Afi akter saru- আফি আক্তার সারু

Afi akter saru- আফি আক্তার সারু কল্পনার জগতের অধিবাসী। নিজের কল্পনাকে লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরার মাঝে অপরিসীম তৃপ্ততা মিলে । 🌜🦢🤌🏻🧿(আফি

16/06/2025

এই পেজ গল্প আসতে দেরি হবে কারণ তোমাদের রেসপন্স দেখে গল্প দিতে ইচ্ছা করছে না

গল্প:-  #দ্যা_অবশেসন লেখনীতে:-  #আফি_আক্তার_সারু   (19)✍️🍂👀চেরি ব্লসম সারুকে ওর রুম দেখিয়ে দিয়ে হলরুমে আসো, বলেই বড় বড়...
16/05/2025

গল্প:- #দ্যা_অবশেসন
লেখনীতে:- #আফি_আক্তার_সারু
(19)

✍️🍂👀

চেরি ব্লসম সারুকে ওর রুম দেখিয়ে দিয়ে হলরুমে আসো, বলেই বড় বড় ধাপ, ফেলে বেরিয়ে যায় কক্ষ থেকে ঈশান। আফিও সারুকে ওর রুম দেখাতে নিয়ে গেল। গেস্ট রুমে প্রবেশ করে আফি ও সারু। আফি রুম দেখিয়ে বলে। "আপু এটাই আপনার রুম। আপনি তৈরি হয়ে নিচে আসেন আমি বরং নীচে যায়।"-"- বলেই চলে যায় নীচে যাওয়ার উদ্দেশ্যে

পা বাড়াতে গেলে সারু বলে দাঁড়াও আফি।'

আফি পা থমকে যায়। পিছন ফিরে তাকায় সারুর পানে। সারুর চেহারায় এতক্ষন শান্তভার প্রকাশ পেলেও এখন যেন কেমন হিংস্রতায় তা পরিণত হয়েছে। আফি একটু ভরকে গেল। " আমার মনে অনেক শান্তি তাই না ।আফি কিন্তু সেটা শুধু কিছুক্ষণের জন্য বরাদ্দ কারণ আমার জিনিসকে আমি শ্রীঘ্রই নিজের করতে যাচ্ছি।” ।" সারুর কথাতে খারাপ কিছু ঘটার আভাস পেল আফি। কিন্তু সারু কী বলছে কিছুই তার ছোট মস্তিষ্কে খেলছে না।

"মানে।" (আসিফ)

"ঈশান শুধুই আমার।"

সারুর কথাতে তাচ্ছিল্য হাসি হাসল আসি। আফি এমনটা প্রথম থেকেই বুঝতে পেরেছিল যে এই মেয়ের কুনজর আছে ওর স্বামীর প্রতি। আফি বলতে থাকে-

ঈশান তালুকদারকে আমি তিন ক কবুল বলে হালাল সম্পর্ক স্বন্ধনে বিয়ে করেছি। তাহলে ইশান আপনার কিভাবে হয় ***আপু। ঈশান শুধুই আফির। আজ ঈমানের মনে -
-মস্তিষ্কে শুধুমাত্র আফি বিচরণ করে।"

আফির কথাতে রাগে চোখ লাল হয়ে উঠলো সারুর । তেজ নিয়ে বলল "তোমার প্রতি ঈশানের এই আত্মবিশ্বাস এটাই ভাঙবো আমি প্রথমে।"

"দেখা যাক কে কাকে ভাঙে।” বলেই এক চোখ টিপে বেরিয়ে ... যাই আফি রুম থেকে। সারুকে তো অনেক কথায় বলে আসল আফি তাও যেন এক অজানা ভয় কাজ করছে মনে। আফি জানে না ঈশান তাকে বিশ্বাস করে কিনা কিন্তু এটা তে আফি নিশ্চিত যে ঈশান আর যাই হোক অবিশ্বাস করবে না তাকে।

বিয়ের স্টেজে একা বসে আছে ইউভান। কারণ সাইলা এখনো আসেনি। যখন থেকে শুনেছে সাইলা ক্রাশের কথা তখন থেকে ক্ষেপে আছে ইউভান। বউ তার, ত, তাহলে বউয়ের মনখারাপূ কেন হবে অন্য কারোর জন্য। একটা বউকে দুবার বিয়ে করছে তাহলে, ওর বউয়ের হাসি-কান্না, যন্ত্রণা, কষ্ট-দুঃখ সব ইউভানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। ঠিক তখনই হলঘরের সমস্ত, লাইট বন্ধ হয়ে যায়। চারিদিকে বিরাজ করছে নিশির মতো অন্ধকার। তখনই সদর দরজার দিকে সমস্ত ফ্লাশ লাইট স্পট করে। তখনই দেখা মেলে লাল লেহেঙ্গা পরিহিতা এক অপসরার আর মিউজিক বাক্সে গান বাজছে

- Saari duniya se jit Ke mein ayi hu ichin Tere age hi main hasia kiya turné kya asaro Main dill ka raj Kehti hu ki ki jab jab Sassen beti hu, tera hi naam leti hu, yeh tune kya kiyon

সইলার এইরকম Bridal entry-তে ইউভানের সব রাগ অভিমান কমে গেল। সেও সাঈলায় নিকটে এগিয়ে এসে সাঈলার হাতে হাত রাখল। অমনি সাঈলা ফিসফিসিয়ে l ইউভানের কানে বলল-"you are looking" damn hot hubby সইলার এহেন কথাতে চারিদিকে চোখ বোলালো ইউভান কেউ শুনে ফেলেনি তো? এই মেয়ে কোনো দিন শুধরাবে না।

