23/03/2025
আমার সঙ্গে যারা প্রেম করে প্রত্যেকেই লাখ লাখ টাকা দেয় , iphone 16 pro Max দিতে হয় । আমি সাধারণত এক সপ্তাহের বেশি বয়ফ্রেন্ড রাখি না , যারা এফোর্ট করতে পারে তারা টিকে যায় । এরপরেও তার অনেকগুলো বয়ফ্রেন্ড আছে ।
এক তরুণী ঈদের মার্কেট করতে এসেছেন , খুব গর্বের সঙ্গে একটা মিডিয়ায় বলে বেড়াচ্ছেন এসব কথা । শুধু তাই নয় , ওই মেয়ে সঙ্গে করে নাকি বোন এবং ভাগ্নে কে নিয়ে এসেছেন কেনাকাটা করে দেবেন বলে । অথচ নিজে কোন জব করেন না । লন্ডনে থাকা বয়ফ্রেন্ড এক লাখ টাকা দিয়েছেন । এর আগে অবশ্য ওই বয়ফ্রেন্ড তাকে ঈদের মার্কেট একবার করেও দিয়েছেন । অন্যদিকে মার্কেটে আরো একজন বয়ফ্রেন্ড আসবেন যিনি আজকে ঈদের কেনাকাটা করে দিবেন ।
এখানে দায় কার ? পরিবারের সদস্যরা জানেন এই মেয়ে কোন জব করেন না । বয়ফ্রেন্ডের টাকায় চলেন । এরপরেও দলবেঁধে কেনাকাটা করতে এসেছেন । অর্থাৎ জেনেবুঝেই তারা মেয়েকে ওই পথে নামিয়েছেন । 😇
সপ্তাহান্তে ভালো রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া, আইফোনে ছবি তোলা , ভালো ভালো ড্রেস- এইতো ! নিজে যে বিক্রিত পণ্য , এই বোধটুকু অবশ্য তাদের নেই । থাকবেই বা কি করে ? আমরা তো নির্লজ্জতা , বেহায়াপনার শেষ সীমায় পৌছে গেছি । 😇
আরও একটা ভিডিও দেখলাম। যেখানে একটি মেয়ে ঠিক যেন বাঙালি নারীর প্রতিচ্ছবি । যে কখনও বাবাকে ভালোবাসি শব্দটা বলতে পারে না । মাত্র চার অক্ষরের একটা শব্দ বলতে গিয়ে অঝোরে চোখের পানি পড়ছে । যে শব্দটা বলতে গিয়ে বারবার গলা ধরে আসে , লজ্জায় নিজের বাবার কাছেই মুখ লুকাতে হয় । কান্নাও যে সুন্দর হয় , অশ্রুসমেত চেহারায় তন্ময় হয়ে তাকিয়ে থাকা যায় , তা এই মেয়েটি দেখিয়েছে ।
আর বাবা বলছিলেন- ওদের সুখেইতো আমি জীবন্ত থাকি। ভালোবাসার বেহেস্তি চাদরে মুড়িয়ে সুখে দিনাতিপাত করি। এইতো চাই- সন্তানরা ভালো থাকুক, হাসিতে থাকুক।
একটা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ভেতরের গল্প টা ঠিক এমনই । মেয়েকে বাজারী পণ্য করেননি । নিজের শ্রম-ঘামে যতটুকু হয় , ঠিক ততটুকেই লেপ্টে দিয়েছেন ভালোবাসায় ।
দুনিয়ার সবাই মধ্যবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্ত থাকবে না- এটাই স্বাভাবিক । সামর্থ থাকলে ঈদের কেনাকাটায় ১০ লাখ খরচ করুক , কারও সমস্যা নেই । কিন্তু জোড় গলায় বাজারে বিক্রি হয়ে নিজের ঢোল পিটানোয় লাভটা কী ?
আর মিডিয়া কিছু ভিউয়ের জন্য এসব