Nasir uddin Shipon

Nasir uddin Shipon মনুষত্ব,মানবিকতা ও মানুষ॥

২০০২ সালে ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করে সজীব ওয়াজেদ জয় স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস শুরু করেন।আজ থেকে ৩৬ বছর আগে জয়...
08/09/2026

২০০২ সালে ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করে সজীব ওয়াজেদ জয় স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস শুরু করেন।আজ থেকে ৩৬ বছর আগে জয় আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য চলে গেছেন। বাংলাদেশ কখনোই সরাসরি তার সেভাবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিলো না। জয়ের জায়গায় আপনি হলেও আপনি আপনার মাকে সহযোগিতা করতেন। জয় তার মেধা ও প্রজ্ঞা বাংলাদেশের উন্নতির কাজে লাগিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যখন ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তখন সজীব ওয়াজেদ জয় তার উচ্চশিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোন সম্পৃক্ততা ছিলো না জয়ের।

তারেক রহমান লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। মা দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে পড়াশোনার আর তাদের দরকার হয় না। তাই ২০০২ সালে তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হয়েই দেশের ভেতর হাওয়া ভবন গড়ে তুললেন। মিস্টার টেন পার্সেন্ট এর রাজনৈতিক চাঁদাবাজিতে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে গেল।
একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দেখলো বাংলাদেশ। কুশিক্ষায় একজন মানুষ কীভাবে বখে যায় তার সর্বোচ্চ উদাহরণ হয়ে থাকবেন তারেক রহমান।মানি লন্ডারিং থেকে শুরু করে তার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে ভারতের টাটা কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা না করেই চলে গেছে।

সজীব ওয়াজেদ জয় পড়াশোনা চলাকালীন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কোন রাজনীতির সাথেই জড়িত ছিলেন না। বাংলাদেশের ইতিহাসে জয়কে নিয়ে কোন দুর্নীতি , চাদাবাজির গল্প আমরা শুনিনি। জয় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। এতেই বিএনপি ও জামায়াতের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এমন মেধাবী মানুষ রাজনীতিতে এলে বিএনপি ও জামায়াতের কি আর খাওন থাকবে?

২০১৪ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন এই অভিযোগে মার্কিন এফবিআই কাছে অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত নেতা রিজভী আহমেদ সিজার। জয় ও শেখ হাসিনা মিলে হংকং ও কেম্যান আইল্যান্ডের ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে ৩৬০০ কোটি টাকা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি ও লন্ডনে পাচার করেন , এমন অভিযোগ আনা হয় বঙ্গবন্ধু দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে। কিন্তু ফল কী হয় জানেন?

মার্কিন এফবিআই কর্মকর্তা রবার্ট লাস্টিককে ঘুষ দিয়ে জয়ের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়ার নাটক করতে গিয়ে উল্টো বিএনপি নেতা রিজভী আহমেদ সিজারের ৪২ মাসের কারাদণ্ড দেয় মার্কিন আদালত। বিএনপি ও জামায়াত ভুলে গিয়েছিল এটা বাংলাদেশের আদালত নয়। জয়কে দোষী প্রমাণিত করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয় বিএনপি ও জামায়াত। কিন্তু সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে চক্রান্ত থেমে থাকেনি।

আজ পর্যন্ত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই কেম্যান আইল্যান্ডে জয়ের অফশো একাউন্ট ও ৩৬০০ কোটি টাকা পাচারের কোন প্রমাণ পায়নি। লেজ ও মাথা কোনটাই খুঁজে পায়নি এফবিআই।

সজীব ওয়াজেদ জয় আমেরিকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। তার আমেরিকাতে ওয়াজেদ কনসাল্টিং ইনকপোরেটেড নামে নিজের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান আছে। এছাড়াও সজীব ওয়াজেদ জয় ই- কম সিস্টেম , এমবিয়ন ও ইন্টেলিজেন্ট ট্রেড সিস্টেম নামক আইটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসায়িক অংশীদার। জয়ের ৮ টি বিলাসবহুল গাড়ির দাম বাংলাদেশের টাকায় ৫ কোটি টাকা।

সজীব ওয়াজেদ জয় আমেরিকার একজন নিয়মিত করদাতা। তার করের রিপোর্ট অনুযায়ী তার দুটি বাড়ির তথ্য মার্কিন সরকারের কাছে দেয়া আছে। বাকি ১১ টি বাড়ি পারলে ট্রাম্প সরকার নিয়ে নিক।এতে জয়ের একটা পিউবিক হেয়ার ছেড়া যাবে না।যদি জয়ের গাড়ি ট্যাক্স না দিতো , বাড়ি ট্যাক্স না দিতো তাহলে বহু আগেই মার্কিন আইআরএস জয়ের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতো।তাই দুদক ও ইউনূস মিলে এসব ভণ্ডামি যুক্তরাষ্ট্রে পাত্তাই পায়নি।