পর্দার একপাশে ইউভান আর অন্যপাশে সাঈলা বসে আছে। কাজি সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করে দিয়েছে। বিয়ে শেষে সবাই আল্লাহর দরবারে হাত পাতলো। মোনাজাত শেষ করেই সকলে একসাথে আলহামদুল্লিাহ বলল।

আফি আয়েশা খোঁজার উদ্দেশ্যে এদিক-সেদিক ঘুরছে কিন্তু আয়েশার দেখা মিলছেনা। হঠাৎ কেউ আফির হাত ধরে পাশের রুমে টানে। অকস্মাৎ কান্ডে ভরকে যায় অফি চোখ ভুলতেই দেখা মিলে চিরচেনা l

"কি হলো, এমন করে টানলেন কেন?” (অফি)

"কারন বাইরে আমার বউ আছে। তাই চিপায় চিপায় বেয়াইনের সাথে প্রেম করার ধান্দায় এসেছি।" (ঈমান)

"কি বলছেন বাইরে বউ আছে মানে।" অবুঝের মতো এমন প্রশ্ন করলো আফি।

***--***************

"আমি রিবাহিত পুরুষ। কিন্তু চোখের সামনে এমন হ্ট বিয়াইন ঘুরে বেড়ালে, কিভাবে নিজেকে কনট্রোল করি বলেন বেয়াইন সাহেব। পুরুষত্ব বলেও তো কিছু আছে তাইনা।

"ছিঃ ছিঃ কি অশ্লীন কথাবার্তা বেহাই সাহেক। বউ রেখে বেয়াইনের সাথে এই সব ।যাই হোক আমারও স্বামী বাইরে আর সাথে এইসব। তবে আপনারও বউ বাইরে তাহলে আমাদের এই চিপায় চিপায় প্রেম ভালো জমবে বেহই সাহেব কি বলেন! আর আমার হাসবেন্ড ও একনাম্বারের আনরোমান্টিক লোক আর এদিকে আপনি ফ্লাটিং কিং আর হ্যান্ডসামও কম না আপনার সাথে তো প্রেম করাই যাই।"- আফির কথা শুনে ঠোঁট কামড়ে হাসল ইশান।

"তো কি বলেন বেয়াইন সাহেবা হয়ে যাক এক রাউন্ড।" বলেই তার কাছে আসতেই আফি ঈশানের কথা অর্থ বুঝতে পেরে নিজেকে ছাড়িয়ে কক্ষ থেকে বের হতে হতে বলে- "অসভ্য লোক। এতই যদি ইচ্ছা তাহলে বউয়ের সাথে করেন গা অযথা আমার পিছে সময় অপচয় না করে। কারণ আমার স্বামী যা ডেঞ্জারেস একেবারে খুন করে ফেলবে আপনাকে ।ঈশানও ঠোঁট প্রসারিত করে হাসল। আবার মুহূতেই চুপ হয়ে গেল। সে এখানে বউয়ের সাথে রোমান্স করব বলে আসল আর বউ তার ফাঁকি দিয়ে চলে গেল। এটা মানা যায় না। শোন সুদে-আসলে শোধ তুলে নিবে তার চেরি ব্লেসসের কাছ থেকে।

#চলমান

"* ( গল্প লেখার আগ্রহ হারিয়ে যাচ্ছে কেও কোনো রেসপন্স করছে না )

গল্প:-  #দ্যা_অবশেসন লেখনীতে:-  #আফি_অক্তার_সারু   :- 18রাত ১২:০৪ am বাজছে ঘড়ির কাঁটায়, সাইলাকে ঘিরে সবাই জড়ো হয়েছে। এ...
16/05/2025

গল্প:- #দ্যা_অবশেসন
লেখনীতে:- #আফি_অক্তার_সারু
:- 18

রাত ১২:০৪ am বাজছে ঘড়ির কাঁটায়, সাইলাকে ঘিরে সবাই জড়ো হয়েছে। এখন সবাই মেহেদি পড়াতে ব্যস্ত। সাইলার মেহেদি দেওয়া প্রাইয় শেষের দিকে। সাইলা বাঁহাতে বড়ো করে ইউভানের নাম লিখেছে। ইউভানও বাচ্ছামো করে হাতে সাঈলার নাম লিখেছে। আর অন্যদিকে তুষার তার এলোকেশীর হাতে খুব সুন্দর করে মেহেদী দিয়ে দিচ্ছে। সবাই মুগ্ধ চোখে তুষার আর আয়েশার প্রেম দেখছে। আহা কি প্রেম! এইসবের মাঝে আয়েশা বলে উঠলঃ * সাইলা আপু একটা গান বলো তো শুনি?

