Bangla choti

Bangla choti loda lag geye

19/04/2025

আমি- মা বিপদে পড়লে বোঝা যায় কে আপন কে পর। বলে মাকে তুলে চোখের জল মুছিয়ে দিলাম।।
মা- বাবা তুই দেখিস আমাকে আর তোর বোনকে।
আমি- মা আবার একই কথা ওসব ভুলে যাও তোমার ছেলে তোমাকে কোনদিন ফেলে যাবেনা।
মা- আমাকে জরিয়ে ধরে চল এবার ঘরে যাই।

আমি- যাবো কিন্তু আমার মনের মধ্যে একটা কথা ঘোরা ফেরা করছে তার উত্তর দেবে।

মা- কি বাবা
আমি- না তুমি মনে মনে একটা কষ্ট পাচ্ছ যেটা আমাকে বলছ না।
মা- না বাবা তেমন কিছুনা
আমি- তবে কি মা আমাকে বলবে না।
মা- পরে বলব আজ বাড়ি চল তোর বাবা কেমন জানিস তো এত দেরি হচ্চে, এর জন্য আবার কি বলে।

আমি আচ্ছা চল তাহলে।
মা ও আমি দুজনে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম। ঘরে গিয়ে সবাই মিলে খেয়ে নিলাম। আমি বারান্দায় ঘুমাই একা ঘরে মা বাবা বোন ঘুমায়। আধ পাকা আমাদের বাড়ি। ঘরের ভেতর একটা খাট একটা চকি। বারান্দায় আমার চকি। খাওয়ার পরে আমি বারান্দায় এলাম বোন আমার সাথে এল।

কেয়া- দাদা মা কিছু বলেছে তোকে।
আমি- কি ব্যাপারে।
কেয়া- না মানে আমার একটা মোবাইল লাগত।
আমি- ও হ্যা বলেছে দেব কিনে দেব দেখি কাল না হলে পরশু কিনে দেব।
কেয়া- দাদা এন্ডরয়েড দিবি তো।
আমি- হু কি করবি ছেলে বন্ধুর সাথে চ্যাট করবি নাকি।
কেয়া- কি বলিস দাদা আমার কোনো ছেলে বন্ধু নেই যদি কেউ থাকে সে তুই।আমি- পাগলি আমি তোর দাদা
কেয়া- সে জানিনা তবে আমার ছেলেদের ভাললাগেনা।
আমি- আমাকেও না।
কেয়া- কি যে বলিস দাদা তুই আমার সব।
আমি- দাদাকে পটানো হচ্ছে।
কেয়া- না তোকে আমি খুব ভালোবাসি দাদা, তুই বাকি ছেলেদের থেকে আলাদা, বাজে নেশা নেই বাজে কথা নেই তুই আমার আদর্শ দাদা।
আমি- কেয়ার হাত ধরে তুই আমার ভাল বোন মিস্টিসোনা বোন, বলে পাশে বসালাম।
কেয়া- আমার সোনা দাদা বলে আমার কাঁধে মাথা রাখল।
আমি- এই সোনা এত আবেগর কথা বলবি না।
কেয়া- আমার দাদা তোর কাছে আসলে আমার সবচাইতে সুখি মনে হয়।
আমি- এই কলেজে জাস টাকা পয়সা লাগেনা।
কেয়া- কেন নেই তো এইত সেদিন ১০০ টাকা নিলাম।
আমি- সে তো অনেকদিন হয়ে গেল। এক মাস প্রায় ওতে চলে তোর।
কেয়া- একটা বিশেষ কাজে লাগে তাই নেই।
আমি- কি এমন বিশেষ কাজ।
কেয়া- সব বলা যায় নাকি।
আমি- কেন বলা যাবেনা আমি তোর দাদা না দাদাকে বন্ধু ভেবে সব বলা যায়।
কেয়া- লজ্জা করে দাদা
আমি- দূর কিসের লজ্জা বলনা।

19/04/2025

,
কেয়া- দাদা কি যে বলিস, আমি তোর বোন। দাদা তোর এক্টা চাকরি হলে আমরা কত ভাল থাকব, বাবা ওইরকম হয়ে গেছে আকথা কু কথা বলে, তুই ছাড়া আমাদের কে আছে বল।
আমি- আমার মা এবার তুমি থাম আমি দোকানে যাচ্ছি।
কেয়া- দাদা বলে আমার চুল ধরল।
আমি- এই ছার লাগছে তো বলে ওকে টেনে বিছানায় ফেললাম। এবং ঘুরে আমি ওর উপর পা দিয়ে চেপে ধরলাম। উহ কি মোটা থাই কলা গাছের মতন হয়ে গেছে।
কেয়া- উহ দাদা না না চেপে ধরিস না।
আমি- তবে চুল ছার লাগছে বলে ওর উপর উঠে গেলাম। বুকের সাথে বুক লেগে গেল, বোনের দুধের ছোঁয়া পেলাম। ঢ্যাবা ঢ্যাবা দুধ আমার বুকে খোঁচা দিল। বুকে বুকে বুক চেপে ধরলাম।
কেয়া- দাদা ছার ওঠ আমার লাগছে তো বুকে বলে আমার চুল ছেরে দিল।
আমি- এবার বল
কেয়া- বাবা তোর গায়ে কত ওজন দাদা আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল, বলে আমাকে ঠেলে সরিয়ে দিল।
আমি- তুই কম কিসে শুনি তুইও তো তেমন হয়েছিস গায়ে পায়ে একদম মায়ের মতন।
কেয়া- সেই জন্য আমাকে মা বলে ডাকলি বুঝি!
আমি- হ্যা আমার ছোট মা।
কেয়া- আমার গাল ধরে একটা চুমু দিয়ে আমার সোনা দাদা।
আমি- ওর হঠাত চুমুতে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। আমি বললাম আমার পাগলি বোন।
কেয়া- দাদা এবার ওঠ দোকানে যা দেরি হয়ে যাচ্ছে।
আমি- হ্যা সোনা যাচ্ছি বলে চিত হয়ে শুয়ে পরলাম।
কেয়া- উঠে আমার হাত ধরে টান দিতে লাগল ওঠ দাদা ওঠ।
আমি- ইচ্ছে করে কেয়ার হাত ধরে আবার আমার বুকের উপর টেনে ফেললাম। আমাদের ধস্তা ধাস্তিতে আমার বাঁড়া মহারাজ আগেই দাড়িয়ে গেছিল, লুঙ্গি পরা তো। কেয়া আমার উপর পরতেই আমার বাঁড়া ওর পেটে খোঁচা দিল।
কেয়া- আমার দিকে কপট দৃষ্টিতে তাকাল আর বলল কি হচ্ছে দাদা।

