Ummah Store-উম্মাহ স্টোর

Ummah Store-উম্মাহ স্টোর We are here to serve you daily essential with "Ummah Store" It's our online market.Now We are offline also available.We maintain purity.

সুস্বাদু, তরতাজা,মুখরোচক স্বাস্থসম্মত নানান অর্গানিক ফুড পাবেন উম্মাহ স্টোরে
01/12/2024

সুস্বাদু, তরতাজা,মুখরোচক স্বাস্থসম্মত নানান অর্গানিক ফুড পাবেন উম্মাহ স্টোরে

আরবদের প্রিয় খাবার।।।পৃথিবীর সেরা ৩ টি খাবারের একটি।।।আরবরা এইগুলা খাই বলে, ৩-৪ টা বিয়ে করতে পারে।।কুমড়া বীজ
23/11/2024

আরবদের প্রিয় খাবার।।।পৃথিবীর সেরা ৩ টি খাবারের একটি।।।আরবরা এইগুলা খাই বলে, ৩-৪ টা বিয়ে করতে পারে।।কুমড়া বীজ

 #কালো_জিরা_তেলের_প্রথম_অর্ডার_ডেলিভারি_কমপ্লিটগতকাল কালো জিরার তেল হাতে পাওয়ার পর স্টোরি ও পেইজে পোস্ট করেছিলাম সেখান থ...
18/11/2024

#কালো_জিরা_তেলের_প্রথম_অর্ডার_ডেলিভারি_কমপ্লিট
গতকাল কালো জিরার তেল হাতে পাওয়ার পর স্টোরি ও পেইজে পোস্ট করেছিলাম সেখান থেকেই প্রথম অর্ডার সাকসেসফুল আলহামদুলিল্লাহ।
আমার কাছে আরও যা যা পাবেন...
১/ সুন্দর বনের প্রাকৃতিক চাকের মধু
২/ লিচু ফুলের মধু
৩/ কালো জিরার মধু
৪/ পদ্ম ফুলের মধু
৫/ মিশ্র ফুলের মধু
৬/ ঘি
৭/ তেতুল কাঠের ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল
৮/ আরবের খেজুর-মেজদুল খেজুর ,মরিয়ম খেজুর,কোরমা খেজুর,ছরা খেজুর, বড়ই খেজুর ইত্যাদি।
৯/ কাঠ বাদাম
১০/ কাজু বাদাম
১১/ কালো জিরা
১২/ ইরানি/নাউজেরিয়ান কিসমিস
১৩/ সিয়াসীড
১৩/ ইসপগুলের ভুসি
১৪/ আখরুট
১৫/ এপ্রিকট
১৬/ জায়তুন ফল
১৭/ ত্বীন ফল
১৮/ নানান রোগের ভেষজ ঔষধি গাছের শেকর
১৯/ হানি নাট মিক্স
২০/ কালো জিরার তেল
২১/ জায়তুনের তেল
ইত্যাদি।আপাতত এসব আমাদের নিকট পাবেন ইনশাআল্লাহ।

 #সরিষার_তেল  সরিষার তেল খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!প্রাচীনকাল থেকেই ঔষধি গুণাগুণের জন্য  সরিষার তেল আয়ু...
17/11/2024

#সরিষার_তেল
সরিষার তেল খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে চমকে উঠবেন!

প্রাচীনকাল থেকেই ঔষধি গুণাগুণের জন্য সরিষার তেল আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সবার পছন্দের সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও। শরীর এবং ত্বকের উপকারে নানাভাবে কাজে লাগে সুবাসিত এই তেলটি।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত সরিষার তেল ব্যবহার করে রান্না করা খাবার খেলে শরীরের একাধিক উপকার হয়। বাড়ে আয়ুও। চিকিৎসকদের মতে, সরিষার তেলে আস্থা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিয়মিত সরিষার তেল মাখলে অনেক জটিল সমস্যার মোকাবিলা করতে পারবেন।

