচেতা,বহ্নি অশ্বিনী কুমার, ইন্দ্র, উপেন্দ্র,
মিত্র,প্রজাপতিএই দশ অধিষ্ঠাত্রী দেবতাসহহইল বিংশ তি তত্ত্বে শরীর সৃষ্টি।
★ অথ তত্ত্ব উৎপত্তি বর্ণণ।
আকাশে উদ্ভবে বায়ূ,রবি যেবায়ূতে।
রবি উৎপত্তিতে তোয় পৃথিবী তোয়াতে।।
★শাস্ত্রেআছে :—
মূল শক্তি প্রভাবেন বিন্দু রুপ পস্থিতংগতা।
তস্যাংশ পঞ্চ তত্ত্বানাং আকাশাদিগুনোদ্ভবং।।
*বিন্দু হইতে আকাশে র উৎপত্তি ইহারশব্দগুন।
আকাশ বায়ু ইহার শব্দ ও স্পর্শ গুন।।
*বায়ু হইতে তেজ ইহার শব্দ, স্পর্শ ও রুপ গুন।
অপ জল হইতে পৃথিবী উৎপত্তি ইহা র শব্দ স্পর্শ রুপ,রস ও গন্ধ এ-ই পঞ্চ গুণ।

এই পঞ্চে পঞ্চবিংশতিগুন।
★ক্ষিতির পঞ্চ গুণ :—
অস্তি,মাংস, নখ, রোম,আর দেহ চর্ম।
পৃথিবী হইতে এই পঞ্চ দ্রব্য জন্ম।।
★অপের পঞ্চ গুণ :—
শুক্র ওশোনিত আর মল, মুত্র,মজ্জা ।
অপ পঞ্চ গুণ তার আছে বটে সজ্জা।।
★তেজের পঞ্চ গুণ :—
ক্ষুধা তৃষ্ণা, নিন্দ্রা ভ্রান্তি আলস্য পঞ্চম।
এই পঞ্চ গুণে তেজ কহিলাম ক্রম।।
★বায়ুর পঞ্চ গুণ :—
ধারণ, চালন আর সঙ্কোচন,প্রসারণ।
ক্ষেপণ এই পঞ্চ বায়ুর কারণ।।

আকাশের পঞ্চ গুণ :—
কাম ক্রোধ,লোভ,মোহ লজ্জা গুণ সব।
আকাশ হইতে এই পঞ্চের উদ্ভব।।
★পঞ্চ ভূতের সাধন :—
প্রতিভুতেপাঁচ পঞ্চ ভুতেতে পঁচিশে।
সদ্য জীব মুক্ত হয় বুঝিলে নিমিষে।।
চরাচর সব সৃষ্টি পঞ্চ ভুত হ’তে ।
নিত্য বস্তুু পঞ্চ ভুত আছয়ে শাস্ত্রেতে।।
নিত্য বস্তুু কারে বলে শুন তার সার।
ধ্বংস প্রাদূর্ভাব কভু না হয় যাহার।।