আয়েশার কথাতে সাইলা গলা খাঁকারি দিয়ে কেশে গলা পরিষ্কার করে বলতে আরম্ভ করল তার সাথে সবাই সুর মেলাচ্ছে।

"তুমি তো আমায় ছেড়ে, চলে গেছো অনেক দূ심ে, সুখে আছো শুনলাম আমি, ভাসাইয়া আমায় সুরে, কতোটা জন্ত্রণাময়, প্রতিরাত জেগে থাকি, তোমার স্মৃতি অন্তরেতে ভাজে ভাজে সাজিয়ে রাখি

গানের মাঝেই কারও গম্ভীর গলাতে গান থামে সাইলার। সামনে ইউভান ভ্রুজোড়া কুঁচকে দাড়িয়ে আছে।

কতো কষ্ট কিসের তোমার 2nd hand বউ?" (ইউভান) ইউভানের কথাতে পাত্তা না দিয়ে সাঈলা বলল।

"তো কষ্ট হবে না ক্রাশকে ছেড়ে আপনাকে বিয়ে করতে হচ্ছে আর আমার কষ্ট হলেই দোষ"

ইউভান জানে এই মেয়ে তাকে রাগানোর জন্য এমনটা করছে। তাই সেও কথা বাড়ালো না। আফি মেহেদি লাগায় নি
হাতে কারণ তার মেহেদিতে এলার্জি।

************************

আজ সাইলা আর ইউভানের বিয়ে তাই বাড়ির বড়ো বউমা হওয়ার সব দায়িত্বই পালন করছে আফি। একবার এদিকে তো আরেকবার ওদিকে ছোটাছোটি করছে আর সবাইকে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছে। ঠিক তখনই কারোর বলিষ্ঠ বুকে বাক্কা লাগাতে আফি পড়ে যেতে গেলে শক্ত হাতে কেউ আফিকে ধরে ফেলে। ঠিক তখনই দুজোড়া চোখের সংঘর্ষ ঘটে। আফির মনে হল যেন সে এই দুটো চোখকে চিনে খুব ভালো করেই চিনে। তখন ছেলেটি আফিকে দাঁড় করায় সামনে। আফি এখনো ঘোরের মধ্যেই আছে। কোথায় যেন দেখেছে সে এই ছেলেকে ঠিক মনে পড়ছে না! আফিকে এভাবে চিন্তায় দেখে মনে মনে ক্ষীণ হাসল ছেলেটি। "মায়াবী" কেমন আছো?"

ছেলেটির মুখ থেকে মায়াবী নাম শুনে হতভম্ব হয়ে পড়ে আফি
আলেক্স!” (অবাক হয়ে),
! "তাহলে মনে دو আছে তোমার মায়াবী

"ভ্রু নাচিয়ে জানতে চাইলো অ্যালেক্স। আফিও সংকোচহীন ভাবে বলল - "মনে কেন থাকবে না তোমার কথা হ্যাঁ, তুমি তো আমার ছোটোবেলাকার ব্রেস্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু তুমি হঠাৎ এখানে
কিভাবে।"

"অ্যালেক্স নেশাক্ত চোখে তাকিয়ে আছে আফির দিকে সে আপাতত ভাবছে আফি এত এত মায়াবী কেন"?

---------+-----------------+++++--

অফির রূপে বরাবরই চোখ ধাঁধিয়ে যাই অ্যালেক্সের আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অ্যালেক্স কিছু একটা বলতে যাবে তখনই একটা মেইড এসে জানায় যে "ম্যাম! স্যার আপনাকে রুমে যেতে বলল এখুনি।" মেইডের কথা শুনে আফি তাড়াহুড়ো করে অ্যালেক্সকে কে বলল-সরি অ্যালেক্স। তোমার সাথে বরং পরে কথা বলব নাহলে উনি রাগ করবেন।

” **"উ নি' মানে কে আফি?" " (Alex).

"আমার হাসব্যান্ড ঈশান তালুকদার। উনি হয়তো জামা খুঁজে পাচ্ছেন না তাই হয়তো আমাকে ডেকেছেন।” বলেই হন্তদন্ত পায়ে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল আফি। অ্যালেক্স শুধু আফির পানে তাকিয়ে ব্যাথাতুর গলায় আর্তনাদ করল-তুমিহীন জীবনে দম বন্ধ হয়ে আসছে আমার আফি, সেদিন যদি আমিও তোমার কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা ফিরিয়ে নিতাম তাহলে হয়তো আমায় এহেন আগুনের দহনে পুড়তে হতো নাহহ। তুমি আমার র কাছে কাছে মায়াবী মানবী আফি। তোমাকে দেখার মাঝে অপরিসীম শান্তি মেলে মায়াবী। ঈমানের জন্য তোমার সকল দায়িত্বে আজ আমার জন্য বরাদ্দকৃত থাকার কথা ছিল আফি। কেনো আর একটু অপেক্ষা করলেনা না মায়াবী?"

*********************************

মাস্টার্ড বেডরুমে ঢুকে ঈশানকে পরিপাটিভাবে রেডি থাকতে দেখে কপালে ভাঁজ পড়ে আফির।

"কেন ডাকছিলেন?"

"এমনি-এমনি।" গা ছাড়াভাব নিয়ে নিজের চুল সেট করতে করতে বলল ঈশান। ঈশানের কথা শুনে রাগকে দমিয়ে রাখতে পারল না আফি তাই রুক্ষ গলায় বলল-

"তাহলে আমাকে ডাকলেন কেন? আপনি জানেন আমি এক প্রকার দৌড়ে এসেছি আপনার ডাকে।"