আমি- কেন কি হয়েছে রে রাগ করলি নাকি টেনে ফেললাম বলে।
কেয়া- উহু না দাদা মা এসে দেখলে কি ভাব্বে তাই এবার ওঠ।
আমি- অর গালে একটা চকাম করে চুমু দিয়ে মা আসবে না এখন।
কেয়া- না দাদা ওঠ না চল।
আমি- কেয়াকে চেপে ধরে আমার বাঁড়া কয়েকবার ওর পেটে টং করে খোঁচা দিলাম।
কেয়া- না দাদা ছার এবার হিতে বিপরীত হয়ে যাবে বলে জোর করে উঠে পড়ল।
আমি- আচ্ছা চল বলে ভাইবোনে উঠে পরলাম। আর দেরি করলাম না দোকানের দিকে রওয়ানা দিলাম এক গ্লাস জল খেয়ে।
একা একা দোকানদারী করছিলাম মা এল ৮ টার পরে। আমি মাকে জিজ্ঞেস করতে বাবা কই।
মা- উঠল না ডাকলাম নরম হয়ে গেছে বাবা আর মনে হয় বাচবেনা তোর বাবা। কি হবে আমাদের
আমি- মা ভেবনা আমি তো আছি, সব সাম্লে নিয়েছি তো।
মা- কেয়া বলছিল তোর চাকরির কথা। বসবি পরীক্ষায়।
আমি- হ্যা মা বসব।
মা- সে তো অনেক দূরে সিট পরবে গিয়ে থেকে পরীক্ষা দিতে হবে।
আমি- যাবো তুমি একদিন দোকান সাম্লাবে পারবেনা।
মা- আমি কি সব জিনিসের দাম জানি।
আমি- কয়েকদিন থাকলে যেনে যাবে। এখনত দেরী আছে।
মা- হ্যা দেরী আছে। তবে কেয়াকে একটা মোবাইল কিনে দিতে পারবি।আমি- লাগবে ওর আমাকে তো বলেনি।
মা- লজ্জা পায় তাই আমাকে বলল।
আমি- আমার বোনটা একটু বোকা আছে
মা- দেখিস না তোর কাছে আসতেই ভয় পায়।
আমি- মা আমি কি বাঘ না ভাল্লুক। ও আমাকে বলবে না তো কাকে বলবে।
মা- এখন রাত তবুও এত গরম বলে আচল দিয়ে গা গলা মুছতে মুছতে আমাকে ভাল করে দুধ দেখাল।
আমি- মা আমার কাছে এসে ফ্যানের নীচে বস।
মা- অল্প জায়গা গায়ে গায়ে লেগে যায়।

আমি- আমরা মা ছেলে একটু লাগলে কি হবে। আসতো বলে আমি টুল টেনে মাকে পাশে এনে বসালাম।

মা- এত মাল এনে রেখেছিস দুজনের জায়গা হয় না। কিছু দিতে গেলেই গায়ে গায়ে লেগে যাবে।
আমি- এখন কাস্টোমার কম তেমন কেউ আসবেনা। আর আসলে দেখা যাবে।
এর মধ্যে একজন এল নানান জিনিস চাইল, আমি দিলাম মা সাহাজ্য করল। কিছুখনের মধ্যে বাবা এল।
বাবা- কিরে কি করছিস তোরা।
আমি- এইত বাবা মা আর আমি বসে আছি। বল।
বাবা- বন্ধ করবিনা রাত তো অনেক হল।
আমি- এইত করব বাইরের মাল এনে ঝাট দিয়ে বন্ধ করব। ১০ টা না বাজলে বন্ধ করা যায়।
বাবা- ঘুছাতে গুছাতে সময় হয়ে যাবে।
আমি- ঠিক আছে বলে বলে বাইরের জিনিস আনতে লাগলাম মা ঝাট দিতে লাগল। আমি বাইরের যেতে বাবা মা ফিস ফিস করে কথা বলছে শুনতে পেলাম না। নিশ্চয় আগের দিনের কথা বলছে মনে হয়। শুধু এইটুকু শুনলাম মা বলল একদিনে সব হয় নাকি, আমি পারবোনা চেস্টা তো করে যাচ্ছি।
বাবা- তবে তোমরা বন্ধ করে আস আমি যাচ্ছি। কেয়া একা ঘরে।
মা- হ্যা যাও আমরা আসছি ।
আমি- মা বাবা আবার কি বলল কি চেস্টা করছ তুমি আমাকে বলতে পার।
মা- কি বলব তোকে কত কষ্ট করছিস আমাদের জন্য আর কি বলব।
আমি- মা এসব কথা বলবে না যা লাগবে আমাকে বলবে, আমি না পারলেও তো বলবই।
মা- না তেমন কিছুনা
আমি- মা বাবা কিন্তু ভাল হয়ে গেছে এখন আর বাজে কথা বলে না।
মা- বাবা আমার সেখানেই ভয় হয় কখন মরে যাবে। সব সময় আমার আর তোর বোনের চিন্তা করে তুই বিয়ে করে যদি আমাদের ছেরে চলে জাস তবে আমরা কি করে বাঁচব শুধু সেই চিন্তা।
আমি- মা তোমরাও কি তাই ভাব আমি আমার মা আর বোনকে একা ফেলে চলে যাবো।
মা- না সোনা সে আমি ভাবিনা তোর বাবা বলে।
আমি- তবে আমি কি করলে বাবার এই ভুল ধারনা ভাঙ্গবে।
মা- না তোকে কিছু করতে হবেনা। আমি আছি তো।
আমি- না মা তুমি বল আমাকে কি করতে হবে। তুমি যা বলবে আমি করব, আর হ্যা আমার বিয়ের কোন ইচ্ছে নেই এটা মনে রেখ।
মা- দেখ চাকরিটা পাস নাকি তবে আমরা এখান থেকে চলে যাবো অন্য জায়গায়। তোর বাবা যে কদিন আছে এখানে থাকব তারপর বেচে কিনে চলে যাবো।
আমি- দেখি কি হয়

