অশ্রু

অশ্রু love ��
(1)

25/07/2024
I've received 100 reactions to my posts in the past 30 days. Thanks for your support. 🙏🤗🎉
25/07/2024

I've received 100 reactions to my posts in the past 30 days. Thanks for your support. 🙏🤗🎉

ঘুম ভাঙ্গার পরে,,,,,,,হয়তো আবার মা*রা*মা*রি শুরু করবে🥰এই সম্পর্কের নামি হলো ভাই বোন 🥀❤️
14/07/2024

ঘুম ভাঙ্গার পরে
,,,,,,,হয়তো আবার মা*রা*মা*রি শুরু করবে🥰
এই সম্পর্কের নামি হলো ভাই বোন 🥀❤️

13/07/2024
যারা ফুল পছন্দ করে তাদের মন ফুলের মতোই সুন্দর হয় 😊💜
11/07/2024

যারা ফুল পছন্দ করে তাদের মন ফুলের মতোই সুন্দর হয় 😊💜

বিয়ে করে কি পেয়েছি?-বিয়ে করে সর্বপ্রথম একটা বউ পেয়েছি!-পকেটে একটা মোবাইল থাকার পরও সারাদিনে যখন একটাও কল আসেনা তখন একটা ...
10/07/2024

বিয়ে করে কি পেয়েছি?

-বিয়ে করে সর্বপ্রথম একটা বউ পেয়েছি!
-পকেটে একটা মোবাইল থাকার পরও সারাদিনে যখন একটাও কল আসেনা তখন একটা কল করে ' তুমি এখন কোথায়? বলার মানুষ পেয়েছি! তখন নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ 'পাবলিক' মনে হয়।
- একজন কুকার/সেফ/পাঁচক/রাঁধুনি পেয়েছি। একটা ওয়াসিং মেশিন পেয়েছি। পাঞ্জাবীটা ময়লা হয়েছে বললেই, মেশিন অটো চলে!

-একটা অটো টেপরেকর্ডার পেয়েছি, মাঝে মাঝে 'কি-বোর্ড' টেপা ছাড়াই বাজতে থাকে! কখনো জোড়ে 'স্টপ' বললে বন্ধ হয়, কখনো শব্দ পরিবর্তন হয়ে 'বৃষ্টি' চালু হয়! কখনো 'হাইফাইভ' দেখালে অটো বন্ধ হয়ে যায়। বড় বিচিত্র এই রেকর্ডার!

-সপ্তাহ পাঁচ-সাত দিন পর পর অতি যত্ন সহকারে বাজার-সদায়ের লিস্ট ধরিয়ে দেয়ার জন্য একজন 'কেয়ারটেকার' পেয়েছি!
-আমার ঘরে রাত ১১টা সাড়ে ১১টার পর আমাকেই প্রবেশ নিষেধ বলে হুমকি দেয়ার 'দারোয়ান' পেয়েছি!

-ছোট একটা 'এলার্মক্লক' পেয়েছি!

-বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি, শালা-শালী, সম্বন্ধী পেয়েছি। সম্পূর্ণ অপরিচিত কিছু মানুষকে নিকটাত্মীয় হিসেবে পেয়েছি।
- একটা সন্তান পেয়েছি। সে যখন Baba বলে কোলে চড়ে বসে কিংবা গলা জড়িয়ে ধরে তখন বাগানে ফুল ফুটলে মালির যে অনুভুতি হয় তার চেয়েও বেশি মনটা শীতল হয়!

-এত এত প্রাপ্তির মাঝে কিছু হারিয়েছিও! প্রথমত, কুমারত্ব হারিয়েছি ! (যদিও কোন মেডিকেল রিপোর্ট নাই)

-অতপর, মানিব্যাগ আর রিমোর্টের একছত্র অধিকার হারিয়েছি। মাঝে মাঝে মোবাইলটাও বেদখল হয়ে যায়!
✌️🙊
সর্বশেষ সুখে- দুখে একটা কথা বলার সঙ্গী পেয়েছি!💙

বার বার বিশ্বাস ভাঙার পরেও ক্ষমা করে দিয়ে, কিঞ্চিৎ ভালোবাসার লোভে সবটুকু ভালোবাসা নিংড়ে দিয়ে, গুরত্ব না পেয়েও সবার আগে গ...
10/07/2024