সজীব ওয়াজেদ জয় তারেক রহমানের মতো লন্ডনে বসে বসে রাজনৈতিক ট্যাক্স খেয়ে সংসার চালাননি। নিজে বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে কর্ম করেছেন ।তার স্ত্রী ক্রিস্টিনা একজন আইটি বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী । যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৩৬ বছর জয় ঘোড়ার ঘাস কাটেননি। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের বাসায় দারোয়ান কিংবা ধোয়ামোছার কাজ করেননি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ডিগ্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে নিজের স্টার্টআপ কোম্পানি খুলেন । আজ থেকে ১৯ বছর আগে, ২০০৭ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক সারাবিশ্বের " ইয়াং গ্লোবাল লীডার " নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এসব স্বপ্নেও ভাবতে পারে না। তাই গত ৩৬ বছর ধরে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের পেছনে খুব খুব জ্বলছে 👉 আর কিছুদিন পর পোড়া গন্ধ বের হবে।।

আলো আসবেই ✌️
আলেকজান্ডার বুসেফেলাস
৭-০৯-২০২৬

পুরুষে পুরুষে শারীরিক সম্পর্ক তথা সমকামিতার মতো জঘন্য অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে আল্লাহ'তালা হযরত লূত (আঃ) এর কওমকে প...
03/09/2026

পুরুষে পুরুষে শারীরিক সম্পর্ক তথা সমকামিতার মতো জঘন্য অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে আল্লাহ'তালা হযরত লূত (আঃ) এর কওমকে প্রসিদ্ধ ফেরেশতা হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। জিব্রাইল (আঃ) কওমের পুরো জনপদকে উপুড় করে আকাশে তুলে আছড়ে ফেলে দেন, তারপর আল্লাহর নির্দেশে আকাশ থেকে পাথর বৃষ্টি হয়, প্রতিটি পাথরে সমকামী পাপে লিপ্ত থাকা পাপীদের নাম নিদিষ্ট করে লেখা ছিল।

জায়গাটির বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান জর্দান ও ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী সাগরটি। যেটিকে মৃত সাগর বলা হয়। এই মৃত সাগরে আদৌ কোনো মাছ ও প্রাণী বেঁচে থাকতে পারেনা, এমনকি মানুষও ডুবে যায়না। ঐতিহাসিকভাবে সাগরটি ও আশেপাশে স্থানকে অভিশপ্ত মনে করা হয়।

হযরত লূত (আঃ) এর কওমের এমন পাপাচারের কাহিনী আল্লাহ আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে আমাদের কাছে দৃষ্টান্ত রূপে প্রেরণ করেছেন, যেন আমরাও লূত (আঃ)
এর কওমের মতো পাপাচারে লিপ্ত না হই। কিন্তু বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপট লূত (আঃ) এর কওমের মতো পরিণত হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কওমি মাদ্রাসাগুলোতে একের পর এক বলাৎকারের ঘটনা ঘটছে। এমন ঘটনার পেছনে স্বয়ং শিক্ষকরা জড়িত, অথচ তাদের কাছে ছেলেরা ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করতে যায়। সমসাময়িক সময়ে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু গতকালের ঘটনা ছিল একেবারে লোমহর্ষক। মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা অভাবনীয়! যা কখনো পতিতালয়েও ঘটে না।

সাভারের একটি মাদ্রাসায় সাত বছরের এক শিশু ছাত্রকে টয়লেটে ধর্ষণ করে এক শিক্ষক, এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার পর মাদ্রাসার অন্য ছাত্ররা শিশুটিকে পালাবদল করে ধর্ষণ করে। তারপর শিশুটি মাদ্রাসার যে শিক্ষকের কাছে বিচার নিয়ে যায় সে শিক্ষকই ধর্ষণ করে, এমনি করে চারজন শিক্ষক ধর্ষণ করে। এবং এই ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দেয়।

শিশুটি টানা কয়েকদিনের লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়ে অস্বাভাবিক আচরণ ও সারাক্ষণ কান্নাকাটি করতে থাকে। তারপর ঘটনাটি শিশু তারা বাবাকে বললে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য এবং মাদ্রাসার ৪ জন শিক্ষক ৬ জন ছাত্রের নামে মামলা করে।

শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা থেকে পদচ্যুত হওয়ার পর কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের যৌন উত্তেজনা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভাদ্র মাস চলছে, কুকুরের থেকেও তারা হর্নি হয়ে উঠেছে। আমি প্রশাসনকে পরামর্শ দিবো, কওমি মাদ্রাসার সকল শিক্ষককে যেন ধারাবাহিকভাবে যৌন উত্তেজনা নিবারণকারী ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। আর না হয় এদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।

#মাদ্রাসা #বলাৎকার #ধর্ষণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন শেখ হাসিনা সরকার বিগত ১৭ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করেছ...
28/08/2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন শেখ হাসিনা সরকার বিগত ১৭ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করেছে। এই সংখ্যাটি শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ প্রায় সকলের দলের রাজনৈতিক নেতারা বক্তৃতায় সংলাপে ব্যবহার করে। তা কতটুকু সত্য, চলুন আজ একটু অংকের খেলা খেলি।

প্রতিটি সরকার প্রতি অর্থবছরে সম্ভাব্যে রাজস্ব আয়ের উপর নির্ভর করে বাজেট পেশ করে, যার ফলে প্রায় সকল অর্থ বছরেই বাজেটে ঘাটতি থাকে। তারপরেও শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে সংসদে ঘোষিত ১৬ টি অর্থ বছরের বাজেটে তুলে ধরছি।

২০০৮ নির্বাচনে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করে ২০০৯-১০ অর্থ বছরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে ১,১৩,৮১৯ কোটি টাকা।

২০১০-১১ অর্থ বছরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ ১,৩২,১৭০ কোটি টাকা।

২০১১-১২ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ ১,৬৩,৫৮৯ কোটি টাকা।

২০১২-১৩ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
১,৯১,৭৩৮ কোটি টাকা

২০১৩-১৪ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
২,২২,৪৯১ কোটি টাকা

২০১৪-১৫ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
২,৫০,৫০৬ কোটি টাকা

২০১৫-১৬ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
২,৯৫,১০০ কোটি টাকা

২০১৬-১৭ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
৩,৪০,৬০৫ কোটি টাকা

২০১৭-১৮ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
৪,০০,২৬৬ কোটি টাকা

২০১৮-১৯ অর্থবছরে
আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট পেশ করে
৪,৬৪,৫৭৩ কোটি টাকা

২০১৯-২০ অর্থবছরে অর্থমন্ত্রী
আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট পেশ করে
৫,২৩,১৯০ কোটি টাকা

২০২০-২১ অর্থবছরে
আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট পেশ
৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা

২০২১-২২ অর্থবছরে
আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট পেশ করে
৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা

২০২২-২৩ অর্থবছরে
আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট পেশ করে
৬,৭৮,০৬৪ কোটি টাকা

২০২৩-২৪ অর্থ বছরে
আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট পেশ করে
৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে
আবুল হাসান মাহমুদ আলী বাজেট করে
৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা। এই বাজেট পেশ করার দুই মাসও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। তারপরও অংকে উল্লেখ করলাম।

১৬ টি অর্থবছরের মোট টাকা যদি আমরা যোগ করি তাহলে দাঁড়ায় ৬৫০৬৫৭৭ টাকা, অর্থাৎ ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রতি ডলার রেট ১২২ টাকা ধরে যদি ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকাকে ডলারে কনভার্ট করি তাহলে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৫৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার শেখ হাসিনা সরকার পাচার করেছে। তাহলে ৫৩৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বাদ দিই থাকে ২৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

প্রতিবছর সরকারি চাকুরীজীবি ও কর্মকর্তাদের বেতনভাতা বাবদ দিতে হয় ৭.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাহলে শেখ হাসিনা সরকার ১৬ বছরে দিয়েছে ৭.৩×১৬= ১১৬.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন মোট ২৯৯ বিলিয়ন থেকে ১১৬.৮ বিলিয়ন বাদ দেই, থাকে ১৮২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

১৮২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান বাংলাদেশি মুদ্রা ২২ লাখ ৪৬ হাজার ১০৫ কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রশ্ন শেখ হাসিনা ১৭ বছরে ২২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা দিয়ে দেশে এতোকিছু করে ফেলেছেন। এটি কি আদৌও সম্ভব! শেখ হাসিনা কি করেছে তা দৃশ্যমান, তা আর তুলে ধরলাম না। এই টাকা দিয়ে আপনি পাঁচ ভাগের একভাগ করতে পারবেন? আপনি যে ডাহা মিথ্যা কথা বলেছেন, তার একটি ক্যালকুলেশন তুলে ধরলাম জাস্ট।

