11/02/2026
আগামীকাল নির্বাচন—এটা একটি আমানত। ইসলামের দৃষ্টিতে ভোট দেওয়া মানে সাক্ষ্য দেওয়া (শাহাদাহ)। তাই কাকে ভোট দেবেন, সেটা খুব চিন্তা করে, আল্লাহকে হাজির-নাজির জেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
✅ যোগ্য প্রার্থী যাচাই করার ইসলামী কিছু মানদণ্ড
১️⃣ দ্বীনদারিতা ও তাকওয়া
তিনি কি নামাজি?
আল্লাহভীরু ও সৎ চরিত্রের মানুষ কি না?
প্রকাশ্যে বড় গুনাহে লিপ্ত কি না?
📖 আল্লাহ বলেন:
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ করেন, তোমরা আমানত তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দাও।” (সূরা নিসা ৪:৫৮)
২️⃣ সততা ও দুর্নীতিমুক্ত জীবন
তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে কি?
জনগণের টাকা আত্মসাৎ করেছেন কি?
কথার সাথে কাজের মিল আছে কি?
৩️⃣ যোগ্যতা ও দক্ষতা
তিনি কি শিক্ষিত ও বিচক্ষণ?
দেশের/এলাকার সমস্যা বোঝেন?
পূর্বে কোনো ভালো কাজের রেকর্ড আছে?
ইসলামে শুধু ভালো মানুষ হলেই যথেষ্ট নয়—যোগ্যতাও জরুরি।
৪️⃣ ন্যায়পরায়ণতা
তিনি কি সবার জন্য সমান কথা বলেন?
দলীয় স্বার্থের আগে দেশের স্বার্থ দেখেন?
৫️⃣ প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা
শুধু বড় বড় কথা বলেন, নাকি বাস্তব কাজের প্রমাণ আছে?
🤲 ভোট দেওয়ার আগে যা করবেন
✔ দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে হিদায়াত চান
✔ ইস্তিখারা দোয়া করতে পারেন
✔ আবেগ নয়—বিবেক ও তাকওয়ার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন
✔ কারও চাপ, টাকা বা ভয় দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন না
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি কোনো অযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেয়, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে খিয়ানত করে।”
⚖ গুরুত্বপূর্ণ কথা
যদি সব প্রার্থীর মধ্যে পূর্ণ আদর্শ কেউ না থাকে, তাহলে: ➡ যিনি তুলনামূলক কম ক্ষতিকর ও বেশি উপকারী, তাকে বেছে নিন।
ইসলামে “বড় ক্ষতি এড়াতে ছোট ক্ষতি গ্রহণ” করার নীতি আছে।
আল্লাহ যেন আপনাকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দেন 🤲
আপনি চাইলে আমি একটি ছোট দোয়া লিখে দিতে পারি ভোট দেওয়ার আগে পড়ার জন্য।