মা- হ্যা সোনা তাই চেষ্টা কর।
আমি- মা বাবা এত ভয় কেন পায় আমাকে খুলে বলবে, আমি কোন মেয়ের সাথে কথা পর্যন্ত বলিনা।
মা- আমি জানি আমার ছেলে কেমন তাই আমার চিন্তা নেই।
আমি- না বাবা কি বলে জানিনা তবে আমি আমার মা এবং বোনকে খুব ভালোবাসি সেটা বাবাকে বল। আমার বাকি জীবন তুমি আমার কাছে থাকবে। তোমাকে আমার কাছ ছাড়া করবনা একথা বলতে পারি, আর তুমি কষ্ট পাও এমন কাজ আমি করব না। তোমাকে আর বোনকে সুখি রাখব আমি এটাই আমার সংকল্প।
মা- তোর বাবা শুধু সেই চিন্তা করে। ওভাবে ও এতদিন অসুস্থ আমি কি করে কি করি এইসব ভাবনা।
আমি- বাবা তোমাকে সন্দেহ করে নাকি।
মা- না সে না অন্য কথা।
আমি- কি কথা মা।
মা- রাত অনেক হল শাটার বন্ধ কর।
আমি- শাটার বন্ধ করে এলাম। দেখি মা চোখ মুছছে। আমি মা কি হল আবার।
মা- না কিছু না আমার জীবনটা কি থেকে কি হয়ে গেল। ভাইয়েরা ও খোঁজ নেয় না।

19/04/2025

সম্ভব তুমি বল ছেলে আমার!
বাবা- ভেবে দেখ আমি কিন্তু ভালরজন্যই বলছি।
মা- সে হয়না তুমি যা বলনা কেন আমি পারবোনা আপন ছেলের সাথে।
বাবা- পারতে হবে আশা আমার কাছে আস শোন ওকে দেখাবে তোমার এই বড় বড় দুধ নীচু হয়ে তোমার পাছা দেখাবে দেখবে ও তাকাবে, মাঝে মাঝে ওর সাথে দুধের ছোয়া লাগাবে ছেলে পাগল না হয়ে পারবেনা।
মা- আমি পারবোনা আমার দ্বারা হবেনা তুমি যা বলনা কেন।
আমি বাবা আর মায়ের কথা শুনে আর থাকতে পারলাম না লুঙ্গি তুলে বাঁড়া বের করে খিচতে লাগলাম আর মনে মনে মাকে চুদতে লাগলাম।

আমার সারে ৭ ইঞ্চি বাঁড়া লোহার রডের মতন শক্ত হয়ে লাফাচ্ছে, আমি খিচে চলছি। এক সময় চিড়িক চিড়িক করে বীর্য ফেলে দিলাম। এর পড় বাড়ির দিকে গিয়ে কলপার থেকে ঘুরে আসলাম।

আমি- মা ওমা কেউ এসেছিল।দোকানে ঢুকতে ঢুকতে বললাম।
মা- না।
আমি- তবে তুমি আর বাবা যাও আমি বন্ধ করে আসছি। ওনারা যেতে আমি সব গুছিয়ে আসলাম।

পরের দিন যথারীতি দোকানে বাবাও এল।

বিকেল হলেই বাবা বলল বাবা একটু এনে দিবি।
আমি- ঠিক আছে বলে এনে দিলাম। আর বললাম খেয়ে চুপচাপ বসবে মা আসলে বক বক করবেনা কিন্তু।
বাবা- না বকব না।
মা- আসল ৯ টা নাগাদ
বাবা- একদম চুপচাপ কিছুই বলছেনা।
আমি- কাস্টমার কে মাল দিচ্ছিলাম। ফাকে মাকে বললাম বাবাকে বাড়ি নিয়ে যাও।
মা- বাবাকে বলল যাও মেয়েটা একা আছে আস্তে আস্তে বাড়ি যাও আমরা বন্ধ করে আসছি।
বাবা- আচ্ছা বলে উঠে সোজা চলে গেল।
মা- কিরে আজ এত চুপচাপ খায় নাই।
আমি- হ্যা খেয়েছে তবে আমি আগে বলে নিয়েছি একদম বক বক করবেনা। তাই চুপচাপ।
মা- এভাবে বলে নিবি ওর আজে বাজে কথা আমার ভাল লাগেনা।
আমি- মা এবার বন্ধ করি বলে বাইরের জিনিশ আনতে গেলাম। তুমি ভেতোরটা ঝার দাও।
মা- ঝার দিতে লাগল আমি বাইরের জিনিস এনে ভেতরে রাখতে লাগলাম, মা নীচু হয়ে ঝার দিতে ছিল আমি ইচ্ছে করে হাঁতে নিয়ে এসে মায়ের পাছায় আমার খাঁড়া বাঁড়া ঠেকিয়ে দিয়ে বললাম সর এগুলো রাখব।
মা- এই যা লেগে গেল বলে সরে দারাল।
আমি- না মা তোমার লাগেনিতো।
মা- না না ঠিক আছে। তোর আনা হয়ে গেছে।
আমি- হ্যা মা
মা- তুই টুলে বস আমি ভাল করে ঝার দিয়ে দিচ্ছি।
আমি- টুলের উপর বস্তে মা নিচু হয়ে ঝার দেওয়ার সময় মায়ের দুধ দূটো দেখতে পেলাম। উ কি বড় বড়। মা আঁচল ফেলে দিয়ে ঝার দিচ্ছে এর পড় বসে পড়ল হাটুর চাপে দুধ দুটো ঠেলে বেড়িয়ে আসছে। উহ কি সুন্দর মায়ের দুধের খাঁজ। মুহূর্তের মধ্যে আমার বাঁড়া তিড়িং তিড়িং করে লাফিয়ে উঠল।