বার বার বিশ্বাস ভাঙার পরেও ক্ষমা করে দিয়ে, কিঞ্চিৎ ভালোবাসার লোভে সবটুকু ভালোবাসা নিংড়ে দিয়ে, গুরত্ব না পেয়েও সবার আগে গুরুত্ব দিয়ে, কষ্ট পাওয়ার পরেও বার বার মেনে নিয়ে, ভুল না করেও সরি বলে রাগ ভাঙিয়ে, সবটুকুন আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়েও যখন বিপরীত দিক থেকে অল্প কিছুও ফেরত পাওয়া যায় না, তখন দুঃখ লাগে। মনে হয় নিজেই নিজেকে ঠকাচ্ছি।

বার বার বদলাতে চেয়ও যখন কাউকে বদলানো যায় না, একদিন সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে ভাবার পরেও যখন কিছু ঠিক হয় না, তখন আলগোছে সরে আসতে হয়। অন্য কাউকে বদলানোর চেষ্টা বাদ দিয়ে নিজেকে বদলে যেতে হয়।

তিল তিল করে গড়ে উঠা ভরসা করার জায়গাটা, সমস্ত ভয় কাটিয়ে তৈরি হয় শক্তপোক্ত বিশ্বাসটা, ভেঙেচুরে যাবার পর ওই মানুষটার প্রতি আগের মতো অনুভূতি, শ্রদ্ধাবোধ, মায়া কোনোটাই থাকে না। যে ভালোবাসার মানুষ জীবন সুন্দর অনুভব করানোর পরিবর্তে জীবন নরক বানিয়ে ফেলে সে ভালোবসার মানুষ থাকার চেয়ে না থাকাই শ্রেয়।

মনে রাখা ভালো—
কোনো কোনো ভালোবাসার মানুষ হৃদয়ে থাকাই সুন্দর, জীবনে থাকাটা নয়।

কইরে আমার ছোট্ট বেলার    হারিয়ে যাওয়া সুখ,আয়রে তোরে জড়িয়ে ধরে        ঠান্ডা করি বুক।কইরে আমার রঙিন সুতা    কাটের না...
10/07/2024

কইরে আমার ছোট্ট বেলার
হারিয়ে যাওয়া সুখ,
আয়রে তোরে জড়িয়ে ধরে
ঠান্ডা করি বুক।

কইরে আমার রঙিন সুতা
কাটের নাটাই কই!
কইরে ঘুড়ি আয়রে তোদের
একটু হাতে লই।

ছোট্ট বেলার সাধের লাটিম
কোথায় গেলি বল!
আয়রে কাছে দে মুছে দে
স্মৃতির নোনাজল।

পুতুল খেলার সঙ্গীরা সব
কোথায় গেলি ভাই!
চড়ুইভাতি রান্না করে
আয়রে সবাই খাই।

কোথায় আমার ঝড়ের দিনের
কুড়িয়ে খাওয়া আম
আয়না তোদের একটু কুড়াই
বৃষ্টিরা কই নাম।

কোথায় আমার বাঁশের ধনুক
পাটের শোলার তীর,
আয়রে তোদের একটু ছুড়ে
মনটা করি স্থির।

আমার শখের ছাগল ছানা
সুন্দরী তুই কই,
আয়রে তোরে চরাই মাঠে
একটু রাখাল হই।

কাঁঠাল খেজুর সিমের বিচি
কোথায় তোরা গেলি
আয়না কাছে তোদের দিয়ে
জোড় না বেজোড় খেলি।

কোথায় আমার খড়কুটাতে
পুটলি বাঁধা বল
আয়রে তোরে একটু খেলি
চলরে মাঠে চল।

ছোট্ট বেলার বড়শি সুতা
কোথায় গেলি ভাই
চল না স্মৃতির পানান বিলে
মাছ ধরিতে যাই।

কোথায় আমার ছোট্ট সোনা
ময়না পাখির ছা
ফড়িং ধরতে আয় না রে যাই
দুরের কোন গাঁ।

কইরে আমার আমন ক্ষেতের
পোকায় কাটা ধান
আয়রে তোরে আঁচল ভরে
কুড়িয়ে জুরাই প্রাণ।

তিন বেয়ারিং এর কাঠের গাড়ি
কোথায় গেলি তুই
আয়না তোরে একটুখানি
হৃদয় দিয়ে ছুঁই।

