08/09/2026
২০০২ সালে ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করে সজীব ওয়াজেদ জয় স্থায়ীভাবে আমেরিকায় বসবাস শুরু করেন।আজ থেকে ৩৬ বছর আগে জয় আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য চলে গেছেন। বাংলাদেশ কখনোই সরাসরি তার সেভাবে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিলো না। জয়ের জায়গায় আপনি হলেও আপনি আপনার মাকে সহযোগিতা করতেন। জয় তার মেধা ও প্রজ্ঞা বাংলাদেশের উন্নতির কাজে লাগিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যখন ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তখন সজীব ওয়াজেদ জয় তার উচ্চশিক্ষা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোন সম্পৃক্ততা ছিলো না জয়ের।
তারেক রহমান লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। মা দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে পড়াশোনার আর তাদের দরকার হয় না। তাই ২০০২ সালে তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হয়েই দেশের ভেতর হাওয়া ভবন গড়ে তুললেন। মিস্টার টেন পার্সেন্ট এর রাজনৈতিক চাঁদাবাজিতে সবাই অতিষ্ঠ হয়ে গেল।
একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দেখলো বাংলাদেশ। কুশিক্ষায় একজন মানুষ কীভাবে বখে যায় তার সর্বোচ্চ উদাহরণ হয়ে থাকবেন তারেক রহমান।মানি লন্ডারিং থেকে শুরু করে তার চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে ভারতের টাটা কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা না করেই চলে গেছে।
সজীব ওয়াজেদ জয় পড়াশোনা চলাকালীন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কোন রাজনীতির সাথেই জড়িত ছিলেন না। বাংলাদেশের ইতিহাসে জয়কে নিয়ে কোন দুর্নীতি , চাদাবাজির গল্প আমরা শুনিনি। জয় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। এতেই বিএনপি ও জামায়াতের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এমন মেধাবী মানুষ রাজনীতিতে এলে বিএনপি ও জামায়াতের কি আর খাওন থাকবে?
২০১৪ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচার করেছেন এই অভিযোগে মার্কিন এফবিআই কাছে অভিযোগ করেন বিএনপি সমর্থিত নেতা রিজভী আহমেদ সিজার। জয় ও শেখ হাসিনা মিলে হংকং ও কেম্যান আইল্যান্ডের ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে ৩৬০০ কোটি টাকা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি ও লন্ডনে পাচার করেন , এমন অভিযোগ আনা হয় বঙ্গবন্ধু দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে। কিন্তু ফল কী হয় জানেন?
মার্কিন এফবিআই কর্মকর্তা রবার্ট লাস্টিককে ঘুষ দিয়ে জয়ের বিরুদ্ধে সাজা দেওয়ার নাটক করতে গিয়ে উল্টো বিএনপি নেতা রিজভী আহমেদ সিজারের ৪২ মাসের কারাদণ্ড দেয় মার্কিন আদালত। বিএনপি ও জামায়াত ভুলে গিয়েছিল এটা বাংলাদেশের আদালত নয়। জয়কে দোষী প্রমাণিত করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয় বিএনপি ও জামায়াত। কিন্তু সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে চক্রান্ত থেমে থাকেনি।
আজ পর্যন্ত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই কেম্যান আইল্যান্ডে জয়ের অফশো একাউন্ট ও ৩৬০০ কোটি টাকা পাচারের কোন প্রমাণ পায়নি। লেজ ও মাথা কোনটাই খুঁজে পায়নি এফবিআই।
সজীব ওয়াজেদ জয় আমেরিকার একজন স্থায়ী বাসিন্দা। তার আমেরিকাতে ওয়াজেদ কনসাল্টিং ইনকপোরেটেড নামে নিজের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান আছে। এছাড়াও সজীব ওয়াজেদ জয় ই- কম সিস্টেম , এমবিয়ন ও ইন্টেলিজেন্ট ট্রেড সিস্টেম নামক আইটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসায়িক অংশীদার। জয়ের ৮ টি বিলাসবহুল গাড়ির দাম বাংলাদেশের টাকায় ৫ কোটি টাকা।
সজীব ওয়াজেদ জয় আমেরিকার একজন নিয়মিত করদাতা। তার করের রিপোর্ট অনুযায়ী তার দুটি বাড়ির তথ্য মার্কিন সরকারের কাছে দেয়া আছে। বাকি ১১ টি বাড়ি পারলে ট্রাম্প সরকার নিয়ে নিক।এতে জয়ের একটা পিউবিক হেয়ার ছেড়া যাবে না।যদি জয়ের গাড়ি ট্যাক্স না দিতো , বাড়ি ট্যাক্স না দিতো তাহলে বহু আগেই মার্কিন আইআরএস জয়ের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতো।তাই দুদক ও ইউনূস মিলে এসব ভণ্ডামি যুক্তরাষ্ট্রে পাত্তাই পায়নি।
সজীব ওয়াজেদ জয় তারেক রহমানের মতো লন্ডনে বসে বসে রাজনৈতিক ট্যাক্স খেয়ে সংসার চালাননি। নিজে বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত হয়ে কর্ম করেছেন ।তার স্ত্রী ক্রিস্টিনা একজন আইটি বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী । যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৩৬ বছর জয় ঘোড়ার ঘাস কাটেননি। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের বাসায় দারোয়ান কিংবা ধোয়ামোছার কাজ করেননি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ডিগ্রি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে নিজের স্টার্টআপ কোম্পানি খুলেন । আজ থেকে ১৯ বছর আগে, ২০০৭ সালে সজীব ওয়াজেদ জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক সারাবিশ্বের " ইয়াং গ্লোবাল লীডার " নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এসব স্বপ্নেও ভাবতে পারে না। তাই গত ৩৬ বছর ধরে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের পেছনে খুব খুব জ্বলছে 👉 আর কিছুদিন পর পোড়া গন্ধ বের হবে।।
আলো আসবেই ✌️
আলেকজান্ডার বুসেফেলাস
৭-০৯-২০২৬