সরিষার তেলে রয়েছে ১৯২৭ ক্যালরি। এক কাপ তেলে চর্বি থাকে ২১৮ গ্রাম। সরিষার তেলে আছে প্রোটিন, ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ওমেগা, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং পরিমাণমতো ভিটামিন এ। জেনে নিন সরিষার তেলের স্বাস্থ্য উপকারিতা-

হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা হ্রাস পায়

একাধিক গবেষণায় একটা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, নিয়মিত সরিষার তেল খেলে হার্টের কোনো ক্ষতি হয় না। বরং হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও হ্রাস পায়। গবেষণায় দেখা গেছে সরিষার তেলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা খারাপ কোলস্টেরলের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। সেই সঙ্গে শরীরের প্রতিটি কোণায় যাতে ঠিক মতো রক্ত পৌঁছে যেতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমে

গবেষণায় দেখা গেছে সরিষার তেলে উপস্থিত লাইনোলেনিক অ্যাসিড আমাদের শরীরে ক্যানসার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে ক্যানসারের মতো মারণ ব্যাধি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত স্টমাক এবং কোলন ক্যানসারকে দূরে রাখতে এই তেলটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

সরিষার তেলে উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে মনোযোগ বৃদ্ধি এবং সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে।

শরীরের প্রদাহ কমায়

সরিষার তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-ইমফ্লেমেটারি উপাদান যে কোনো ধরনের প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষত মাথা যন্ত্রণা এবং তলপেটের অস্বস্তি কমাতে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি দারুণ কাজে আসে। জ্বর-ঠান্ডা-কাশিতে আরাম পেতে হালকা গরম সরিষার তেলে কালোজিরা মিশিয়ে বুকে-পিঠে মাখুন, উপকার পাবেন।

ত্বকের যত্নে কার্যকর

অল্প সরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিন, সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। সরিষার তেল অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর, অ্যালার্জি ও র‍্যাশ প্রতিরোধ করে। ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি রুখতেও সরিষার তেল কার্যকরী। ত্বকে ডার্ক স্পট, ট্যান বা পিগমেন্টেশন ঠেকাতে বেসন, দই, লেবুর রস আর সরিষার তেল মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন, তার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সরিষার তেল ও নারিকেল তেল মিশিয়ে ১০ মিনিট ত্বকে মাসাজ করুন, ত্বক নরম, উজ্জ্বল থাকবে।

মাইগ্রেনের কষ্ট কমায়

মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে ম্যাগনেসিয়াম দারুণ কাজে আসে। আর যেমনটা ইতিমধ্যেই আপনারা জেনে গেছেন যে সরিষার তেলে এই খনিজটি বিপুল পরিমাণে থাকে। তাই এমন তেলে রান্না করা খাবার খেলে মাইগ্রেনের কষ্ট একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, সরিষার তেলে ভাজা মাছ খেলে শরীরে ওমাগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

হাড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি

শরীরে হাড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন সরিষার তেল। সরিষার তেল আর আদা এই দুটোতে এমন উপাদান থাকে যা প্রদাহজনিত উৎসেচকের ক্রিয়ার গতি কমিয়ে দেয়। ফলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে সরিষার তেলে পরিমাণ মতো কর্পূর মেশান। তেলটা গরম করে ঠান্ডা হতে দিন। এবার সেই তেল মালিশ করুন। আরাম পাবেন।

ওজন কমায়

সরিষার তেল ওমেগা -৩, ওমেগা -৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিগুলির একটি দুর্দান্ত উত্স। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিডে কেবল খাবারের স্বাদই উন্নত করে না, রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে। যেখানে ওমেগা -৬ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে শরীরে সঞ্চিত বাদামী চর্বি ব্যবহারকে সক্রিয় করতে পারে। সরিষার তেল ওজন কমাতে ভাল ভূমিকা পালন করে।

