Baikunthapur

Baikunthapur This page is to share information about the beautiful village namely Baikunthapur located at Sundarb

01/06/2025

ব্যর্থ সমাজ চিনবেন কিভাবে? ১২ টি লক্ষণ আছে যা দেখে আপনি ব্যর্থ সমাজ চিনতে পারবেন:

১. ব্যর্থ সমাজে মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে জেগে ওঠে না, জেগে ওঠে হুজুগে। সেখানে বই পড়া, মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানচর্চার অভ্যাস কম থাকে।

২. ব্যর্থ সমাজে মানুষ অর্থহীন সস্তা বিনোদনের পিছনে ছোটে। ফলে সস্তা বিনোদন দিয়েও এক শ্রেণীর মানুষ রাতারাতি প্রচুর জনপ্রিয়তা পায়।

৩. ব্যর্থ সমাজে দুর্নীতিবাজদের সবচেয়ে সফল মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়। লোকের চোখে তারাই রোল মডেল।

৪. ব্যর্থ সমাজে অশিক্ষিতরা আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করার দায়িত্ব নেয়। মানুষ শিক্ষাকে কম, টাকা আর ক্ষমতাকে বেশি মূল্যায়ন করে।

৫. ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষের বিপরীতে হাজার হাজার বোকার হদ্দ থাকে এবং প্রতিটি সচেতন শব্দের বিপরীতে থাকে শত শত পচনশীল শব্দ।

৬. ব্যর্থ সমাজে উদ্যোক্তার চেয়ে চাকরিজীবীর দাম বেশি হয়। সেখানে উদ্যোক্তাদের কেউ সম্মান করে না।

৭. ব্যর্থ সমাজে চিন্তাশীল ব্যক্তির মূল্য বা ওজন কেউ বোঝে না। যে কঠিন সত্য বলে বাস্তবতাকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে তাকে কেউ গ্রহণ করে না।

৮. ব্যর্থ সমাজে তরুণ প্রজন্মের সামনে মহৎ কোনো লক্ষ্য থাকে না। যুবসমাজ সেখানে শর্টকাটে বড়লোক হবার রাস্তা খোঁজে।

৯. ব্যর্থ সমাজে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হয় নির্বোধ। সমাজের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ আলোচনায় মেতে থাকে, মূল টপিকগুলো হারিয়ে যায়।

১০. ব্যর্থ সমাজে অর্থহীন তত্ত্ব দিয়ে মানুষকে দিনের পর দিন নেশাগ্রস্ত করে রাখা হয়। লোকজন এই নেশা কাটিয়ে উঠে সৃষ্টিশীল কাজে মনোনিবেশ করতে পারে না।

১১. ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবার একটি করে মতামত থাকে, কারণ সবাই সেখানে সবজান্তা!

১২. ব্যর্থ সমাজে মানুষ সমস্যার উপর দিয়ে ভেসে বেড়ায়, কিন্তু গভীরে প্রবেশ করতে পারে না। সমস্যা সমাধানের চেয়ে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাতে সবাই বেশি সিদ্ধহস্ত হয়।

06/03/2025

"আজ সেই ইন্দিরাও নেই, সেই অটলও নেই!!"

“ভারত যদি পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো বন্ধ না করে, তাহলে আমেরিকা চুপ করে বসে থাকতে পারেনা। ভারতকে শিক্ষা দিতে বাধ্য হবে।” - - - - -
রিচার্ড নিক্সন।

“আমেরিকাকে ভারত বন্ধু মনে করে, বস্ নয়!! ভারত তার ভাগ্য নিজেই লিখতে জানে!! আমরা জানি কাকে কিভাবে জবাব দিতে হয়!!” .......
ইন্দিরা গান্ধী।

১৯৭১ এর নভেম্বরে হোয়াইট হাউসে বসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের চোখে চোখ রেখে ঠিক এই কথাগুলিই বলে এসেছিলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। তথ্যসুত্র তৎকালীন মার্কিন এশিয়া বিষয়ক সচিব হেনরী কিসেন্ঞ্জারেরআত্মজীবনী।

সেদিনের ভারত মার্কিন যৌথ সাংবাদিক বৈঠক বাতিল করে, নিক্সনের সামনে থেকে গটগট করে উঠে চলে এসেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
হেনরী কিসেন্ঞ্জার তাঁকে গাড়িতে ওঠার সময়ে বলেছিলেন - “ম্যাডাম প্রাইম মিনিস্টার!! প্রেসিডেন্ট স্যারের প্রতি আরেকটু ধৈর্য্য দেখালে বোধহয় ভালো করতেন!!
উত্তরে ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে বলেছিলেন - ""থ্যাঙ্ক ইউ মিস্টার সেক্রেটারি ফর ইওর ভ্যালুয়েবল সাজেশন!! বিইং এ ডেভলপিং কান্ট্রি উই হ্যাভ ব্যাকবোন এনাফ টু ফাইট দা এ্যাট্রসিটিস!!
উই শ্যাল প্রুভ দ্যাট ডেজ আর গন টু রুল এনি নেশন ফার ফ্রম থাউজেন্ডস অফ মাইলস!!"""