ছোট্ট বেলার নাটাই ঘুড়ি
লাটিম পুতুল বল
দেখনা চেয়ে কেমনে আমার
ঝরছে আঁখি জল।

যেদিন তোদের ছেড়ে এলাম
শূন্য করে বুক
সেদিন থেকে আর কোনদিন
শুকায়নি দুই চোখ।

উঠতে কাঁদি বসতে কাঁদি
কাঁদছি অনর্গল
তোদের মত আসে না কেউ
মুছতে আঁখি জল।

এ সংসারের সবাই পাষাণ
পাষান এ সংসার
এদের দহন এদের পিড়ন
সয়না প্রাণে আর।

ছোট্ট বেলার দিনগুলি মোর
ধরছি তোদের পা
আবার তোরা তোদের কাছে
আমায় নিয়ে যা।

ছেড়ে দে সেই নাটাই ঘুড়ি
বল পুতুলের ভিড়ে
বাকি জীবন থাকব সেথায়
আসব না আর ফিরে।

শিরোনাম :-শৈশব স্মৃতি
বই :-কালের চিত্র
ছবি-সংগৃহীত

মিথিলা তার দুলাভাইয়ের সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্ত পার করছে।।মিথিলা প্রায় অর্ধ উলঙ্গ আর দুলাভাই শুধু শর্ট পেন্ট। তাদের প্রেমলীল...
07/07/2024