সরিষার তেল আসল না নকল বুঝবেন যেভাবে

সরিষার তেলের বিশুদ্ধতা সনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল গন্ধ দ্বারা এটি সনাক্ত করা। আসল সরিষার তেলের গন্ধ খুব তীব্র। সরিষার তেল থেকে তীব্র গন্ধ না হলে বুঝবেন সরিষার তেল নকল। এভাবে সহজেই চিনতে পারবেন সরিষার তেল।

দোকান থেকে সরিষার তেল কিনে আনার পর ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর যদি দেখের সরিষার তেলের উপর সাদা রঙের কোনো আস্তরণ দেখা দিয়েছে কিংবা সরিষার তেল জমে গেলে বুঝবেন সরিষার তেল নকল।

সরিষার তেল হাতের তালুতে রেখেও চিনতে পারেন। প্রথমে আপনার হাতে তালুতে কয়েক ফোঁটা সরিষার তেল ভালো করে ঘষুন নিন এবং দেখুন। আসল সরিষার তেলের রং গাঢ় হলুদ। অন্যদিকে সরিষার তেলের রং হালকা হলুদ হলে বুঝবেন ভেজাল।

 #প্রিমিয়াম_খেজুর মেজদুল
17/11/2024

#প্রিমিয়াম_খেজুর মেজদুল

 #বিট_রুটবিটরুট নামের গাঢ় গোলাপি বা লালচে রঙের সবজিটি এখনও আমাদের দেশে খুব পরিচিত না। বাজারে দেখলেও কিনতে চান না অনেকে। ...
17/11/2024

#বিট_রুট
বিটরুট নামের গাঢ় গোলাপি বা লালচে রঙের সবজিটি এখনও আমাদের দেশে খুব পরিচিত না। বাজারে দেখলেও কিনতে চান না অনেকে। শীতকালে এ সবজির উৎপাদন বেশি হলেও বর্তমানে সবসময়ই এ সবজির দেখা মেলে। বিভিন্ন পুষ্টিগুণ ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন এ সবজিটিকে সুপারফুডও বলা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশি পুষ্টিবিদ তারানা জান্নাত মুমুর মতে বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা----

বিটরুটের পুষ্টি উপাদান

বিটরুট ভিটামিন ও খনিজ উপাদানে ভরপুর। আয়রন, জিংক, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফোলেট, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি ইত্যাদি উপাদান আছে এতে। এতে আরও রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।

কীভাবে খাবেন..?
বিটরুট কাঁচা এবং রান্না করে দুভাবেই খাওয়া যায়। কাঁচা খাওয়া হলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। বিটরুটের জুস, স্মুদি এবং সালাদ বানিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সবজির সঙ্গে যোগ করে রান্না করে খেতে পারেন।

উপকারিতা

উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য বিটরুট অনেক উপকারী। এতে রয়েছে নাইট্রেটস, যা রক্তনালী প্রসারিত করে ও রক্তচাপ কমিয়ে দেয়। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

বিটে থাকা লুটেইন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের সমস্যার ঝুঁকি কমায়। এতে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যাল, যা চোখের স্বাস্থ্য এবং চারপাশের স্নায়ু টিস্যুগুলোর শক্তি বৃদ্ধি করে।

এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজম ক্ষমতা উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

বিটে আছে টালাইন নামক প্রদাহ বিরোধী যৌগ, যা প্রদাহ সৃষ্টিকারী রোগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

এটি অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

বিটরুটে থাকা আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

বিট মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য বিট কার্যকরী সবজি।

পর্যাপ্ত পরিমাণে বিটরুটের জুস খেলে শরীরের টক্সিন দূর হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে বিটের জুস তা কমাতে সাহায্য করে।

এতে বিটেইন থাকায় যকৃতে চর্বি জমতে দেয় না। খুব সহজেই শরীরকে ডিটক্সিফাই করে।

বিটরুটের পুষ্টি উপাদান ত্বক সুন্দর রাখে এবং চেহারায় বার্ধক্যের ছাপ কমায়।

কারা খাবেন না

বিটরুট শরীরের জন্য অনেক উপকারী হলেও একটানা নিয়মিত না খেয়ে সপ্তাহে ৪-৫ দিন খাওয়া ভালো।