আফির কথা শুনে ক্ষীন হাসল ঈশান। আফির কোমরে হাত পেঁচিয়ে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে বলতে থাকে "আমি তো এটাই চাই, চেরি ব্লসম।" - বলেই আফির চুলে মুখ গুজে ঈশান। তখনই কারোর পদক্ষেপের আওয়াজে টনক নড়ে আফি। এক সেকেন্ডে ঈশানের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে চুল ঠিক করে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালায় আফি এই লোককে নিয়ে পারা যায় না। যখন তখন শুরু হয়ে যায়।" মনে মনে, মিনমিন করে আওরালো আফি। ঠিক সেই সমুহূতে প্রবেশ করে সারমিন চৌধুরী সারু। ঈশানের ছোটবেলাকার বেস্ট ফ্রেন্ড বলা চলে সারুকে। তখন, ইউভান, ঈশান আর সারু ছোটো থেকেই একসাথে বড়ো হয়েছে রাশিয়াতে কিন্ত ছয় মাস আগে ঈশান ইন্ডিয়া ব্যাক করেছিল জরুরি কাজে কিন্তু সারুর ধারণাটা ছিল না ।যে তার ভালোবাসা ঈশান ইন্ডিয়াতে এসে বিয়ে করে সংসার করবে। হ্যা সারু ছোট থেকে ঈশানকে মন প্রাণ উজাড় করে ভালোবাসে। যখন থেকে সে ভালোবাসার মানে কি তাই জানত না ঠিক তখন থেকে সারু ঈশানকে নিঃস্বার্থে ভালোবেসে গিয়েছে। কিন্তু ঈশান সারুকে শুধুমাত্র বোনের নজরেই দেখে এসেছে। কিন্তু সারু এত সহজেই তার ভালোবাসার বিসর্জন দিবে না সে কিছুতেই ঈশানকে ছাড়বে না।

সারু রুমে প্রবেশ করেই ঈশানের গলা পেঁচিয়ে ধরল। অকস্মাৎ ঘটনাই অবাক হল ঈশান, আফি। সারু জড়িয়ে ধরা অবস্থায়ই বলল-"আই মিস ইউ জা lন!" চেনা কন্ঠস্বর শুনে বিরক্তিকর চাখ শান্ত হল।

"আরে সারু কখন আসলে তুমি? আমাকে বলতা আমি ডাইভার পাঠিয়ে দিতাম।" -ঈশানকে ছেড়ে ঈশানের মুখোমুখি দাঁড়ায় সারু। আড়চোখে একবার আফি কে দেখে নেয় যে এতক্ষণ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাদেরকেই পযাবেক্ষন করছিল। সারু আফির কাছে এগিয়ে গিয়ে বলল-"তুমি আফি তো তাই না।"

"জ্বি, আমিই আফি কিন্তু আপনি

"আমি ঈশানের ফিয়ন্সে)" কথাটা কণপাত হওয়ার সাথে সাথে আফি অবাকের কয়েকধাপ পেরিয়ে ঈশানের পানে দৃষ্টিপাত করে। ঈশান স্বাভাবিক যেন এখানে কি হচ্ছে

কিছুই খেয়াল নেই-তার নিজের মতো ফোন কল করছে। " ফিয়ন্সি মানে " ভ্রুজোড়া কুচকে জানতে চাইল আফি। رو

"আরে আরে রিলেক্স! আই'ম কিডিং উইথ ইউ আফি।” বলেই উচ্চস্বরে হাসতে থাকে সারু সাথে সাথে ঈশান ও ক্ষানিক হাসে। আফি কিছুই বুঝতে পারছে না কি হচ্ছে এখানে। সেও জোরজবর দস্তি হেসে দেয় তাদের সঙ্গে।

#চলবে
*******************

( আমি একটু ব্যাস্ত আছি তাই ছোট করে পার্ট দিলাম আজ আবার আরেকটা পার্ট পাবে)
د

গল্প :-  #দ্যা_অবশেসনলেখনীতে:-  #আফি_অক্তার_সারু :-(17)✍️🍂আজ তালুকদার মেনশন জাঁকজমকপূর্ণ করে সাজানো হয়েছে। তালুকদার বংশে...
14/05/2025

গল্প :- #দ্যা_অবশেসন
লেখনীতে:- #আফি_অক্তার_সারু

:-(17)

✍️🍂

আজ তালুকদার মেনশন জাঁকজমকপূর্ণ করে সাজানো হয়েছে। তালুকদার বংশের ছোটো ছেলের বিয়ে বলে কথা। দেশের ও দেশের বাইরের সবরকম বিজনেস ম্যানরা ইনভাইট তালুকদার ম্যানশন এ। আজ সাইলা ও ইউভান এর হলুদ সন্ধ্যা আজ। সাইলাকে পার্লার থেকে বিউটিসান এসে সুন্দরভাবে সাজিয়ে দিয়েছে পরনে হলুদ লেহেঙ্গা। মাশাল্লাহ অনেক মানিয়েছে সাইলাকে। আজ অনুষ্ঠানের theme হবে হলুদ ড্রেস।

তুষার সাবেমাত্র সাওয়ার সেরে বাইরে এসে দেখে তার এলোকেশী তার জন্য সর্বকিছু ড্রেস রেডি করে রেখেছে। ইদানিং তার বউয়ের মধ্যে বউ বউ ভাব ফুটে উঠেছে। হাসতে হাসতে বেডের উপর থেকে সেরোয়ানি পড়তে পড়তে আয়েশাকে ডাক দিলো তুষার

"এলোকেশী, এলোকেশী! এত মানুষের মাঝে তুষারের দেওয়া ব্যাক্তিগত নামে ডাকাতে আয়েশা লজ্জা পেল খানিকটা। সামনে মুরুব্বি মানুষ বসে আছে আর এই লোক তাকে( এলোকেশী) বলে ডাকছে

-------------------------+

আজ আফিদের পরিবারেরও সবাই উপস্থিত তালুকদার বাড়িতে। এইমাত্র তারা পৌছেছে তাই আয়েশা দেখা সাক্ষাৎ করছিল তার , আম্মু , আব্বু, বড়আম্মু, বড়আব্বু ,ভাই সবার সাথে আর এই সময় ডাক পড়ে তুষার এর। হেসে সুফিয়া বিবি (আয়েশার আম্মু) বলে উঠলেন "যা তুই জামাই তোকে ডাকছে।