মিথিলা তার দুলাভাইয়ের সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্ত পার করছে।।মিথিলা প্রায় অর্ধ উলঙ্গ আর দুলাভাই শুধু শর্ট পেন্ট। তাদের প্রেমলীলা দেখে আমি থমকে যাই। এটা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না আমি।আমি মিথিলাকে ভালোবাসি এটা মুটামুটি বাড়ির সবাই জানে। এই কারনে কত যে মাইর খেয়েছি তার কোনো হিসাব নাই।আমাকে বরাবর বলে দিয়েছে মিথিলাকে নিজের বোনের মতো দেখার জন্য।
আমি মিথিলাকে এমন অবস্থায় দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না।।
-- ছিহ, ছিহ মিথিলা এইসব কি দেখছি?আর দুলাভাই আপনি কি করে পারলেন এটা করতে?(আমার আওয়াজ সুনে যেন ওদের মাথায় আকাশ ভেংগে পরছে)
-- আসিফ প্লিজ কাউকে বইলো না প্লিজ,,,কাউকে বললে আমাদের মানসম্মান থাকবে না?(দুলাভাই)
ওনি সুমি আপুর স্বামী,,,দেখতে স্মার্ট,, আর অনেক বড় চাকরি করে।সুমি আপু হলো মিথিলার বড় বোন।আপু সকালে তার বাচ্চাকে ডাক্তার দেখাতে গেছে। সাথে চাচিও গেছে।চাচা নাই মারা গেছে ৩ বছর হয়।আব্বুই দুই পরিবারের প্রধান। আব্বুও চাচা মিলে একইরকমের দুইটা দুতলা বাড়ি করে। সুমি আপুর বিয়ে হয়েছে ২ বছর।একটা ৬ মাসের মেয়ে বাচ্চাও আছে। আপুকে আব্বুই বিয়ে দেয়।।বিয়েটা পারিবারিক ভাবেই হয়।দুলাভাই আমার হিরেরটুকরা বাড়ির সবাই জানে।।কিন্তু তার চরিত্র যে এত খারাপ আমি নিজেও ভাবতে পারছি না।
আর মিথিলা? মিথিলা এটা কিভাবে করলো?মিথিলার মত ভদ্র মেয়ে ত তিন গ্রাম খুজেও পাওয়া যাবে না।মিথিলার সৌন্দর্য পরিবারের লোকজন ছাড়া বাহিরের কেউ দেখে নাই।হাত মৌজা।পা মৌজা বোরকা পরে পর্দার সাথেই সব সময় চলাচল করে।কিন্তু আজ সেই মিথিলার একি হাল দেখছি??
-- চুপ করেন আপনি?লজ্জা করে না আবার কথা বলেন?আর মিথিলা তুই না পর্দা করিস,,,কোনো পর পুষের সামনে যাস না।এই তর পর্দার আরালে আসল চেহারা?(আমার কথা সুনে মিথিলা কিছু বলছে না নিজেকে ঢেকে কেদে যাচ্ছে)
-- তোর জন্য তো পুরো পর্দানশীন নারীদের সম্মান নষ্ট হলো।কি দরকার ছিল পর্দা করার পতিতা পল্লিতে গেলেই ত পারতি?(এই মিথিলাকে যখন আমি বলতাম মিথিলা আমি তোকে ভালোবাসি।তোর জন্য সব করতে পারবো।তখন মিথিলা আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলতো।।আর আব্বুকে বলে আমাকে মাইর খাওয়াতো)
-- আসিফ,,,কাউকে বলিস না প্লিজ?(মিথিলা কান্না করতে করতে)
-- মিথিলা আমি যখন তোকে ভালোবাসি বলতাম,,তুই আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলতি আব্বুর কাছে মাইর খাওয়াইতি।আজ তোর আসল রুপ টা দেখুক সবাই।।আর দুলাভাই আপনাকে আর কি বলবো?(
আমি রুম থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলাম।ওদের কে যতই বলি রুপ দেখিয়ে দিব কিন্তু সুমি আপুর সংসারটার কি হবে? আর একটা ৬ মাসের মেয়েও আছে তাদের।আর মিথিলাতো আমার চাচাতো বোনই। যাকে আমি ভালোবাসি।তাকে সম্মান কি করে নষ্ট করি।)
-- দুলাভাই আপনি এখনো এখানে বসে আছেন?(দুলাভাই মাথা নিচু করে বসে ছিল)
আমার কথা সুনে,,,দুলাভাই রুম থেকে বের হয়ে যায়।,,
-- মিথিলা অন্তত তোর কাছে এটা আশা করি নাই।কাজ টা কিন্তু বেশি ভালো করিস নাই।।(বলে যখন রুম থেকে বের হতে যাবো দরজা আটকানো)
মিথিলা চিল্লাতে শুরু করে দিছে,,