যাদের নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা আছে তাদের জন্য বিটরুট ক্ষতিকর। কারণ এটি রক্তচাপ আরও কমিয়ে দেয়।

অনেকের বিটরুটে অ্যালার্জি হয়ে থাকে। যার ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি, জ্বালাপোড়া হতে পারে। অ্যালার্জির সমস্যা হলে এটি খাওয়া উচিত না।

যারা কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগছেন তাদের বিট খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ডায়াবেটিস থাকলে বিট খাওয়া যাবে না। বিটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অত্যন্ত বেশি। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাবে দ্রুত।

তাই যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত তারা বিটরুট খাদ্যতালিকায় রাখতে চাইলে অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেবেন।

 #কালিজিরার_তেলের_উপকারঃশরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগজনিত সমস্যার আশঙ্কা কমায়, ত্বকের ...
17/11/2024

#কালিজিরার_তেলের_উপকারঃ
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগজনিত সমস্যার আশঙ্কা কমায়, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, আর্থাইটিস ও মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী। কালিজিরা শরীরের জন্য খুব জরুরি। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।

কালিজিরা তেলে আছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। গবেষণা বলছে, রক্তচাপ ও রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করতে পারে এই তেল; অ্যাজমা ও ডায়াবেটিস রোগীরাও উপকার পেতে পারেন; ওজন কমাতে ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখতেও এই তেল সহায়তা করে। অন্যদিকে সৌন্দর্যচর্চায় দারুণ উপকারী এই তেল।

হারমনি স্পার আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা জানান, কালিজিরার তেল সরাসরি ত্বক ও চুলে ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এটি বেশ অম্লীয়। তাহলে ত্বক ও চুলের যত্নে কীভাবে কালিজিরার তেল কাজে লাগানো যায়, তা–ও বিস্তারিত জানান তিনি।

চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ও কম বয়সে চুল পাকা ঠেকাতে সমপরিমাণ কালিজিরার তেল, ক্যাস্টর অয়েল ও নারকেল তেল নিন। তিন রকমের তেল একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে লাগান। অন্তত আধা ঘণ্টা রাখুন। সারা রাত রেখে দিলেও ক্ষতি নেই। সপ্তাহে দু–তিনবার করে একটানা অন্তত দুই থেকে তিন মাস ব্যবহার করুন। সারা বছর ব্যবহার করলেও ক্ষতি নেই।
ত্বকের দাগছোপ কমাতে কালিজিরার তেল ও কাঠবাদামের তেল সমপরিমাণে নিন। এই দুটি তেল একসঙ্গে ভালোভাবে মেশালে ক্রিমের মতো হয়ে যাবে। এই ক্রিম তিন বেলা ব্যবহার করতে পারেন। একবার তৈরি করে বছরজুড়েই ব্যবহার করতে পারবেন এই ক্রিম। কাচের কৌটায় করে ফ্রিজে রাখলেই হবে। শীতে বাইরে রাখলেও ক্ষতি নেই। তবে দাগছোপ চলে গেলে এই ক্রিমের আর প্রয়োজন হয় না। আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত প্রকৃতির হয় কিংবা দাগছোপ খুব বেশি থাকে, তাহলে কাঠবাদাম তেলের দ্বিগুণ পরিমাণ কালিজিরা তেল দিয়ে ক্রিম তৈরি করতে পারেন।

ব্রণ দূর করতে সমপরিমাণ কালিজিরার তেল ও মধু নিন। হাত দিয়ে মিশিয়ে ব্রণের জায়গায় লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে সারা রাত লাগিয়ে রেখে সকালেও ধোয়া যায়। ব্রণ সেরে যাওয়া অবধি রোজ প্রয়োগ করুন। মিশ্রণ তৈরির পর রোজ ব্যবহারের জন্য কাচের কৌটায় করে রেখে দিতে পারেন।