মা- ঝার দিতে লাগল আমি বাইরের জিনিস এনে ভেতরে রাখতে লাগলাম, মা নীচু হয়ে ঝার দিতে ছিল আমি ইচ্ছে করে হাঁতে নিয়ে এসে মায়ের পাছায় আমার খাঁড়া বাঁড়া ঠেকিয়ে দিয়ে বললাম সর এগুলো রাখব।
মা- এই যা লেগে গেল বলে সরে দারাল।
আমি- না মা তোমার লাগেনিতো।
মা- না না ঠিক আছে। তোর আনা হয়ে গেছে।
আমি- হ্যা মা
মা- তুই টুলে বস আমি ভাল করে ঝার দিয়ে দিচ্ছি।
আমি- টুলের উপর বস্তে মা নিচু হয়ে ঝার দেওয়ার সময় মায়ের দুধ দূটো দেখতে পেলাম। উ কি বড় বড়। মা আঁচল ফেলে দিয়ে ঝার দিচ্ছে এর পড় বসে পড়ল হাটুর চাপে দুধ দুটো ঠেলে বেড়িয়ে আসছে। উহ কি সুন্দর মায়ের দুধের খাঁজ। মুহূর্তের মধ্যে আমার বাঁড়া তিড়িং তিড়িং করে লাফিয়ে উঠল।
মা- ঝার শেষ করে বল নে এবার শাটার ফেল হয়ে গেছে তো।
আমি- হ্যা মা বলে বেড়িয়ে শাটার ফেললাম। এবং পেছন দিয়ে ভেতরে আসলাম।
মা- হয়েছে চল।
আমি- দারাও ক্যাশ গুছিয়ে নেই।
মা- কই দেখি বলে আমার সাথে হাত লাগাল। দুজনে গুছিয়ে বাড়ি গেলাম।

পরের দিন দুপুরে বাড়ি গেলে দেখি মা কলপারে দারিয়ে স্নান করছে।

আমি- মা আজ এত দেরি হল।
মা- কি করব কাচাকাচি ছিল তাই
আমি- বাবা কই, বোন এখনো কলেজ থেকে ফেরেনি।
মা- খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে ওকে খাওতে আরো দেরী হয়ে গেল। তর বোনের আজ আসতে দেরী হবে। তুই এক কাজ করবি আমার পিঠে একটু সাবান লাগিয়ে দিবি। একা একা পারা যায়না।
আমি- ঠিক আছে দারাও গামছা পরে আসছি বলে ঘরে গিয়ে সব ছেরে গামছা পরে এলাম। হাঁতে সাবান খোসা নিয়ে মায়ের চওড়া পিঠে সাবান লাগিয়ে দিতে লাগলাম ব্লাউজ খোলা, পাশ দিয়ে দুধ দেখা যাচ্ছে। কি ফর্সা আমার মা আর তেমন ফিগার গামছার ভেতর বাঁড়া দারিয়ে গেছে, ভাল করে রগড়ে রগড়ে মায়ের পিঠে সাবান লাগিয়ে দিলাম।মা- নে এবার হয়েছে বলে খোসা নিয়ে নিজের দু পায়ে সাবান দিতে লাগল, ধবধবে ফর্সা মায়ের পা দুটো।
আমি পাশে দারিয়ে মায়ের সাবান দেওয়া দেখছি, আর বাঁড়া দুপায়ের মাঝে চেপে রেখেছি, ভেতরে টন টন করছে।
মা- সাবান লাগানো শেষ করে বলল বালতিতে জল ভরে দে বাবা।
আমি- কল চেপে বালতি ভরে দিলাম, পা ফাকা করে দারাতে আমার বাঁড়া গামছা ঠেলে বেড়িয়ে আসছে সেটা মায়ের চোখে পরে গেল।
মা- দে এবার ধেলে নেই বলে গায়ে জল ঢালল। শাড়ি ভিজে জাওয়ায় মায়ের দুধের বোটা দেখা যাচ্ছে। মা হাত দিয়ে রগড়াতে একটা দুধ বেড়িয়ে গেল, উহ কি বড় আর কালো বোটা মায়ের দুধের। এক মুহূর্ত দেখতে পেলাম। আরকে বালতি ভর বাবা।
আমি- এইত বলে বালতি ভরলাম কল চেপে।
মা- সামনে দারিয়ে আবার জল ঢালল।
আমি- মায়ের দুধ সম্পূর্ণ দেখতে পেলাম। এবং আমার বাঁড়া ধরে গামছার ভেতর চেপে রাখলাম।
মা- নে আমি যাচ্ছি তুই স্নান করে আয়।
আমি- ঠিক আছে মা, বলে মায়ের দিকে তাকালাম, মা হেটে যাচ্ছে। উহ কি বড় পাছা মায়ের শাড়ি লেপটে আছে মায়ের পাছার সাথে একদম তানপুরার মতন।

যাহোক হবে মনে হয় ভেবে আমিও স্নান করে ঘরে ফিরলাম।
খেয়ে একটা ঘুম দিলাম, ঘুম ভাঙল কেয়ার ডাকে, উঠে তাকাতে দেখি কেয়া।