-- আসিফ আমাকে ছেড়ে দে প্লিজ।আমার এত বড় সর্বনাশ করিস না প্লিজ।। আমি তোকে ভাইয়ের মতোই ভাবি।।।আসিফ না প্লিজ,,,(মিথিলার কান্ডে আমি বাকরুদ্ধ।। সেই সুযোগে মিথিলা ভিতর থেকে দরজা আটকিয়ে নিয়েছে!)
আমি কথা বলতে পারছিলাম না।গলা দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছে না।মনে হচ্ছে হাত,পা সব বেধে রেখেছে কেউ।।
-- আসিফ তুই আমার এত বড় সর্বনাশ করিস না প্লিজ আমি তোর পায়ে পরছি।।।।(মিথিলা তার কাপড় চোপড় ছিরতে লাগলো।প্রায় অনেক অংশ ছেড়ে ফেলছে)
--অনেক কষ্টে মুখ থেকে বের করলাম,,,মিথিলা কি হচ্ছে এইসব?(আমি)
-- কেউ,,বাচাও আসিফ প্লিজ,,,আ,,,,(মিথিলা অনেক জোরে চিল্লাচ্ছে)
আমি যেখানে ছিলাম সেখানেই দাড়িয়ে আছি,,,।মিথিলার এমন কান্ডে শরিরের শক্তি হারাই ফেলছি।
বাহির থেকে দরজা ধাক্কাতে লাগলো দুলাভাই।আর দরজা খুলার জন্য চিল্লাতে লাগলো।
দুলাভাইয়ের চিল্লানি সুনে আব্বু,আম্মু,ভাইয়া,ভাবি সবাই মনে হয় চলে এসেছে।
জোরে দরজা ধাক্কাতে ধাক্কাতে দরজা ভেংগে ফেলে সবাই।দরজা খুলতেই মিথিলা আব্বুর পিছনে গিয়ে লুকায়,,,।মিথিলার কাপড় চোপড় ছেড়া দেখে আন্তাজ করে ফেলেছে মিথিলার সাথে খারাপ কিছু হতে যাচ্ছিল।।
মিথিলা ন্যাকা কান্না করছে,,, মিথিলাকে ভাবি আগলে নেয়।আর সবাই আমার দিকে অগ্নি চুক্ষু দেখাতে লাগলো?
আব্বু আমার সামনে এসেই ঠাস,,,ঠাস কয়েকটা চর বসিয়ে দেয়। ভাইয়া এসেও অনেকটা চর মেরেছে।আমি কিছু বলতে যাবো সেই সুযোগ নাই।সব কিছু এত দ্রুত হচ্ছিল।
-- মিথিলা,,আসিফ তো তোমাকে কলেজে যেতে ডাকতে আসছিল?তোমাকে এত খারাপ অবস্থায় দেখা যাচ্ছে,কেন?আসিফ কি তোমার সাথে কিছু করেছে?(ভাবি হয়ত বিশ্বাস করতে পারছে না।আমার মত ছেলে এমন একটা কাজ করবে)
-- ভাবি আমি সুয়ে ছিলাম।আসিফ এসে আমাকে একা পেয়ে আগের মতো ভালোবাসার প্রস্তাব দেয়।আমি বড় আব্বুকে জানাবো বলাতে আসিফ আমাকে বলে আমি নাকি অনেক মাইর খাওয়াইছি।তাই আজ আমার ইজ্জত কেড়ে নিবে।।তার পর আসিফ আমার সর্বনাশ করতে থাকে।আপনারা না আসলে আজ আসিফ আমার কি যে করতো?(মিথালা ভাবিকে জড়িয়ে ধরে নেকা কান্না কাদছে)
মিথিলার কথা অবিশ্বাস করার কোনো কারনই নাই। আগেই বলেছি তিন গ্রাম খুজেও এমন মেয়ে পাওয়া যাবে না।
আব্বু মিথিলার কথা সুনে যেন আরো রেগে গেলেন?
--তুই আমার ছেলে ভাবতেই লজ্জা লাগছে।যে নিজের চাচাতো বোনের সাথে এমন করতে পারে সে অন্য মেয়েদের কি না করবে?তোর এইবাড়িতে কোনো জায়গা নেই।বের হয়ে যা এই বাড়ি থেকে?(আব্বুর কথা সুনে চোখ বেয়ে পানি পরছে।)
-- আব্বু আমি কিছুই করি নাই?(মাথা নিচু করে কান্না করতে করতে বললাম)
-- অই তুই আমাকে আব্বু বলবি না।আজ থেকে আমার একটা ছেলে তুই মরে গেছিস।(আব্বুর মুখে এই কথা সুনার থেকে মরে যেতে পারলেও অনেক সুখের হতো)
-- আম্মু,,আমি কিছু করিনাই,,মিথিলা,,(কথা আটকিয়ে দিয়ে)
-- তুই আমাকে আম্মু বলবি না,,জানিনা কোন পাপে তোকে পেটে ধরেছিলাম।(আম্মু কেদে কেদে)
আম্মুর মুখে কথা সুনে মনে হচ্ছে কলিজা ছিড়ে যাচ্ছে।
আর কাকে বলবো যেখানে আমার গর্ভধারিণী মা বিশ্বাস করে না।আমাকে কিছু বলতেও দেয় নাই।।
আমি দুলাভাইয়ের দিকে তাকালাম,,,মুখে পৈচাছিক হাসি।,,আর মিথিলা এখনো ন্যাকা কান্না করছে।।