ত্বকের ময়েশ্চারাইজারের জন্য ব্যবহার করতে চাইলে কালিজিরার তেল আর গ্লিসারিন সমপরিমাণে নিয়ে ভালোভাবে বিট করে ক্রিম বানিয়ে নিন। ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলে কিংবা একটু বেশি দাগছোপ থাকলে গ্লিসারিনের দ্বিগুণ পরিমাণ তেল নিন। তেলের সঙ্গে চাইলে অ্যালোভেরা জেলও মিশিয়ে নিতে পারেন। যতটা গ্লিসারিন নেওয়া হয়েছে, ততটাই জেল নিতে হবে। এই ক্রিম রোজ রাতে ত্বকে লাগাতে হবে। চাইলে দিনেও লাগাতে পারেন। সারা বছরের জন্য কাচের কৌটায় করে ফ্রিজে রেখে দিন। শীতকালে বাইরেও রাখতে পারেন। এই ক্রিম বলিরেখার জন্যও উপকারী।

কালিজিরার তেল খেতে চাইলে

কালিজিরার তেল খাওয়ার উপায় জানালেন রন্ধনশিল্পী সিতারা ফেরদৌস

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা–চামচ কালিজিরার তেল মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন।

মধু কিংবা তুলসী পাতার রসের সঙ্গে মিশিয়েও কালিজিরার তেল খেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ১ চা–চামচ কালিজিরার তেলের সঙ্গে মধু কিংবা তুলসী পাতার রস নেবেন ৪ চা–চামচ।

কমলার রস কিংবা পুদিনা পাতার রসের সঙ্গেও কালিজিরার তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রেও কমলার রস বা পুদিনা পাতার রস নিতে হবে ৩ চা–চামচ আর কালিজিরার তেল ১ চা–চামচ।

রান্নায় ফোড়ন দেওয়ার পরিবর্তে পদটি চুলা থেকে নামানোর আগে কালিজিরা তেল দিয়ে নিতে পারেন।

সেদ্ধ খাবার চুলা থেকে নামানোর আগেও কালিজিরা তেল যোগ করতে পারেন।

নানা রকম ভর্তা ও সালাদ বানাতে কিংবা মুড়ি মাখাতে শর্ষের তেল বা অন্যান্য তেলের বিকল্প হিসেবে কালিজিরা তেল কাজে লাগাতে পারেন।

   #প্রিমিয়াম_খেজুরপ্রিয় গ্রাহক চলে এসেছে প্রিমিয়াম মানের আরবসহ দেশ বিদেশে উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাতকৃত মেজদুল ও মরিয়ম খেজু...
16/11/2024

#প্রিমিয়াম_খেজুর
প্রিয় গ্রাহক চলে এসেছে প্রিমিয়াম মানের আরবসহ দেশ বিদেশে উৎপাদিত ও প্রক্রিয়াজাতকৃত মেজদুল ও মরিয়ম খেজুর। প্রতি কাটুন ১ কেজি করে।
জানেন তু খেজুর।কতই উপকারী স্বাস্থ্যের জন্যে।

~প্রতিদিন খালি পেটে খেজুর খেলে মিলবে ১০ উপকার
কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে থাকবে
মস্তিষ্ক সতেজ থাকে
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে
হাড় মজবুত হবে
হাঁটুর ব্যথা দূর হবে
চোখের সমস্যা দূর করে
পুষ্টির ঘাটতি পূরণ
গর্ভবতী মা ও সন্তানের জন্য উপকারী