বোন- দাদা দোকানে যাবিনা ৫ টা বাজে।
আমি- হ্যা বলে উঠে পরলাম আর ওর দিকে তাকালাম দেখি নাইটি পরে দাঁড়ানো। ভেতরে মনে হয় কিছু পরেনি, দুধ দুটো খাঁড়া খাঁড়া বেশ বড় মায়ের মতন। কিরে কখন বাড়ি এলি।
বোন- এইত কিছুখন আগে খেয়ে উঠে তোকে ডাকতে এলাম।এবার ওঠ দাদা।
আমি- যাচ্ছি বলে উঠে বসলাম।
কেয়া- দাদা তোর অনেক কষ্ট হয় দুবেলা দোকানদারী করিস।

আমি-দূর পাগল দোকানে বসে থাকা এতে আর কি কষ্ট। তুই বস আমার পাশে, আর কেমন চলছে পড়াশুনা।
কেয়া- এই চলছে দাদা, আমি তোর জন্য একটা চাকরির ফর্ম এনেছি এবার বসবি।
আমি- সময় কই।
কেয়া- না দাদা তোকে চাকরি করতে হবে। আমি সাহায্য করব নোট ঘুছিয়ে দেব।
আমি- তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস রে।

Team Vaiya:মা বোনকে নিয়ে সংসারের স্বপ্ন :Video Call — সিজন ১ ⬇️আমার বাবা বিশ্ব মাতাল দুবেলা বাংলা ছাড়া চলে না। মাল খেয়ে ...
19/04/2025

Team Vaiya:
মা বোনকে নিয়ে সংসারের স্বপ্ন :

Video Call — সিজন ১ ⬇️

আমার বাবা বিশ্ব মাতাল দুবেলা বাংলা ছাড়া চলে না। মাল খেয়ে সব শেষ করে ফেলেছে। ডাক্তার দেখিয়েছি বলছে আর মাত্র কিছু দিনের মেহমান তোমার বাবা খুব বেশী হলে ৩ মাস। ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফেরার পর মাকে সব বললাম, মা কেদে কেঁদে চোখ ভাসাল।

আমি তরুণ মিত্র, বয়স ২৬বছর, ব্যবসা করি। আমার বাবার নাম অরুন মিত্র বয়স ৫৪ বছর। আমার একটা ছোট বোন বয়স ১৯ বছর। কলেজে পরে। বোনের নাম কেয়া মিত্র। আমার মা আশালতা মিত্র বয়স ৪৫ বছর।

আমাদের অবস্থা ভালই ছিলো বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে আমাদের জীবনে অন্ধকার নেমে এল। বাবার রোজগার ছিলনা চলতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। বাবা একটি কোম্পানীর ধুপ কাঠি বিক্রি করত তাতে আমাদের সংসার চলত না।

আমি পড়াশুনা বাদ দিয়ে ব্যবসায় নামলাম। আমার রোজগারে সংসার চলে আর তার পর থেকেই বাবা পুরো মাতাল হয়ে গেল।

তিন বছর আগের কথা।

আমি বাড়ির সামনে দোকান করেছি, সারাদিন দোকানেই থাকি। বাবা এখন আর কাজ করেনা আমার কাছ থেকে টাকা নেয় বাংলা খায় কিছু বলিনা কারন ওনার মনে অনেক কষ্ট। তাছারা বাবা আগে ভালই ছিল।
মা আমার কাছে দোকানে এলেই বাবা মাকে গালাগাল করত। অকথ্য ভাষায় গালাগাল। আমি মাতাল বলে বাবাকে কিছু বলতাম না কিন্তু দিন দিন তা বেড়েই চলছে। এমন এমন কথা বলত যা সহ্য করা যেত না। বেশী গালাগাল করত মালের টাকা না পেলেই। মা থাকলে আমাকে টাকা দিতে দিত না।

একদিন বাবা মাকে দেখেই বলল, কিরে মাগী ভাতারের কাছে এসে বসে আছিস।

মা- শুনলি কি বলল মাত্রা ছারিয়ে যাচ্ছে সব।
আমি- বাবা থামবে কি বলছ হুশ আছে তোমার, আমার মা না? এই নাও টাকা বলে ১০০ টাকা দিলাম।

বাবা টাকা নিয়ে চলে গেল।

মা- তুই টাকা দিয়ে সব শেষ করলি এভাবে খেলে বাঁচবেন না।
আমি- যে যাতে খুশি তাকে তাই দিতে হয়।
মা- আজকাল কি হয়েছে কি সব বলে না আমি আর তোর কাছে আসব না বলে বাড়ি চলে গেল।
আমি- ভাবলাম বাবা কি বলে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে ভাতার বানিয়ে দিল, মাতাল কি সব বলে।

সন্ধ্যের সময় এসব হল আমি দোকানদারী করছিলাম মা এল সারে ৯ টা নাগাদ, কাস্টমার নেই তাই মা ও আমি গুছাতে লাগলাম। ১০শ টা বেজে গেল গুছগাছ করতে। আমি শাটার ফেলে দিলাম এবং মা আমি দুজনে ভেতরে।
এমন সময় বাবা এল। এই তো দুজনেই আছিস দেখছি কি হচ্ছে ভেতরে বসে শুনি খেলা হচ্ছে শাটার ফেলে।
আমি- বাবা তুমি মাত্রা ছারিয়ে যাচ্ছ কিন্তু আর টাকা দেব না।
বাবা- না না আর বলব না ভুল হয়ে গেছে কান ধরছি।
আমি- যাও বাড়ি যাও গিয়ে গিলে শুয়ে পড়। মা তুমিও যাও মাতালটাকে খেতে দাও। আমি বন্ধ করে আসছি।