26/08/2026

গ্লোবাল পলিটিক্স ড্রামার সবচেয়ে আকর্ষণীয় মঞ্চটি এখন বাংলাদেশ। এই নিয়ে আমার খুব গর্ব হচ্ছে।

হারিয়ে গেল অনেক কিছু দামী, ফুরিয়ে গেল অনেক ফাগুনবেলা।জীবন মানেই জল রং এক ছবি,স্বপ্ন আঁকা স্বপ্ন ছিঁড়ে ফেলা।
20/08/2026

হারিয়ে গেল অনেক কিছু দামী,
ফুরিয়ে গেল অনেক ফাগুনবেলা।
জীবন মানেই জল রং এক ছবি,
স্বপ্ন আঁকা স্বপ্ন ছিঁড়ে ফেলা।

অটো পাস এমপি  #জেবা_আমিন খানের বাবা  #আখতারউদ্দিন_আহমেদ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে গঠিত মালেক ...
16/06/2026

অটো পাস এমপি #জেবা_আমিন খানের বাবা #আখতারউদ্দিন_আহমেদ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন
এবং ১৯৭১ সালে গঠিত মালেক মন্ত্রীসভার বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন

মালেক মন্ত্রিসভা পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তানে গঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে একটি অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা। সামরিক শাসনের বেসামরিক রূপ বিশিষ্ট এই মন্ত্রিসভা ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর আব্দুল মোত্তালেব মালেকের নেতৃত্বে গঠিত হয়ে একই বছরের ১৬ ডিসেম্বরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের দুই দিন আগ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

14/06/2026

দেশের ৯৫% খাদ্যে ভেজাল যারা এগুলো দেখার দায়িত্বে আছেন তাদের আপনজন আত্মীয় স্বজনরাও এইসব ভেজাল খাদ্য খাচ্ছেন,দায়িত্বে যারা আছেন তারাই পারবেন এগুলোর প্রতিকার করতে,২%৪ জন অফিসার কে ভেজালের বিরুদ্ধে তৎপর দেখা যায়,বাকিরা দায়িত্বে অবহেলা করেন নাকি শুধু শুধু ব্যস্ত জানা নেই কারো

11/06/2026
29/05/2026

এই ঈদে –
শুধু বনের পশু নয়, মনের Yunus কেও কোরবানি দিন।
ঈদ মোবারক

ফেনীর প্রতিষ্ঠাতা.....বি.এ. পাশ করার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যক্ষ সাট্ক্লিফ এর সুপারিশে নবীনচন্দ্র কলকাতার বিখ্যাত হে...
10/05/2026

ফেনীর প্রতিষ্ঠাতা.....

বি.এ. পাশ করার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যক্ষ সাট্ক্লিফ এর সুপারিশে নবীনচন্দ্র কলকাতার বিখ্যাত হেয়ার স্কুলে তৃতীয় শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পান। কিছুদিন পরে বেকার হয়ে পড়েন। পরে ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন। মাত্র একুশ বছর বয়সে তিনি কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হন। প্রথমে ১৭ জুলাই ১৮৬৮ বেঙ্গল সেক্রেটারীয়েটের এসিষ্ট্যাণ্ট পদে যোগ দেন। ২৪ জুলাই ১৮৬৯ যশোরে ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে তাঁকে পদায়ন করা হয়। কর্মজীবনে তিনি বাংলা, বিহার, ত্রিপুরার অনেকস্থানে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দুই দফায় মোট প্রায় আটবছর ফেনীতে ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এসময় তিনি অনন্য কর্মদক্ষতায় একটি জঙ্গলাকীর্ণ স্থানকে মনোরম শহরে পরিণত করেন। ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ফেনী হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। যা বর্তমানে ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল। প্রায় ছত্রিশ বছর সরকারি চাকুরি করার পরে ১ জুলাই ১৯০৪ অবসর গ্রহণ করেন।
সংগৃহিত॥

Indirizzo

Ancona

Sito Web

Notifiche

Lasciando la tua email puoi essere il primo a sapere quando Nasir uddin Shipon pubblica notizie e promozioni. Il tuo indirizzo email non verrà utilizzato per nessun altro scopo e potrai annullare l'iscrizione in qualsiasi momento.

Scelte rapide

Condividi