এছাড়াও রয়েছে আরও উপকারিতা----

খেজুর কেবল সুস্বাদু ফল নয়, এর অনেক গুলো স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে, যা এটিকে স্বাস্থ্য-সচেতনদের জন্য একটি সুপারফুড হিসাবে উপস্থাপন করে। যারা প্রক্রিয়াজাত চিনি বা মিষ্টি খেতে চান না, তাদের জন্য খেজুর একটি পুষ্টিকর বিকল্প। বিশ্বব্যাপী খেজুরের প্রায় ৩০০০ প্রজাতি আছে। খেজুর কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, প্রোটিন এবং বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ গুলোর মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর। এছাড়া এটি আমাদের কি কি ভাবে উপকার করে সেটা এই ব্লগটিতে আলোচনা করা হলো।

খেজুর খাওয়ার উপকারিতাঃ

১. পুষ্টিগুণে ভরপুরঃ
খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেল। এতে ভিটামিন বি, নিয়াসিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, এবং ফলেটের মতো ভিটামিন রয়েছে। এছাড়াও এতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, এবং আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলও রয়েছে। এই উপাদানগুলো আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

২. শক্তি বৃদ্ধিঃ
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, এবং সুক্রোজ রয়েছে। এই প্রাকৃতিক চিনি গুলো শরীরে দ্রুত শক্তি প্রদান করে। যারা শারীরিক পরিশ্রম করেন বা যাদের কাজের জন্য প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়, তাদের জন্য খেজুর একটি আদর্শ খাবার।

৩. পরিপাকতন্ত্রের উন্নতিঃ
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে যা পরিপাকতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খাওয়ার ফলে পরিপাকতন্ত্র সুস্থ থাকে এবং খাবারের পুষ্টি উপাদানগুলি ভালোভাবে শোষিত হয়।

৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়ঃ
খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের একটি প্রধান কারণ। তাই নিয়মিত খেজুর খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়াও, খেজুরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

৫. অ্যানিমিয়া প্রতিরোধঃ
খেজুরে আয়রন রয়েছে যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। যারা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন, তাদের জন্য খেজুর অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত খেজুর খেলে রক্তশূন্যতার সমস্যা দূর হয় এবং শরীরে পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালিত হয়।

৬. হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যঃ
খেজুরে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস। এই উপাদানগুলো হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত খেজুর খেলে হাড় মজবুত হয় এবং দাঁতের রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

৭. মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধিঃ
খেজুরে রয়েছে ভিটামিন বি, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। যারা মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ ভুগছেন, তাদের জন্য খেজুর অত্যন্ত উপকারী।

৮. ওজন নিয়ন্ত্রণঃ
যদিও খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে, তবুও এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা খাবার হজমে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমায়। এছাড়াও, খেজুরে ক্যালোরির পরিমাণ কম হওয়ায় এটি ডায়েটের জন্য উপযুক্ত।

৯. ত্বকের স্বাস্থ্যঃ
খেজুরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি ত্বকের সজীবতা বজায় রাখে এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যা গুলো কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খেলে ত্বক উজ্জ্বল এবং কোমল থাকে।

১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ এবং রোগ থেকে রক্ষা করে। যারা নিয়মিত খেজুর খান, তারা সাধারণ ঠান্ডা, কাশি এবং অন্যান্য সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকেন।

১১. চুলের স্বাস্থ্য রক্ষাঃ
খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন বি, যা চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়। নিয়মিত খেজুর খেলে চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয় এবং চুল সজীব ও উজ্জ্বল থাকে।

১২. চোখের স্বাস্থ্যঃ
খেজুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং বিটা-ক্যারোটিন যা চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন রাতকানা, চোখের শুষ্কতা এবং চোখের অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে।

১৩. লিভারের কার্যকারিতা উন্নতিঃ
খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি লিভারের টক্সিন দূর করে এবং লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। যারা লিভারের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য খেজুর একটি উপকারী খাদ্য।

১৪. গর্ভাবস্থায় উপকারীঃ
গর্ভাবস্থায় খেজুর খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। এতে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান যা মা এবং শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষায় সাহায্য করে। খেজুর গর্ভাবস্থায় শক্তি বাড়ায় এবং গর্ভধারণের সময় শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