বাবা মা যেতে যেতে মাকে গালাগাল করছিল সব শুনতে না পেলেও এইটুকু শুনালাম গতরখানা তো বেশ আছে তোর তা ছেলের সাথে চোদাস নাকি এই মাগী।

মা- ছি ছি কি সব বলে তুমি থাম ছাইপাশ গিলে যা খুশি তাই বলে। ওটা আমার ছেলে। তুমি এত খারাপ হয়ে গেছ।

আমি বন্ধ করে বাড়ি যেতে দেখি বাবা খেয়ে শুয়েও পড়েছে। আমি মা ছোট বোন খেয়ে নিলাম তারপর ঘুমাতে গেলাম।

বাবার মাতলামো আরও বেড়ে গেল তার কিছু দিনের মধ্যে বাবা একদম নরম হয়ে গেল। চলাফেরা করতে পারেনা বললেই চলে, এর পড় আর বের হতে পারত না তাই আমি দোকানে বসিয়ে রাখতাম। মা না করা সত্তেও আমি বাবাকে বাংলা এনে দিতাম। আর আমার দোকানে বসে থাকত কিন্তু বাবা মোটেও মাকে সহ্য করতে পারত না। মাকে দেখলেই গালাগাল করত উল্ট সিধে বলত। পরের দিন রাতে মা আসতেই বাবা মাগি এই গতর নিয়ে আমার সামনে ঘুরবিনা, নাগর খুজতে বেড়িয়েছ, যা যা বেশ্যামাগী এখান থেকে যা।

এভাবে আরও বেশ কয়েকদিন গেল বাবা কথার জন্য মা দোকানের কাছে আসত না। আমি বাবাকে বোঝালাম বাবা মাকে এসব কেন বল মা কষ্ট পায় তুমি বোঝনা।
বাবা- হাউ হাউ করে কেঁদে দিল তোরতোরা শুধু আমার উপরটা দেখলি ভেতরটা দেখলিনা। আমি কিছু করতে পারিনা আমার কি কষ্ট সেটা তোরা বুঝলিনা।
আমি- বাবা আমি তো আছি সব খেয়াল রেখেছি তো।
বাবা- আমার এ অবস্থা না হলে তোকে এই দোকানদারি করতে হত ভাল পরাশুনা করে এক্তা ভাল চাকরি পাবি কত আশা ছিল।
আমি- যা হবার হয়ে গেছে চলে তো যাচ্ছে সমস্যা হচ্ছেনা।
বাবা- তোর বোন বড় হয়েছে ওকে বিয়ে দিবি কি করে। আমি সেই সব ভেবে খেয়ে থাকি বাবা।
আমি- আমি তো আছি ওর দায়িত্ব আমার তোমাকে ভাবতে হবেনা।
বাবা- কত বড় হয়েছে দেখেছিস তোর মায়ের মতন হয়ে গেছে।
আমি- তুমি মা কি কব যে ও বড় হবেনা।
বাবা- তোর মায়ের কোন অযত্ন করিস না।

এইসব কথা বলছিলাম মা দূর থেকে ডাক দিল তোর হল এবার বন্ধ করে আয়।

আমি- মা আস এইত বন্ধ করছি
বাবা- এই আশা এদিকে আসতো।মা কাছে আসতে বলল আমার দিন শেষ, ছেলেকে নিয়ে থেক তুমিই সব ওদের আগলে রেখ।
মা- আজ এত মিষ্টি কথা গলায় পরে নাই।
আমি- মা বাবার শরির একদম ভালনা।
মা- কি সব কথা বলে শুনেছিস না তুই, নিজের ছেলেকে নিয়ে এমন কথা কেউ বলে তোর বাবা যা বলত।আমি- আমি বুঝি মা বাবাকে ক্ষমা করে দাও। বাবা অনুতপ্ত।
মা- দেখব কালকে কি করে, ওকে আর সহ্য হয়না। আমি মেনে নিতে পারিনা ওর কথাগুলো।
আমি – কেন মিছে মিছে বাবার উপর রাগ করছ, বাবা যা বলে নেশার ঘোরে বলে এসব মনে না রাখাই ভাল।
মা- আমি বুঝি কিন্তু মনে তো জাগে তখন খারাপ লাগে বাবা। তোর বোনটাও যেনে গেছে বাবা এমন কথা বলে।
আমি- ঠিক আছে বাবা আর এরকম কথা বল্বেনা কিন্তু।
বাবা- আর বলব না এবার ঘরে চল।

আমরা সবাই ঘরে গেলাম। এর পড় দুইদিন বাবা চুপচাপ ছিল। একদিন বলল একটু খাওয়াবি বাবা খুব আবদার করল। আমি এনেও দিলাম। আর কোথায় যাবে রাতে আগের মতন শুরু করল। আমি রেগে গিয়ে বাবাকে থামবে তুমি নেশা করে কি কি বল তোমার হুশ আছে, এতে মা বিড়ম্বনায় পরে একদম চুপ আর বাজে বকবেনা।
বাবা- মুখে আঙ্গুল দিয়ে চুপ করে গেল।
আমি- মা তুমি একটু দেখ আমি পায়খানা করে আসছি।
মা- দোকানের ভেতর আসল
আমি- বেরিয়ে আসলাম। কিন্তু পায়খানায় গেলাম না বাইরে দারিয়ে থাকলাম।
মা কাস্টমার বিদায় করে বাবাকে বলল তুমি কি বল তোমার হুশ আছে ছেলে কি ভাবে।
বাবা- আমি কি করব আর মাত্র কয়েকদিন আছি তারপর কি করবে, ছেলে বিগরে গেলে কি করে বাঁচবে। তাই বলছি।
মা- আমার ছেলে ভাল ওকে নিয়ে তোমার ভাবতে হবেনা।
বাবা- আশা তুমি বুঝতে পারছনা, যদি ওকে রাখতে পার তবে তোমার আর সমস্যা হবেনা।
মা- তুমি যা বল তা সম্