সুমি আপুও চলে এসেছে।যার আদরে আমার বড় হওয়া।যেই আপুটা আমাকে আপন ভাইয়ের মতো ভালোবাসে। আমাকে এখনো মুখে খাবার তুলে খাইয়ে দেয়।।সেই আপুটা সব কিছু সুনে,, কান্নায় বুক ভাসাচ্ছে।। আজ আমি আপুর চোখেও খারাপ হয়ে গেলাম।।
মিথিলার রুম থেকে বের হয়ে,,,আমার রুমে গিয়ে কাপড় চোপড় গোছাচ্ছি কারন এই বাড়িতে আমার জায়গা নেই।আর আমি কোন মুখে থাকবো এখানে যেখানে সবাই আমাকে ধর্ষক বলে জানে।
কাপড় গোছানো শেষ,,রুম থেকে বের হবো এমন সময় ভাবি আমার রুমে আসলো।ভাবিকে দেখে আমি মাথা নিচু করে দাড়িয়ে ছিলাম।
কারন ভাবি আমার মায়ের মতো আদর করে।আমার টাকা পয়সার অভাব ভাবিই পুরন করে।ভাবি সুমি আপুর মতই আমার একটা বড় আপু।
-- এটা তুমি কি করলা আসিফ,,?আমরা তো মিথিলার সাথে তোমার বিয়ে দিতে রাজি ছিলাম আব্বুকে না হয় আমরা বুজিয়ে নিতাম।তার জন্য জোর করে?(ভাবি)
--ভাবি আমাকে মাফ করে দিও আমি পারি নাই সবার সামনে সত্য টা বলতে?(কান্না করছিলাম)
-- কি সত্য বলতে পারো নাই?(ভাবি)
-- ভাবি কথা দেন কথা গুলো কাউকে বলবেন না?(ভাবির কাছে কথা নিয়ে)
-- হুম,, বলো বলবো না কাউকে?(ভাবি)
-- ভাবি,,আমি মিথিলার সাথে এমন কিছুই করি নাই?(কান্না সুরে)
-- তাহলে মিথিলার কাপড় ছেড়া ছিল কেন?(ভাবি)
-- ভাবি আমি মিথিলাকে ডাকতে গিয়ে,, দুলাভাই আর মিথিলাকে পাপ কাজে লিপ্ত থাকতে দেখি।আমি তাদের অপমান করি।ভয় দেখাই বাড়ির সবাইকে বলে দিব।কিন্তু পরে আপুর সংসার,,আর মিথিলার সম্মানের কথা ভেবে থমকে যাই।।আমি রুম থেকে বের হতে যাচ্ছিলাম দুলাভাই বাহির থেকে দরজা লক করে দেয়।মিথিলা জোরে জোরে কাদতে থাকে আর কাপড় গুলো ছিড়তে থাকে। তার পর ভিতর থেকে লক করে দেয় মিথিলা। বাহির থেকে দুলাভাই দরজা ডাককাচ্ছে আর চিল্লানি সুনে তোমরা এসে আমাকে এই পরিস্থিতে 'দেখলা।।আমি কাকে বলবো এই কথা।কে বিশ্বাস করবে বলো।।(কেদে কেদে রুম থেকে বের হতে যাচ্ছি)
ভাবির চোখেও পানি,,,,ভাবি বিশ্বাস করলেও নিরুপায়।
-- কি বলছো আসিফ,,,তাদের পাপের বোজা তোমার উপর চাপিয়ে দিয়েছে?(ভাবি)
-- ভাবি তুমি কাউকে বলো না প্লিজ,,,মিথিলার সম্মান।।আর আপুর সংসার নষ্ট হয়ে যেতে পারে?(আমি)
-- জানি না আসিফ,,,কে মিথ্যা কে সত্য বলছে।মিথিলার,, আর সুমির জামাইর ত এমন কোনো বাজে লক্ষন দেখি নাই।।(ভাবি)
-- ভাবি তুমি আমাকে বিশ্বাস করছো না তাহলে এটা দেখো?(আমি সুযোগে সব কিছু ভিডিও করে রেখেছিলাম)
ভেবেছিলাম কাউকে দেখাবো না,,কিন্তু পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ টার চোখে নিজেকে খারাপ বানাতে পারি নাই।।
-- আসিফ এই ভিডিও এখনই আব্বুকে দেখাবো।।(ভাবি মোবাইল নিয়ে যেতে চায়)
-- ভাবি প্লিজ,,,কথা দিয়েছো কাউকে বলবা না।।সবার চোখে খারাপ হলেও তোমার চোখে যেন ভালো হয়ে থাকতে পারি তাই তোমাকে সব বললাম।।(কথা শেষ করতেই।।।।ভাইয়া ভাবিকে বলছে এই ধর্ষকের সাথে কিসের এত কথা)
ভাবির চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে।ভাবি আমার হাতে অনেক গুলো টাকা দিয়ে বলে টাকার দরকার পড়লে যেন ভাবিকে জানাই।।।ভাবি চোখ মুছে আমার রুম থেকে বের হয়। কিন্তু আমার চোখের পানি জোরায় না।রুমটার প্রতি মায়া লাগছিল।।আম্মুর পায়ে একবার সালাম করতে মন চাচ্ছিল কিন্তু সেই সাহস আজ আমার নেই।সবাই আমার চলে যাওয়া দেখছে।ভাবি সবার চোখের আরালে বার বার চোখ মুছছে?
১২টার বাসে রওনা দিলাম ঢাকার উদ্দেশ্যে,,,
চলবে,,,

