16/12/2022
আল বাইত স্টেডিয়ামে ১৬০০০ মরক্কান সমর্থক এসেছিলো। তাদের উল্লাস, স্লোগান দেখে মুহুর্তে মনে হতে পারে ১৬ নয় ৬০ হাজার দর্শক এসেছে আটলাস পর্বতের পাদদেশ হতে।
স্বপ্নের মতো এক বিশ্বকাপ কাটালো মরক্কো ফুটবল দল। তাদের এই যাত্রা বদলে দিবে আফ্রিকান ফুটবল, যেভাবে ওরা পরিবর্তন এনেছিলো ৮৬ বিশ্বকাপে। সেবারও গ্রুপ অফ ডেথ থেকে ২য় রাউন্ডে গেছিলো ওরা। এবার সব ছাড়িয়ে, প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে।
ফ্রান্সের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করলো ওরা। ফাইনালের যাওয়ার আশা ছাড়ে নি শেষ মিনিট পর্যন্ত। কিন্তু ভাগ্যে না থাকলে যা হয়। গোলের পর গোল মিস হয়েছে, গোল লাইন ক্লিয়ারেন্স হয়েছে। হারের পরও মরক্কোর দর্শকরা তৃপ্ত। খেলা শেষে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়েছ, জাতীয় বীরদের স্যালুট দিয়েছে অনেকে।
মরক্কো খেলোয়াড়দের ভিন্ন ভিন্ন দেশে বেড়ে উঠা। কারো জন্ম স্পেনে, কারো নেদারল্যান্ডসে, কারো ফ্রান্সে। কেউ এসেছে কানাডা হতে! তবুও ওরা একটা পতাকার জন্য লড়াই করেছে, নিজেদের পরিবারের জন্য লড়াই করেছে। মাতৃভূমিকে উচ্চ শিখরে রাখতে চেয়েছে। পেরেছে? বেশ ভালোভাবেই পেরেছে!
রূপকথারা ডানা মেলতে পারে না পুরোদমে। যেমনটা পারে নি দঃ কোরিয়া, তুরস্ক, বুলগেরিয়া, সুইডেন! তেমনিভাবে মরক্কান রূপকথাও অপূর্ণ থেকে গেছে! তবে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখাতে পেরেছে! কাতার বিশ্বকাপের ইতিহাস কেউ স্মরণ করলে অবশ্যই মরক্কোকে মনে করতে হবে। মনের অজান্তে মুখ ফসকে বেরিয়ে যাবে, কি দুদার্ন্ত একটা দল!