18/04/2025

মা বোনকে নিয়ে সংসারের স্বপ্ন :

Video Call — সিজন ১ ⬇️

আমার বাবা বিশ্ব মাতাল দুবেলা বাংলা ছাড়া চলে না। মাল খেয়ে সব শেষ করে ফেলেছে। ডাক্তার দেখিয়েছি বলছে আর মাত্র কিছু দিনের মেহমান তোমার বাবা খুব বেশী হলে ৩ মাস। ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফেরার পর মাকে সব বললাম, মা কেদে কেঁদে চোখ ভাসাল।

আমি তরুণ মিত্র, বয়স ২৬বছর, ব্যবসা করি। আমার বাবার নাম অরুন মিত্র বয়স ৫৪ বছর। আমার একটা ছোট বোন বয়স ১৯ বছর। কলেজে পরে। বোনের নাম কেয়া মিত্র। আমার মা আশালতা মিত্র বয়স ৪৫ বছর।

আমাদের অবস্থা ভালই ছিলো বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে আমাদের জীবনে অন্ধকার নেমে এল। বাবার রোজগার ছিলনা চলতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। বাবা একটি কোম্পানীর ধুপ কাঠি বিক্রি করত তাতে আমাদের সংসার চলত না।

আমি পড়াশুনা বাদ দিয়ে ব্যবসায় নামলাম। আমার রোজগারে সংসার চলে আর তার পর থেকেই বাবা পুরো মাতাল হয়ে গেল।

তিন বছর আগের কথা।

আমি বাড়ির সামনে দোকান করেছি, সারাদিন দোকানেই থাকি। বাবা এখন আর কাজ করেনা আমার কাছ থেকে টাকা নেয় বাংলা খায় কিছু বলিনা কারন ওনার মনে অনেক কষ্ট। তাছারা বাবা আগে ভালই ছিল।
মা আমার কাছে দোকানে এলেই বাবা মাকে গালাগাল করত। অকথ্য ভাষায় গালাগাল। আমি মাতাল বলে বাবাকে কিছু বলতাম না কিন্তু দিন দিন তা বেড়েই চলছে। এমন এমন কথা বলত যা সহ্য করা যেত না। বেশী গালাগাল করত মালের টাকা না পেলেই। মা থাকলে আমাকে টাকা দিতে দিত না।

একদিন বাবা মাকে দেখেই বলল, কিরে মাগী ভাতারের কাছে এসে বসে আছিস।

মা- শুনলি কি বলল মাত্রা ছারিয়ে যাচ্ছে সব।
আমি- বাবা থামবে কি বলছ হুশ আছে তোমার, আমার মা না? এই নাও টাকা বলে ১০০ টাকা দিলাম।

বাবা টাকা নিয়ে চলে গেল।

মা- তুই টাকা দিয়ে সব শেষ করলি এভাবে খেলে বাঁচবেন না।
আমি- যে যাতে খুশি তাকে তাই দিতে হয়।
মা- আজকাল কি হয়েছে কি সব বলে না আমি আর তোর কাছে আসব না বলে বাড়ি চলে গেল।
আমি- ভাবলাম বাবা কি বলে শেষ পর্যন্ত ছেলেকে ভাতার বানিয়ে দিল, মাতাল কি সব বলে।

সন্ধ্যের সময় এসব হল আমি দোকানদারী করছিলাম মা এল সারে ৯ টা নাগাদ, কাস্টমার নেই তাই মা ও আমি গুছাতে লাগলাম। ১০শ টা বেজে গেল গুছগাছ করতে। আমি শাটার ফেলে দিলাম এবং মা আমি দুজনে ভেতরে।
এমন সময় বাবা এল। এই তো দুজনেই আছিস দেখছি কি হচ্ছে ভেতরে বসে শুনি খেলা হচ্ছে শাটার ফেলে।
আমি- বাবা তুমি মাত্রা ছারিয়ে যাচ্ছ কিন্তু আর টাকা দেব না।
বাবা- না না আর বলব না ভুল হয়ে গেছে কান ধ

18/04/2025

অনেক দিন পর গল্প দিচ্ছি

ভাড়াটিয়া বৌদি (১ম পর্ব)আমি নিরব। ঢাকা শহরে একাই থাকি। লেখাপড়া করতেছি, অর্নাস ১ম বর্ষ। বাবা-মা দেশের বাড়িতে থাকে। আমি লেখ...
06/12/2022

ভাড়াটিয়া বৌদি (১ম পর্ব)

