03/04/2026
ছাত্রনেতা থেকে জাতীয় নেতা ইলিয়াস আলী ভাই। ইলিয়াস ভাইয়ের গুম হওয়া এবং নৃশংস হত্যাকান্ডের পর ইবলিসের দল লাশ ভাসিয়ে দেয় ধলেশ্বরীতে। অ্যাপস্টেইনের মত হাসিনা ফাইল ওপেন হচ্ছে ধীরে ধীরে।
১২ সালের ঘটনা। বেগম খালেদা জিয়া তাবলীগ জামাতের মোনাজাতে অংশ নিতে যান তুরাগ পাড়ে। ম্যাডাম আমাকে ফোনে নির্দেশ দিলেন- তুমি সকালেই যাও নবীগঞ্জ-বাহুবলে। উপ নির্বাচনে শেখ সুজাত মিয়ার পক্ষে কাজ করো। সকাল সাতটায় রওনা দিয়ে পৌঁছে গেলাম জোহর বাদ। ইলিয়াস আলী ভাই ছিলেন নির্বাচন সমন্বয়কারী। প্রয়াত আবদুল্লাহ আল নোমান স্যার সহ কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন। সুজাত সাহেবের ঘরে পৌঁছেই আমি ছাত্রদলের দু'জন আর জাসাস এর একজনকে নিয়ে প্রচারনায় চলে গেলাম। হ্যান্ড মাইক নিয়ে বাজারে পথে প্রান্তরে নির্বাচনী কাজ করলাম। বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বাবু গৌতম চক্রবর্তী, বাবু নিতাই রায় চৌধুরী ছিলেন নির্বাচনী কাজে, আমি ছিলাম অ্যাসাইনমেন্টে। আমরা উঠোন বৈঠক আর পথসভা গুলোকে দেখেছি জনসভা হয়ে যেতে।
রাত গভীর, ফেরত আসতে হবে। শেখ সুজাত মিয়া পথ আটকে বললেন- আপনি আরেকটা দিন থাকেন প্লীজ। আমি নিরুপায়, ম্যাডামের তৎকালীন প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল ভাইকে ইলিয়াস ভাই ফোন দিলেন। ম্যাডাম বললেন আসিফের হবিগঞ্জে কাজ শেষ, সে এখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাবে শ্যামলের ইলেকশনে। ইলিয়াস ভাই বললেন- ম্যাডামের অর্ডারে আসিফকে চলে যেতে হবে। ইলিয়াস ভাইয়ের আনুগত্য ছিল দল এবং দেশের প্রতি, কিছুটা সান্নিধ্য পেয়েছিলাম মানুষটার। তিনি ছিলেন প্রকৃত জাতীয়তাবাদী সৈনিক। উনার অন্তর্ধানের আসল খবর শুনে অনেক কষ্ট পেয়েছি। মহান আল্লাহ্ ইলিয়াস আলী ভাইয়ের আত্মাকে শান্তি দিন, তাঁর পরিবারকে এই শোক বইবার শক্তি দিন।
আমিন।