★পৃথিবী বশীভূত কিসে?
শ্রী গুরু কৃপা ব'লে।
★অপবশীভুত কিসে?
নামসংকীর্তনে।
★তেজবশীভুত কিসে?
ভাবনায়।
★বায়ূ বশীভূত কিসে?
ধ্যানে।
★আকাশ বশীভূত কিসে?
সাধন নাসিকা।
**★**★**★**★**★
(কাম বীজ ও গায়েত্রী)★
অথ পঞ্চ অলঙ্কার বীর্জাথ।
ক্লঁ:— ক:, ল:,ঈ,: এই পঞ্চ অলঙ্কার সাধ্য।।
★অলঙ্কারের বিশেষত্ব।
'ক' কারে পৃথিবী জাঁতা, 'ল'কারে জলসম্ভবা,
'ঈ'কারাৎ বহ্নি রোৎপ ন্না নাদেৎ বায়ূ প্রজায়তে।
বিন্দু রাকাশং সম্ভুতং মিতি পঞ্চ তকং মনু:।।
★অনুবাদ ★
'ক'কারেপৃথিবীহয়, অপ 'ল'কারেতে। 'ঈ'কারে তেজ, নাদে বায়ু আকাশ বিন্দু তে।।
★প্রাপ্তি পঞ্চ ।
'ক'কারে কৃষ্ণহয়, রাধিকা 'ল'কারে।
'ঈ'কারেতে হলাদিনী, শ্রীরুপহয় নাদেতে।।
বিন্দুতে হয় বৃন্দাবন, এই পঞ্চ জান।
অপ্রাকৃত চিন্তা মনি ধ্যান বৃন্দাবন।।
★কাম গায়েত্রী অর্থ।
'ক'শব্দে হয় জান বীজের উৎপত্তি।
ইহাতে উজ্জ্বল রস জন্মে নিতি নিতি।।
'ম'শব্দে মদনহয় জানিও নিশ্চিত।
আকর্ষন দ্বারা সদা সুখ আস্বাদিত।।
'দে' শব্দেতেদেখা দিলে কৃষ্ণ হয় বশ।
দেহ সমর্পন করে পান করে রস।।
'বা' শব্দেতে বাহুতুলে করে আলিঙ্গন।
বারে বারে দুই করে আদরে চুম্বন।।
'য়'শব্দে অভেদ হয় রাধিকার মনে।
কৃষ্ণবান্জা করে যাহা, রাধা তাহা জানে।।
'বি'শব্দে বিলাসময় দোঁহাকার দেহ।
সেরূপ নয়ণ বিনে, নাহি জানে কেহ।।
'দ্ম'শব্দেতে দর্পকরি করে রস পান।
সদা ডুবে থাকে রসে, হ'য়ে হত জ্ঞান।।
'হে'শব্দেতেহেম জিনি রাধা প্রেম হয়।
করি যত্ন সেই প্রেমে, কৃষ্ণ আস্বাদয়।।
'পু'শব্দ পনর দন্ড শৃঙ্গারবিলাসন।
তাতে যার পুলকাঙ্গ, সেই মহাজন।।
('স্প"শব্দেতেপুস্পপূর্ণ, রাধিকার হৃদয়।
প্রস্ফুটিত সে পুষ্পে, কৃষ্ণ আস্বাদয়।।
'বা'শব্দেতে বালকোচিত প্রেমের বিকার।
ইষ্টানিষ্ট স্হানা স্থান নাকরে বিচার।।
'না'শব্দে নায়ক হয় রস চূড়ামণি।
যত্নে আস্বাদয়ে সেই রাধা ঠাকুরানী।।
'য়'শব্দে অদ্ভুত কথা বস্তুু তত্ত্ব সার।
নারে আস্বাদিতে কৃষ্ণ হলো চমৎকার।।
'(বি'শব্দে ধীরাধীর, দুই বস্তু হয়।
দু'জনারদুই বস্তু্ু দোঁহে আস্বাদয়।।
'ম'শব্দে মহৎবস্তুু নাসিকা অন্তরে।
শৃঙ্গারে নামিলে বস্তুু রয় স্থানান্তরে।।
('হি'শব্দে হিঙ্গুল বর্ণ, যদি চলি যাবে।
কৃপাবশে নায়কেরে নায়িকা কহিবে।।
'ত্ব'শব্দে তত্ববস্তু নিরাকার রুপ।
ধরিতে পারিলে হয় সাক্ষাৎ স্বরুপ।।
'ণ্ণ' শব্দেতেনবধারা নবতত্ত্ব সার।
নবরসে নবপ্রেমে নবঅঙ্গযার।
'ল'শব্দ লাবন্য যুত দুই তনুহয়।
সাধিতে পাবিলে হবে, সাক্ষাত উদয়।।
'ঈ'শব্দে অঙ্গ তার আসিলে পরসে।
সর্বতীর্থফললাভ আসিবেক বশে।।
'প্র'শব্দে প্রসন্ন সেই যখন হইবে।
প্রোখিত অমূল্য বস্তু তবে সে মিলিবে।।
'চ শব্দে চাতক ন্যায় ভক্তেবস্তুু জানে।
দিবারাত্র হলে মাত্র ক্ষয় বক্ষ্য মানে।।
'দ্দ'শব্দে উদ্দেশ্য বস্তুু করহ সাধন।
সাধিতে পারি লে ভবে পাইবে নিস্তার।।
'ৎ'শব্দে তত্ত্ব বস্তুু অদ্ধর্চন্দ্র ধর।
তার সাক্ষী দেখ শম্ভু ললাট উপর।।
'