খেজুরের পুষ্টিগত গুণঃ
২৭৭ গ্রাম ক্যালোরি, ১.৮১ গ্রাম প্রোটিন এবং ০.১৫ গ্রাম মোট চর্বি সহ, খেজুর একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল যাতে ৬০.২৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি, ০.৩ মিলিগ্রাম ম্যাঙ্গানিজ, ০.৩৫ মিলিগ্রাম তামা, ম্যাগনেসিয়াম এবং ২৯২ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম মতো বিভিন্ন খনিজ রয়েছে। এগুলো উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সামগ্রীর কারণে অনাক্রম্যতা বাড়াতে এবং ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, আলঝেইমার এবং হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। খেজুর পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে উপকারী, বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা প্রদান করে।

সতর্কতাঃ
খেজুর যেমন শরীর পক্ষে উপকারী তেমন মনে রাখতে হবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না। কারণ খেজুরে গ্লুকোজ আছে এবং সেটি খেতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
এছাড়াও খেজুরে আছে পটাশিয়াম, যাদের শরীরে পটাশিয়াম বেশি তারা নিয়মিত খেজুর খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ডাক্তার পরামর্শ নিয়ে কাজ করুন।
খেজুরের মতো শুকনো ফলে ছাঁচ থাকে তাই যাদের হাঁপানি আছে তাদের এড়িয়ে চলা।

উপসংহারঃ
খেজুর একটি প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর ফল যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় খেজুর অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। তবে ক্ষেত্রবিশেষে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে করা উচিত। খেজুর খেলে শরীর সুস্থ থাকে এবং আমরা আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে আরও সক্রিয় হতে পারি। খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারি।

 #হানি_নাটস বা মধুময় বাদাম।ইন্টারনেট দুনিয়ায় ট্রেন্ডিং স্ন্যাক্সস হানি নাটস। যা রীতিমতো ভাইরাল। এটি মূলত মধুমাখা বাদাম। ...
16/11/2024

#হানি_নাটস বা মধুময় বাদাম।
ইন্টারনেট দুনিয়ায় ট্রেন্ডিং স্ন্যাক্সস হানি নাটস। যা রীতিমতো ভাইরাল। এটি মূলত মধুমাখা বাদাম। এটি পুষ্টিকরও বটে। বেশ কয়েক ধরনের বাদাম ও শস্য দানার সমন্বয়ে মধু মাখিয়ে এগুলো খাওয়া হয়। যা এখন কৌটায়ও বিক্রি হচ্ছে। প্রাচীনকাল থেকে এই খাবার জনপ্রিয়। কিন্তু অতি সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে।
হানি নাটস হলো মধু ও বাদাম, আখরোট, কাজু, চিনাবাদাম, কুমড়ার বীজ, পেস্তা, খেজুর, এপ্রিকটস এবং শুকনো ডুমুরের একটি সুস্বাদু মিশ্রণ। সু-স্বাদের পাশাপাশি অনন্য মিশ্রণটি পুষ্টির একটি পাওয়ার হাউসও, যা দেয় প্রচুর স্বাস্থ্য সুবিধা।

প্রতিদিন এক মুঠো ড্রাই ফ্রুট খাওয়া শুধুমাত্র একটি ভালো অভ্যাসই নয়। এটি আমাদের পিতামাতা এবং পুষ্টিবিশেষজ্ঞ উভয়ের কাছ থেকেই পাওয়া সুপারিশও।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতো, হানি নাট শুধু একটি সুস্বাদু খাবার নয়; এটি আমাদের শরীরকে ফিট রাখতে এবং শক্তি জোগাতে একটি আদর্শ স্ন্যাকস। বাদাম, আখরোট, কাজু এবং আরও অনেক কিছু থেকে পাওয়া প্রোটিন, প্রয়োজনীয় তেল এবং খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ একটি খাবার, যা সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।