আয়েশা রুমে প্রবেশ করতে করতে বলল- "কি হয়েছে? সব তো আমি বাইরে রেখে গিয়েছিলাম।"

আয়েশার কথা শুনে পিছন ফিরে তাকালো তুষার। অমনি দেখা মেললো কালো ঘন চুলের মালিকের। পড়নে হলুদ শাড়ি আয়েশা হলুদ ফর্সা হওয়ায় ভালোই মানিয়েছে গায়ে। একেবারে আকাশ থেকে নেমে আসা পরীর ন্যায় লাগছে তুষারের এলোকেশীকে।

"আমার সেরোয়ানির বোতাম লাগিয়ে দাও!" (তুষার)

"আপনি এটার জন্য আমাকে ডাকলেন?" (আয়েশা)

"হুমম। আমার বউকে আমি ডেকেছি তাতে তোমার কি?” আয়েশা আলতো হাতে তুষারের বোতাম লাগিয়ে দিচ্ছে আর তুষার ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তার এলোকেশীকে, পর্যবেক্ষন করছে। আয়েশার কাজল কালো আঁখিতে বরাবরই তুষার চোখ আটকে যায়। কি আছে এই চোখে! কেন বারবার তুষারকে বেহাল করে দেয় এই একজোড়া চোখ।

"হয়ে গিয়েছে। এবার চলুন তারাতাড়ি ফাংসান শুরু হয়ে যাবে?? বলেই রুম থেকে বেরোনোর উদ্দেশ্যে পা বাড়াতেই তুষার খোপ করে আয়েশার হাত ধরে ফেলে। নিজের কাছে টেনে বলে।

এলোকেশী। You are looking like a angle. বলেই আয়েশার চল কানে গুজে দিল তুষার। অতি লজ্জায় মরিমরি হয়ে দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল আয়েশা,

ইউভান, তুষার, সাঈলা, আয়েশা , আর ইরফান, রাহাত স্টেজে বসে গল্পের ঝুড়ি নিয়ে বসে আছে। এদিকে ঈশান তাঁর বিজনেস পার্টনারের সঙ্গে ড্রিংক করছে মনোযোগ সহকারে। ঠিক তখনই মিউজিক বক্সের গান বেজে উঠলো

- Bole chuliya, Bole Kangna, Hay main ho gayi teni Sajna Tere bin jiya nayon lagda main toh maar gay: haan Lejja lejja Soniye lejja lejjebo

আফি সিঁড়ির উপর থেকে গানের তালে তাল মিলিয়ে নীচে নামছে। নীচে নেমেই আফির নাচে যোগ দিল আয়েশা আরও অনেক মেয়েরা। এদিকে আফিকে প্রথম নাচ করতে দেখে চোখ দাঁড়িয়ে গেছে ঈশানের। সে আশা করেনি তার চেরি ব্লসম এত সুন্দর নাচতেও পারে। গান শেষ হতেই আফি, সাইলা আর ইউভানকে স্টেজ থেকে তুলে এনে ড্রান্স ফ্লারে নিয়ে আর এসে ঈশানের পাশে গিয়ে দাঁড়ালো আফি। ইউভান একহাত সাঈলার কোমরে রাখল আর অন্য হাত সাইলার হাতে রাখলো। তারপর গানের তালে তালে ড্রান্স

Janam Janam, Sath chalna yuhi,

Kasam Tumein Kasam. Aake Milna Yuhi Mere Hoke Hamesha hi nehna Kabhi na Kenna albida aahaa aahaa.

ঈশান একমনে বিজনেস সর্ম্পকে কথাবার্তা বলছে ক্লাইনটদের সাথে আর আফি ঈশানকে খুটে খুটে পর্যবেক্ষণ করছে। এই যে হলুদ পাঞ্জাবীতে মারাত্মক সুন্দর লাগছে ঈশানকে। আফি কোনোদিনও ঈশানকে পাঞ্জাবীতে দেখেনি তাই হয়তো এতটাই আকর্ষণীয় লাগছে তার কাছে আর আফি যদি পিছনে ঘুরে দেখতে তাহলে হয়তো দেখতে পেত একজোড়া চোখ তাকে কতটা ঘোরলাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। যেন সে অনেক বছরকার তৃষ্ণা আফিকে দেখে মেটাচ্ছে। সেই অজানা চোখ দুটির মালিক তার হাতে থাকা ওসাইনের গ্লাসটা হাতে চেপে ভেঙে ফেলল ফলে কিছু কাঁচ ঢুকে যাওয়ায় গলগল করে লাল তাজা রক্ত বয়তে আরম্ভ করল কিন্তু তাতে তার কোনো হেলদোল নেই। সেই লোকটি আপনমনে আওরালো - "আফি তুমি তো আমারই ছিলে তাহলে ঈমানের কিভাবে হলে। আমি যে তোমাকে ছাড়া নিঃস্ব, ইশানের দিকে তাককরা তোমার এই চাহনী আজ আমার জন্য বরাদ্দ থাকার কথা ছিল তাহলে ঈশান কেন এর ভাগীদারি হল আফি।"

*******************************

আফি কখন থেকে লক্ষ্য করছে একটা মেয়ে খেয়ে ফেলা দৃষ্টিতে তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে আছে। যেন সুযোগ পেলে এক্ষুনি গিলে ফেলবে। আফি সহ্য করতে না পেরে হাতে থাকা হলুদের বাটি নিয়ে ঈমানের কাছে এগিয়ে গেল।