এরপর......
এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের চাকা পালামের রানওয়ে ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রীমতী গান্ধীর জরুরি তলব পেয়ে বিরোধী দলনেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী হাজির হলেন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। এক ঘন্টার রূদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে বেরিয়ে গেলেন বাজপেয়ী।
জানা গেলো রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিরোধী দলনেতা অটলবিহারী বাজপেয়ী।

বিবিসি’র সাংবাদিক ডোনাল্ড পল জিজ্ঞাসা করেছিলেন বাজপেয়ীকে - “আপনাকে ইন্দিরার কট্টর সমালোচক বলেই সবাই জানে!! তার পরেও আপনি সরকারের হয়ে রাষ্ট্রসংঘে গলা ফাটাচ্ছেন??”

অটলবিহারী_বাজপেয়ী বলেছিলেন - "“একটা বাগানে গোলাপও থাকে, লিলিও থাকে। প্রত্যেকেই ভাবে সেই সবচেয়ে সুন্দর! বাগান যখন সঙ্কটে পড়ে, তখন সবচেয়ে সুন্দর কিন্তু বাগানটাই। আমি আজ বাগান বাঁচাতে এসেছি। এটার নামই ভারতীয় গণতন্ত্র!!”"

বাকি ইতিহাস আমরা সকলেই জানি।

পাকিস্তানে ২৭০ টা প্যাটন ট্যাঙ্ক পাঠানোর আগে আমেরিকা সারা বিশ্বের সংবাদ মাধ্যমকে ডেকে ডেমনস্ট্রেট করে দেখালো, এই ট্যাঙ্ক এমনই প্রযুক্তিতে তৈরি যাকে কখনোই কেউ ধ্বংস করতে পারবেনা। উদ্দেশ্য ছিলো এটাই, যাতে সারা পৃথিবীর কোনও দেশই ভয়ে ভারতকে সাহায্য করতে না এগোয়।
শুধু এখানেই আমেরিকা থামলোনা। ভারতে তেল সরবরাহ করা একমাত্র মার্কিনী কোম্পানি ‘বার্মা শেল’ কে জানিয়ে দিলো - তারা যেন ভারতে তেল সরবরাহ অবিলম্বে বন্ধ করে।

এরপরের ইতিহাস শুধুই লড়াই আর লড়াই। ইন্দিরা গান্ধীর তীক্ষ্ণ কূটনীতিক দৌত্যে ইউক্রেইন্ থেকে তেল আনিয়ে চললো আমাদের জান কবুল করা লড়াই। একদিনের মধ্যে ২৭০ টা প্যাটন ট্যাঙ্ককে ধ্বংস করে তাদের তুলে নিয়ে ভারতের মধ্যে চলে এলাম আমরা। রাজস্থান মরুভূমির তপ্ত বালিতে মুখ রগড়ে দিয়েছিলাম মার্কিনী অহঙ্কারের।

১৮ দিনের যুদ্ধের শেষে ফলাফল :
১ লক্ষ পাকিস্তান সৈন্য ভারতের হাতে বন্দী।
লাহোর জেল থেকে মুক্ত মুজিবুর রহমান।
ভারতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি।
অটলবিহারী বাজপেয়ী সংসদে ইন্দিরা গান্ধীকে মা দুর্গা বলে সম্বোধন করলেন।

সুদুরপ্রসারী ফলাফল এটাই :

ভারতের নিজস্ব তেল সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল তৈরি।
এশিয়ার শক্তিধর রাষ্ট্র রূপে ভারতের উত্থান।
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনে ভারতের নেতৃত্বের আসনে প্রতিষ্ঠা।
মহাকালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া সময় আজ শুধুই ইতিহাস!!

৫০ বছর পথ চলে আজ ভারত সত্যিই ক্লান্ত!!
গণতন্ত্র আজ শুধুই একটি শব্দমাত্র!!

প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধী আজ গণতন্ত্রের অংশ নয়, শাসকের নজরে শত্রুর সমান।

লেখক : হরপ্রসাদ রায়

11/02/2025

বাকী টাকা তোলার ninza technic ! গ্ৰামের বিভিন্ন সমিতি বা দোকানদারের যদি লাগে

Address

Baikunthapur, Maipith Coastal, South 24 Parganas
Kolkata
743383

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baikunthapur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category