মধু এবং শুকনো ফলের সংমিশ্রণ স্বাদে অনন্য। এই শক্তিশালী মিশ্রণটি শরীরে এনার্জি দেয়, পাশাপাশি ইমিউন সিস্টেম বাড়ায়। মধু প্রোটিন, খনিজ, গুড ফ্যাট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যোগান দেয়।
হানি নাটসের উপকারিতা

১. ইমিউনিটি বাড়ায়: মিশ্রণটি জিঙ্ক, আয়রন এবং ভিটামিন-বি এর মতো প্রয়োজনীয় পরিপূরক প্রদান করে আমাদের ইমিউনিটি বাড়ায় বা প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সাহায্য করে।

২. মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করে: বাদাম সবসময়ই মস্তিষ্ক-বর্ধক বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এটি যখন মধুর সাথে মেশানো হয়, তখন স্মৃতিশক্তি, মেধা এবং অনুভূতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. হার্টের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে: ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ফাইবার একত্রিত হয়ে মিশ্রণটি বাদাম ও আখরোট থেকে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

৪. ত্বকের উন্নতি করে: নিয়মিত হানি-নাট খেলে ত্বক (স্ক্রিন) স্বাস্থ্যকর হয়। সরাসরি দাগের উপর মধুর প্রয়োগ বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। বাদামে থাকা ভিটামিন-ই দেয় কোমল এবং স্বাস্থ্যকর ত্বক।

৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে: মধু এবং শুকনো ফল স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। যারা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ওজন বাড়াতে চান এক মুঠো মধু-বাদাম তাদের সারাদিন শক্তি জোগাবে।

৬. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: আমাদের ব্যস্ত জীবনে, হানি-নাট হতে পারে আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকার একটি অংশ। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং ঘুমাতে সহায়তা করে। শোয়ার আগে শুকনো ফল সহ এক গ্লাস দুধ একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

পপকর্ণ ও মাশরুম
17/10/2024

পপকর্ণ ও মাশরুম

আলহামদুলিল্লাহ কান্দাহার চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছর এই প্রদেশ থেকে 37 মিলিয়ন ডল...
12/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ
কান্দাহার চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছর এই প্রদেশ থেকে 37 মিলিয়ন ডলার মূল্যের 12,000 টনের বেশি আবজুশ কিসমিস অন্যান্য দেশে রপ্তানি করা হয়েছে।
location :Kandahar /aafgan

প্রিয় কাস্টমার বৃন্দ আপনারা কক্সবাজার জেলায় পাচ্ছেন অনন্যা অসাধারণ কিছু অর্গানিক প্রোডাক্ট, ১) ঘী২) মধু৩) সরিষার তেল৪) ব...
08/09/2024

প্রিয় কাস্টমার বৃন্দ আপনারা কক্সবাজার জেলায় পাচ্ছেন অনন্যা অসাধারণ কিছু অর্গানিক প্রোডাক্ট,
১) ঘী
২) মধু
৩) সরিষার তেল
৪) বাদাম,
৫) হানি নাট
৬) সিয়াসীড
৮) কালোজিরা
৯) কিসমিস ও
১০) আতর সহ দেশী-বিদেশী নানান পণ্যে।স্বাদে যেমন এর কোন তুলনা নেই অপরদিকে সুস্বাস্থ্যের জন্যেও এর কোন বিকল্প নেই।সুস্থ ও রোগাক্রান্ত শরীরের জন্যে অত্যাধিক উপকারে এসব পণ্যে পাচ্ছেন আমাদের পেইজে।এই সুযোগে কেউ অর্ডার করলে জানান দ্রুত।
মূল্যে ছাড় দেওয়া হবে।
যোগাযোগঃ 01770486865 (WhatsApp Available)

Address

Cox's Bazar-Teknaf Highway Road
Ukhiya
4750

Telephone

+8801816259083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ummah Store-উম্মাহ স্টোর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share