"মি. ভিলেন! চলুন চলুন না ওইদিকে যায়। (আফি) আফির কথা শুনে ঈমান কিছু একটা বলতে যাবে তার মধ্যে সেই মেয়েটি তড়িঘড়ি করে বলে

"দেখতে পাচ্ছো না ঈশান জরুরি কথা বলছে আর তুমি এসে ওকে ডিস্টাব করছো। জানে সাহস আছে তোমার বলতে হবে নাহলে ঈশান তালুকদারকে এভাবে ঢাকতে পারো নাকি।"

"মেয়েটির কথা শুনে মাছি তাড়ানোর মতো হাত ঝেড়ে বলল আফি- আমার জানে সাহস আছে কি নাই তা বিচার করার আপনি কেউ নয় মিস। আর হ্যা আপনার চোখ দুটো কিন্তু একটু বেশিই উড়ন্ত তাই বলছিলাম চোখ দুটোকে একটু টাইট দিয়েন তখন আবার বলা যায় না উড়তে উড়তে একেবারে উপরে চলে গেছে ফিরে আনা মুশকিল হবে বুঝলেন। পরপুরুষের দিকে নজর দিবেন ভালো কথা কিন্তু আমার হাসবেন্ডের দিকে নজর দিলে চোখ তু
তুলে কুকুরকে দিব বুঝলেন?

"মি. ঈশান কি বলছে এই মেয়ে আপনি marriad?"

"yes. I'm happily marriad with my wifey" در (ঈমান)

ঈমান আফির হাত ধরে সেখান থেকে চলে যায়। আফি পিছন ঘুরে সেই মেয়েটিকে ভেংচি কাঁটে। আস্তে করে বলে

"কত বড় সখ আমার মি. ভিলেনের দিকে নজর দিবে।" (আফি)

"চেরি ব্লসম জেলাসি হচ্ছে?" (ঈমান)

"হ্যাঁ হচ্ছে আমার জেলাসি। কারণ আপনি একান্তই আমার।” নিজের হাতে থাকা হলুদের বাটি থেকে হলুদ নিয়ে ঈশানকে মাখাতে চাইলে ঈশান আফির হাত ধরে হলুদ আফির গালেই ও লাগিয়ে দেয়। ইশানের এই কান্ডে আফির কপালে ভাজ পড়েন। "আপনি কি আমার হাতে হলুদ ও লাগাবেন না মি. ভিলেন।" পর মুহূর্তেই আফির গালের সাথে নিজের গাল ঘষে দিল ঈশান।তারপর হাতে হলুদ নিয়ে, আফির শাড়ির ফাঁক ভেদ করে উন্মুক্ত উদরে হলুদ চুইয়ে দিল ঈশান। লজ্জায় আফি চোখ খিচে বন্ধ করে ফেললো। ঈমান আফির কানের কাছে মুখ নিমে হাস্কিস্বরে বলল-ঈশান তালুকদার যা করে সবকিছুই ইউনিক ভাবে করে।- বলেই আফির কানের লতিতে ব্রাইট করে ঈশান। আফি ব্যাথায় আর্তনাদ করে উঠে। ঈশানের কাছ থেকে ছাড়া পেয়েই এক দৌড়ে পালিয়ে যায় আফি। আফির পালানোর পানে তাকিয়ে ক্রুর হাসে ঈশান। আফি আর ঈশানের প্রেমের খুনসুটি দেখে যে একজনের মনে তীব্র দাবানল জ্বলছে সেই ব্যাপারে কেউই অবগত নয়।

সাঈলা আর ইউভানের হলুদ পর্ব সেই কখনই শুরু হয়েছে। একে একে সবাই আসছে আর হলুদ লাগিয়ে যাচ্ছে দুইজনকে।

#চলবে



( হ্যালো পাঠিকাগণরা অনেক দিন পর গল্প দিলাম আমার পরীক্ষা জন্য গল্প দিতে পারিনি আজ থেকে প্রতিদিন গল্প পাবে অনেক দিন পর গল্প দেওয়ার জন্য বড় করে পার্ট দিলাম গল্প পরে সবাই কমেন্ট করবে কেমন লাগলো সবার কাছে )

এখানে আমার Page &Group ar link deoya tkhalo tomar ei Page ar নিয়মিত গল্প পাবে
(Page)
https://www.facebook.com/share/p/16Qrk4nbEL/?mibextid=oFDknk
( Group )
https://www.facebook.com

14/05/2025

আজ রাতে গল্প আসবে সবাই রেডি তো

🚫স্পয়লার 🚫"তুমিহীন জীবনে দম বন্ধ হয়ে আসছে আমার আফি ,সেদিন যদি আমিও তোমার কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিতাম তাহলে হয়তো আ...
29/04/2025

🚫স্পয়লার 🚫

"তুমিহীন জীবনে দম বন্ধ হয়ে আসছে আমার আফি ,
সেদিন যদি আমিও তোমার কাছ থেকে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিতাম তাহলে হয়তো আমার এহেন আগুনের দহনে পুড়তে হতো নাহ । তুমি আমার কাছে মায়াবী মানবী আফি । তোমাকে দেখার মাঝে অপরিসীম শান্তি মেলে মায়াবী । ঈশানের জন্য তোমার সকল দায়িত্ব আজ আমার জন্য বরাদ্দকৃত থাকার কথা ছিল আফি। কেনো আর একটু অপেক্ষা করলে না মায়াবী ।"(তীব্র আর্তনাদ করে বলল )