14/05/2025

(ও পঞ্চ প্রাণ কথা)
★পনচ প্রাণকিকি?
যথা:পান অপান, সপান,উদ্দাম ওব্যান।
কে কোথায় বিরাজ করে?
পান -হৃদয় পদ্মে
অপান- গুহ্যদেশে
সপান-নাভিমূলে।
উদ্দাম-কন্ঠমুলে।
ব্যান- সর্বাঙ্গে।
এ-ই ভাবে পঞ্চ প্রান বিরাজ করে।
★এবার পঞ্চ বান কথা।
পঞ্চ বান কিকি?
মদন, মানদ, মোহন, শোষণ ওস্তম্ভন।
★কেকোথায় থাকে?
মদন- বাম চক্ষের বাম কোনে।
মাদন-দক্ষিনকোনে।
মোহন_কটাক্ষে।
শোষণ - অধরে।
স্তম্ভন- শৃঙ্গারে।
এ-ই পঞ্চ স্থানে পঞ্চ বান অবস্থিত থাকে। প্রকৃতিপুরুষহইতে মহত্তর জন্ম , অর্থাৎউৎপত্তি।
মহত্ত্বের হইতে রাজসাক,তামসিক সাত্বিক।
অহংকার - এ-ই তিন প্রকার।
তামসিক অহংকার হইতে পঞ্চ ভুতের জন্ম।
★পন্চভুতকাহাকেবলে?
ক্ষিতি,অপ,তেজ,মরুৎ,বোম।
★ক্ষিতিবা/পৃথিবীর গুণ কি? কোথায় স্থিতি?
ক্ষিতির গুন গন্ধ। শুক্র বর্ণ। নাসিকা য় অবস্থিতি।
★অপের বা জলের গুণ কি?
রসগুন,কিঞ্চিত ছাইবর্ণ জিহবা য় অবস্থিতি।
★ত্যাজের বা আগুনের গুণ কি?
রুপ গুন ছাইবর্ণচক্ষেঅবস্তিতি।
★মরুৎবা বায়ুর গুণ কি?
স্পর্শ গুন শ্যামবর্ণ চর্মেঅবস্থিতি।
★ব্যেমবাআকাশের গুন কি?
শব্দ গুণ :ধুম্রবর্ণ কর্নে অবস্থিত।
★রাজসিক অহংকার হইতে দশইন্দিয়ের জন্ম।
★তাহাকিকি?
পঞ্চ জ্ঞান ইন্দিয় ও পঞ্চ কর্মইন্দিয়।
★পন্চ জ্ঞান ইন্দিয় কিকি?
চক্ষু, কর্ণ,নাসিকা, জিহবা ও ত্বক।
ইহাদের কোনকোন ইন্দিয় দ্বারা কিকি গুণ অনুভব করা যায়?
চক্ষু -শুক্র কৃষ্ণাদি নানা বিধ বস্তু দর্শন।
কর্নে - শব্দাদি গুন শ্রবণ।
নাসিকা য় -গন্ধাদিঅনুভব।
জিহবায় - স্বাদ অনুভব
ত্বক বা চর্মে_ শীত উষ্ণাদি অনুভব করা যায়।
★কর্মইন্দিয় পঞ্চ কিকি?
(১) বাক।
(২) পানি।
(৩)পাদ।
(৪) পায়ূ। ও
(৫)উপস্থ।
কোন ইন্দিয়ের কোন গুন?
(১)বাক - কথা বলা
(২)পানি দ্বারা -হস্তে দ্রবাদিধরা।
(৩)পাদ দ্বারা - গমনা গমন।
(৪)পায়ূ দ্বারা - মলত্যাগহয়।
(৫)উপস্থদ্বারা - শুক্র মূএাদি ত্যাগকরা।
।।। জ্ঞানেন্দিয় পঞ্চ যথা:—
(১)দিকপাল,
(২)বায়ু
(৩)অর্ক।
(৪)প্রচেতা।
(৫)অশ্বিনী কুমার।
(১)দিক পাল :—কর্নে
(২)বায়ু :—চর্মে।
(৩)অর্ক :—চক্ষে।
(৪)প্রচেতা :-জিহ্বায়।
(৫)অশ্বিনী কুমার :—নাসিকায়অধিষ্ঠিত।
।।। কর্মেন্দিয় পঞ্চ যথা :—(১)বহ্নি
(২)ইন্দ্র।
(৩)উপেন্দ্র।
(৪)মিত্র।
(৫)প্রজাপতি।

বহ্নি :—বাকইন্দিয়।
ইন্দ্র :—পানিতে।
উপেন্দ্র :—পাদে।
মিত্র :— পায়ুতে।
প্রজাপতি:—ব্রক্ষা উপস্থইন্দিয়ে অধিষ্ঠিত।

Address

Mudafa Nishadnagar Tongi Gazipur Dhaka
Tongi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pakhi Pakhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category