 #সম্পর্ক শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ও বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য মানুষ সংসার করে না।সংসার একটা অভ্যেস, যা একসাথে ...
06/07/2024

#সম্পর্ক
শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করা ও বাচ্চার জন্ম দেওয়ার জন্য মানুষ সংসার করে না।

সংসার একটা অভ্যেস, যা একসাথে থাকতে থাকতে গড়ে ওঠে, একে অপরের সাথে কথা বলতে বলতে, একে অপরকে সহ্য করতে করতে এই অভ্যেস গড়ে ওঠে।

সংসার মানে হলো একসাথে থাকতে থাকতে একে অপরের গায়ের গন্ধটা আত্মস্থ করে নেওয়া। সংসার মানে হলো মানুষটা মুখের সামনে এসে দাঁড়ালেই মানুষটার মনের ভেতর কি চলছে, সেটা বুঝে ফেলা।

সংসার মানে হলো বর অফিস থেকে ফিরলে এক গ্লাস জল রোজই মুখের সামনে তুলে ধরা।

সংসার মানে হলো ছেঁড়া বোতাম সেলাই করতে করতে নিজেদের ভেতর ভুল বোঝাবুঝি গুলো মাঝেমধ্যে সেলাই করে নেওয়া।

সংসার মানে হলো এডজাস্টমেন্ট, "তোমার আমার" থেকে আমাদের হয়ে ওঠা। সংসার মানে মাছের ঝোলে নুন বেশি হলেও চুপচাপ হাসিমুখে খেয়ে ফেলা, সংসার মানে হলো রোজই বিছানার উপর রাখা নিজের পার্টনারের ভেজা টাওয়ালটা মেলে দেওয়া।

সংসার মানে হলো বিয়ের ডেট, একে অপরের জন্মদিনের তারিখ ভুলে গেলেও মানিয়ে নেওয়া।

সংসার মানে গাঢ় নীল রং নিজের পছন্দ না হওয়া সত্ত্বেও পার্টনারের পছন্দ বলে একদিন নীল রঙের পাঞ্জাবিটা পরে ফেলা, আবার তেমনি শাড়ি পরতে একটুও ভালো না লাগলেও এক দুটো দিন নিজের পার্টনারের পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে একটা লাল টকটকে শাড়ি পরে পার্টনারের সামনে এসে দাঁড়ানো।

সংসার হলো একটা প্রতিজ্ঞা, যার ভেতর মান, অভিমান, রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ, ব্যথা সবই থাকবে, কিন্তু দিনের শেষে একে অপরের মুখের সামনে ভাতের থালা তুলে দেওয়ার প্রতিজ্ঞাটা একে অপরকে করতে হবে।

সংসার মানে হলো মাসের শেষে টাকাপয়সার হিসেব করতে করতে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলা "আজ তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাবো, আজ আমায় একটু ঘুম পাড়িয়ে দাও"

সংসার মানে হলো মাঝরাতে বরকে ঘুম থেকে তুলে শিশির ভেজা রাস্তায় হাঁটতে যাওয়ার বায়না ধরা।

সংসার করা সহজ, কিন্তু একটা সংসারকে প্রতি মুহূর্তে যাপন করা সহজ নয়

সংসার মানে হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও একবার অন্তত ফোন করে জিজ্ঞেস করা "খেয়েছো"

সংসারে ওঠানামা, ভাঙাগড়া থাকবেই, কিন্তু হাঁপিয়ে গেলে চলবে না, একে অপরকে মানিয়ে নিতে হবে, একে অপরের সমস্যায় পাশে থাকতে হবে, একে অপরকে সাহস যোগাতে হবে

সংসারে কেউ কারোর থেকে ছোট বা বড় হয় না, দুজনেই দুজনের পরিপূরক হয়, তাই সংসার করতে গেলে একে অপরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করা বড্ড জরুরি....
সংগৃহিত
শুভ সকালের শুভেচ্ছা ❤️❤️

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অশ্রু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category