বাণীতে -Alex Sahamad 🧿🌜

27/04/2025

---"আফি! তুমি তো আমারই ছিলে তাহলে ঈশানের কিভাবে হলে। আমি যে তোমাকে ছাড়া নিঃস্ব। ইশানের দিকে তাক করা তোমার এই চাহনী আজ আমার জন্য বরাদ্দ থাকার কথা ছিল তাহলে ঈশান কেন এর ভাগীদারি হল আফি।"

Alex sahamad

(*>)

উপন্যাস -  #দ্যা_অবশেসন লেখিকা - ি_আক্তার_সারু_  (16)___________🤌🏻🦢🌜🧿আয়েশা রুমে প্রবেশ করতে করতে বলল- --"কি হয়েছে? সব তো...
27/04/2025

উপন্যাস - #দ্যা_অবশেসন
লেখিকা - ি_আক্তার_সারু_
(16)
___________

🤌🏻🦢🌜🧿

আয়েশা রুমে প্রবেশ করতে করতে বলল-

--"কি হয়েছে? সব তো আমি বাইরে রেখে গিয়েছিলাম।"

আয়েশার কথা শুনে পিছন ফিরে তাকালো তুষার। অমনি দেখা মেললো কালো ঘন চুলের মালিকের। পরনে হলুদ শাড়ি আয়েশার হলুদ ফর্সা হওয়ায় ভালোই মানিয়েছে গায়ে। একেবারে আকাশ থেকে নেমে আসা পরীর ন্যায় লাগছে তুষারের এলোকেশীকে।

---'আমার সেরোয়ানির বোতাম লাগিয়ে দাও!" (তুষার)

---"আপনি এটার জন্য আমাকে ডাকলেন?" (আয়েশা)

---"হুমম। আমার বউকে আমি ডেকেছি তাতে তোমার কি?” (তুষার)

আয়েশা আলতো হাতে তুষারের বোতাম লাগিয়ে দিচ্ছে আর তুষার ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তার এলোদেশীকে পর্যবেক্ষণ করছে। আয়েশার কাজল কালো আঁখিতে বরাবরই তুষাররের চোখ আটকে যায়। কি আছে এই চোখে! কেন বারবার তুষারকে বেহাল করে দেয় এই একজোড়া চোখ।

---"হয়ে গিয়েছে। এবার চলুন তাড়াতাড়ি ফাংশন শুরু হয়ে যাবে??

বলেই রুম থেকে বেরোনোর উদ্দেশ্যে পা বাড়াতেই তুষার খপ করে আয়েশার হাত ধরে ফেলে। নিজের কাছে টেনে বলে-
--" এলোকেশী, you are looking like a angle " --বলেই আয়েশার চুল কানে গুজে দিল আর অতি লজ্জায় মরিমরি হয়ে দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল আয়েশা ।

সাঈলা, আয়েশা, ইউভান ,তুষার, ইরফান, রাহাত স্টেজে বসে গল্পের ঝুড়ি নিয়ে তারা বসে আছে। এদিকে ঈশান তার বিজনেস পার্টনার সঙ্গে ড্রিংক করছে মনোযোগ সহকারে। ঠিক তখনই মিউজিক বক্সের গান বেজে উঠলো-

~Bole churiya, Bole Kangna, ~

Hay main ho gayi teri Sajna~

Tere bin jiya nayon lagda main toh maar gayi haan ~

Lejja lejja Soniye lejja lejja ~

আফি সিঁড়ির উপর থেকে গানের তালে তাল মিলিয়ে নীচে নামছে। নীচে নেমেই আফির নাচে যোগ দিল আয়েশাসহ আরও অনেক মেয়েরা। এদিকে আফিকে প্রথম নাচ করতে দেখে চোখ দাঁড়িয়ে গেছে ঈশানের। সে আশা করেনি তার চেরি ব্লসম এত সুন্দর নাচতেও পারে। গান শেষ হতেই আফি, সাইলা আর ইউভানকে স্টেজ থেকে তুলে এনে ডান্স ফ্লোরে নিয়ে এসে ঈশানের পাশে গিয়ে দাঁড়ালো আফি। ইউভান একহাত সাইলার কোমোড়ে রাখল আর অন্য হাত সাইলার হাতে রাখলো। তারপর গানের তালে তালে স্টেপ বাই স্টেপ ডান্স শুরু করল নব দম্পতি।

~Janam Janam, Sath chalna yoon hi

, Kasam Tumein kasam. Aake Milna Yoon hi ,...........Mere Hoke Hamesha hi rehna Kabhi na Kenna albeeda aahaa...ahaa..

ঈশান একমনে বিজনেস সম্পকে কথা বার্তা বলছে ক্লাইনটদের সাথে আর আফি ঈশানকেই খুটে খুটে পর্যবেক্ষণ করছে। এই যে হলুদ পাঞ্জাবীতে মারাত্মক সুন্দর লাগছে ঈশানকে। আফি কোনোদিনও ঈশানকে পাঞ্জাবীতে দেখেনি তাই হয়তো এতটাই আকর্ষণীয় লাগছে তার কাছে। আফি যদি পিছনে ঘুরে দেখতো তাহলে হয়তো দেখতে পেত একজোড়া চোখ তাকে কতটা ঘোরলাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। যেন সে অনেকবছরকার তৃষ্ণা আফিকে দেখে মেটাচ্ছে। সেই অজানা চোখ দুটির মালিক তার হাতে থাকা ওয়াইনের গ্লাসটা হাতে চেপে ভেঙে ফেলল ফলে কিছু কাঁচ ঢুকে যাওয়ায় গলগল করে লাল তাজা রক্ত বয়তে আরম্ভ করল কিন্তু তাতে তার কোনো হেলদোল নেই। সেই লোকটি আপনমনে আওড়ালো -