আমি নিরব। ঢাকা শহরে একাই থাকি। লেখাপড়া করতেছি, অর্নাস ১ম বর্ষ। বাবা-মা দেশের বাড়িতে থাকে। আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি আমাদের ২ টা বাসা দেখাশুনা করি।
আমার বাসার নিচ তালাটা এক বছর থেকেই ফাকা আছে। কিছু দিন হলো এক ভাই আরে বৌদি বাসা ভাড়া নিয়েছে। প্রথমেই বুজতে পারলাম ভাইয়া তেমন কিছু করে না, হালকা ব্যবসা করে সংসার চালাই। আসল কথায় আসা যাক। আসলে আমি ভাইয়াকে দেখে বাসা ভাড়া দেই নি। বৌদিকে আমার খুব ভাল লাগার কারণে বাসাটা তাদের দিছিলাম।
বৌদি দেখতে কেমন, সেইটা তো আপনাদের বলা হয়নি। বৌদির বয়স ছিলো ৩০। বাচ্চা এখনো হয়নি। শরীরটা বেশ ভালই ছিলো। দু*ধ ৪০ সাইজ আর পা*ছাটা বিশাল, আন্দাজ করে বুজতে পারলাম ৪৪/৪৬ তো হবেই।
প্রথম ২ মাসের ভাড়া এডভান্স দেওয়ার কারণে বৌদির সাথে তেমন দেখা হতো না। মাঝে মাঝে ছাদে আসতো জামা-কাপড় শুকানোর জন্য। সিড়ি দিয়ে যখন উঠতো, সাড়া শরীর লাফাতো, এটা আমি দরজার ফাকা দিয়ে দেখতাম। এভাবে কিছুদিন দেখার পর বৌদিকে নিয়ে অনেক খারাপ কিছু ভাবতে শুরু করলাম।
কিভাবে বৌদিকে পটানো যায়। অনেক প্লান করতে লাগলাম কিন্তু সাহজ করে উঠতে পারছি না কি করব।
৩ মাসের সময় আমি ভাড়া নিতে বৌদির কাছে যাই। দরজাই গিয়ে ডাকতেই বৌদি দরজা খুলে ভিতরে আসতে বলে। আমি বৌদির দিকে তাকিয়ে আছি, শাড়ীতে বৌদিকে খুব সুন্দর লাগছে। পাতলা কাপড়ের ব্লাউজ পড়ার করণে ভিতরের লাল ব্রা সচ্ছ দেখা যাচ্ছে। আমি তো হা মেলে তাকিয়ে আছি।
আমার হা মেলে তাকিয়ে থাকাটা বৌদি বুজতে পারছে, সে একটু ইতস্তত হয়ে আবার বলল ভিতরে আসো। আমি ভিতরে দিয়ে বসলাম।
আমিঃ বৌদি, এ মাসের ভাড়া নিতে আসছি।
বৌদিঃ তোমার ভাই বাসায় আসলে তোমাকে দিয়ে দিবো। এখন আমার কাছে টাকা নাই।
আমি ঠিক আছে বলে চলে আসলাম। চলে আসার পর হটাৎ করে একটা বিষয় মনে পড়ল, ভাবলাম বৌদিকে এখনি লাগানোর সময়, কারণ বাসায় কেউ নাই, আমি জোর করে আদর করব, যে ভাবা সেই কাজ।
আমি আবার দরজায় গিয়ে ডাকলাম, বৌদি দরজা খুলে আসলো। আমি…….(চলবে)

12/09/2022

s story
মা ছেলের কামিলীলা part:1

বাহিরে বৃষ্টির দিকে আনমনে হয়ে তাকিয়েছিলেন Shanaj Akter Sompa। তার মন বিষন্ন।হঠাৎ দরজা খুলে তার ঘরে প্রবেশ করল ছেলে নীল।ছেলের পায়ের শব্দে ঘোর কাটল তার।ফিরে তাকালেন পিছনের দিকে।ছেলের দিকে তাকিয়ে হাসার চেষ্টা করলেন।

হঠাৎ নীল বলল আম্মু তোমার মন খারাপ।
—"না বাবা!" বললেন তিনি।
—তোমাকে দেখে দুখী মনে হচ্ছে মা!কী হয়েছে
বল আমাকে।
—আমার কিছু হয়নি বাবা!
—আমার কাছে মিথ্যে বলো না মা
কি হয়েছে তোমার বল মা?আমি তোমার ছেলে বলো আমাকে।।
—তোর বাবা আমাকে ঠকাচ্ছে!

মায়ের কথা শুনে অবাক হল নীল। সে কলেজে পড়ে তার বয়স ১৯।বন্ধুদের সাথে মিশে আর p**n ভিডিও দেখে যৌনতা সম্পর্কে নতুন ধারণা হচ্ছে তার।যৌবনের শুরু থেকেই তার মার প্রতি প্রবল আকর্ষণ।
মাকে সে খুব করে পেতে চায় সে।তার মা সম্পা,,বয়স ৩৯।এখনো নিজের যৌবন ও রুপ ধরে রেখেছেন।৩৮ সাইজের ব্রা আর ৪০ সাইজের পেন্টি এখনো তার বুক আর নিতম্ব কে আগলে রাখে।শরীরে একটু মেদ জমেছে,,,যা তার শরীরের কাম দেবী কে যেন আরো জেগিয়ে তুলেছে।।পাড়ার যে কেউ তাকে দেখে নিজেকে সামলাতে পারে না!! সেই কামদেবী কে নাকি তার বাবা ঠকাচ্ছে।নীলের বাবার বয়স ৪৫।নীল মাকে জিজ্ঞেস করল,,,,

—কী বলছ মা।বাবা!!!
—হ্যা বাবা অফিসের এক কলিগের সাথে!

নীল অবাক না হয়ে পারল না। যে মাকে দেখলেই তার তাকে গিলে খেতে ইচ্ছে করে!!তার দেহ যেন সবসময় কাছে ডাকে!!নিজের জন্মস্থান এ নিজের পুরুষত্তের প্রমাণ রাখার ইচ্ছে জাগিয়ে তোলে!!!তাকে কি না তার বাবা ঠকাচ্ছে।

নীল তার মাকে জড়িয়ে ধরল।মাকে সে সব সময় জড়িয়ে ধরে তবে এবার যেন মনে অন্য কিছু ছিল।
নীল মাকে বলল

—চিন্তা করো না মা।আমি তো আছি
—হ্যা বাবা আমি জানি!কিন্তু তোর বাবা কিভাবে আমাকে ফেলে অন্য কারো সাথে

নীল নিজের বুকে মাকে টেনে নিল।

—বাবা যা করেছে তা ঠিক না মা।তাকে তুমি ভুলে যাও
মা।আমি তোমার সব খেয়াল রাখব।
—তুই আমার ছেলে বাবা আমি জানি তুই আমাকে দেখে রাখবি।কিন্তু আমার তো অন্য চাহিদাও রয়েছে বাবা!!!
—কি আম্মু।বলো আমাকে। আমি তোমাকে সব দেব
—তা হয় না বাবা!আমি তোর মা!আমি তোকে দেহের চাহিদার কথা কিভাবে বলি!!

12/09/2022

Address

Kolkata
718826

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla choti posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category