---"আফি! তুমি তো আমারই ছিলে তাহলে ঈশানের কিভাবে হলে। আমি যে তোমাকে ছাড়া নিঃস্ব। ইশানের দিকে তাক করা তোমার এই চাহনী আজ আমার জন্য বরাদ্দ থাকার কথা ছিল তাহলে ঈশান কেন এর ভাগীদারি হল আফি।"
_______________________
সাইলা আর ইউভানের হলুদ পর্ব শুরু হয়েছে সেই কখনই । সবাই আসছে আর হলুদ লাগিয়ে যাচ্ছে তাদের ।

আফি কখন থেকে লক্ষ্য করছে একটা মেয়ে খেয়ে ফেলা দৃষ্টিতে তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে আছে। যেন সুযোগ পেলে এক্ষুনি গিলে ফেলবে। আফি সহ্য করতে না পেরে হাতে থাকা হলুদের বাটি নিয়ে ঈশানের কাছে এগিয়ে গেল।

--" মি . ভিলেন! চলুন না ওইদিকে যায়।' (আফি)

আফির কথা শুনে ঈশান কিছু একটা বলতে যাবে তার মধ্যে সেই মেয়েটি তড়িঘড়ি করে বলে

--"দেখতে পাচ্ছ না ঈশান জরুরি কথা বলছে আর তুমি এসে ওকে ডিস্টাব করছো। জানে সাহস আছে তোমার বলতে হবে নাহলে ঈশান তালুকদারকে এভাবে ডাকতে পারো নাকি।"

মেয়েটির কথাশুনে মাছি তাড়ানোর মতো হাত ঝেড়ে বলল আফি-

--"আমার জানে সাহস আছে কি নাই তা বিচার করার আপনি কেউ নন মিস। আর হ্যা আপনার চোখ দুটো কিন্তু একটু বেশিই উড়ন্ত তাই বলছিলাম চোখ দুটোকে একটু টাইট দিয়েন তখন আবার বলা যায় না উড়তে উড়তে একেবারে উপরে চলে গেলে ফিরে আনা মুশকিল হবে বুঝলেন। পরপুরুষের দিকে নজর দিবেন ভালো কথা কিন্তু আমার হাসবেন্ডের দিকে নজর দিলে চোখ তুলে কুকুরকে দিব বুঝলেন?

--"মি. ঈশান কি বলছে এই মেয়ে আপনি married?"

--"yes. I'm happily married with my wifey"(ঈশান)

ঈশান আফির হাত ধরে সেখান থেকে চলে যায়। আফি পিছনে ঘুরে সেই মেয়েটিকে ভেংচি কাঁটে। আস্তে করে বলে -

--"কত বড় সাহস আমার মি. ভিলেনের দিকে নজর দিবে।" (আফি)

--"চেরি ব্লসম জেলাসি হচ্ছে ।"(ঈশান)

--"হ্যাঁ হচ্ছে আমার জেলাসি। কারণ আপনি একান্তই আমার।”

নিজের হাতে থাকা হলুদের বাটি থেকে হলুদ নিয়ে ঈশানকে মাখাতে চাইলে ঈশান আফির হাত ধরে হলুদ আফির গালেই লাগিয়ে দেয়। ঈশানের এই কান্ডে আফির কপালে ভাজ পড়ে।

-- "আপনি কি আমার হাতে হলুদ ও লাগাবেন না মি. ভিলেন।"

পর মুহূর্তেই আফির গালের সাথে নিজের গাল ঘষে দিল ঈশান। তারপর হাতে হলুদ নিয়ে আফির শাড়ির ফাঁক ভেদ করে উন্মুক্ত উদরে হলুদ ছুঁইয়ে দিল ঈশান। লজ্জায় আফি চোখ খিচে বন্ধ করে ফেললো। ঈশান আফির কানের কাছে মুখ নিয়ে হস্কিস্বরে বলল-

--"ঈশান তালুকদার যা করে সবকিছুই ইউনিক ভাবে করে।”

– বলেই আফির কানের লতিতে কামড়ে ধরে ঈশান। আফি ব্যাথায় আর্তনাদ করে উঠে। ঈশানের কাছ থেকে ছাড়া পেয়েই এক দৌড়ে পালিয়ে যায় আফি। আফির পালানোর পানে তাকিয়ে ক্রুর হাসে ঈশান। আফি আর ঈশানের প্রেমের খুনসুটি দেখে যে একজনের মনে তীব্র দাবানল জ্বলছে সেই ব্যাপারে কেউই অবগত নয়। এই দাবানলের আগুনে ভস্ম করে দিচ্ছে সেই অজানা চোখের মালিককে ।

#চলমান...

(পরের পার্ট এ এন্ট্রি হবে আমার সব থেকে প্রিয় ক্যারেক্টারের এই গল্পের মধ্যে । জানতে হলে জুড়ে থাকুন আমার পেইজের সাথে । আল্লাহ হাফেজ প্রিয় পাঠক/পাঠিকা মহল।)

27/04/2025

আজ রাতে গল্প আপলোড দিব ইনশাআল্লাহ ।

Address

Jalangi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afi akter saru- আফি আক্তার সারু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category