11/04/2024
গাজার নির্মম ভয়ংকর যুদ্ধে বাইডেন-কমলা প্রশাসনের ভূমিকায় আমেরিকার মুসলিম সম্প্রদায় হতাশ। কিন্তু তারই সাথে সাথে তারা ভুলেনি বিগত সময় ক্ষমতায় থাকা কালীন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিমদের উপর নিষেধাজ্ঞা,ভুলার কথা নয় ৯/১১ পরবর্তী সময়ের রিপাবলিকানদের ইসলামোফোবিয়া।এও ভুলার কথা নয় যে প্রত্যেকটা ইসলামিক সেন্টার গুলোকে মনিটরিং এর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছিল এবং মুসলিমদের কিভাবে বৈসবমম্যের শিকার পরিণত হতে হয়েছিল।যেখানে আমেরিকার সংবিধানে সকল নাগরিকের সমান অধিকার উল্লেখিত আছে,সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিসেবে মুসলিমদের রিপাবলিকানরা চিহ্নিত করেছে।সংখ্যালঘু বলতে বোঝায় একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যারা জাতি, ধর্ম ও ভাষা থেকে দেশের বিরাট জনগোষ্ঠী থেকে আলাদা বিশেষ করে তাদের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে সমাজে তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেখা হয় এবং বৈষম্যের শিকার হয়।দুর্ভাগ্যবশত মোসলমান দের সেই বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে।এইসব কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যের ভিতর দিয়ে বেড়ে ওঠা ট্রাম্প ব্যক্তিগত ভাবে একজন হিংস্র মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি যিনি চরমভাবে মুসলিম বিদ্বেষী স্বৈরাচারী মনমানসিকতার একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী।তাকে নির্বাচিত করার চিন্তা মুসলিমদের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।কেউ কেউ মনে করছেন ট্রাম্প নির্বাচিত হলে আমেরিকার অর্থনৈতিক ভিত্তি আরো মজবুত এবং শক্তিশালী হবে।বর্তমান এই অর্থনৈতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী শংকিত।মনে রাখবেন আমেরিকার ইতিহাসে রিপাবলিকান দেরকে যুদ্ধবাজ হিসেবেই পরিলক্ষিত করা হয়।কারণ আমেরিকার যতো যুদ্ধ হয়েছে তার সিংহভাগ রিপাবলিকানদের নেতৃত্বে হয়েছে।আর যুদ্ধ কখনো অর্থনৈতিক কাঠামো কে রক্ষা করে না ধ্বংস করে।কিছু কিছু মুসলিমরা সমকামীতা এবং গর্ভপাত(abortion) নিয়ে চিন্তিত।কারও কারো কথায় মনে হয়,
ডোনাল্ড ট্রাম্প যেনো একজন আওলিয়ায়ে কেরাম!
প্রতিবছর নির্বাচন আসলে এই ইস্যু গুলো চলে আসে,এ গুলো হচ্ছে নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার নির্বাচনী কৌশল।এ সব বিষয়ে মোসলমানদের শংকিত হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।এ সব সমকামী আর abortion এর অব্যাহত ধারাই এক দিন এদের বংশ বিস্তার রোধ হবে।মোসলমান দের জনসংখ্যা বেড়ে যাবে।কারণ যেখানে আল্লাহ পাক মুসলিমদের কে বেশি বেশী সন্তান নিতে উৎসাহিত করেছেন।
এ দিকে ফিলিস্তিনি দের প্রতি অমানবিক আচরণের কারণে ডেমোক্রেট দের প্রতি আছে তীব্র ক্ষোভ এবং ঘৃণা কিন্তু কমলা নির্বাচিত হলে তার প্রশাসনে মুসলিম পন্থী কন্ঠস্বর স্থান পাওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে।ডেমোক্র্যাটদের এ সব অমানবিক ঘৃনিত আচরণ আমরা ভিতর থেকে প্রতিবাদ লড়াই চালিয়ে যেতে পারবো।কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হলে আমরা ঘরে বসেও কাঁদতে পারব না।বাংলাদেশীরা মনে রাখবেন ট্রাম্পের টুইট বার্তা হাওয়া থেকে আসেনি, তাই তার এই টুইট যারা পড়েছেন বিবেচনা করে ভোট দিবেন।পরিশেষে বলবো রাজনীতির খেলা বড় কঠিন খেলা।এ খেলা যারা বোঝেন না দয়াকরে চুপ থাকেন।সাধারণ জনগণকে ভোট দিতে কিম্বা না দিতে পরামর্শ দিবেন না।কারণ আমেরিকার নির্বাচনেই নির্ধারিত হয় আগামী পৃথীবি কেমন যাবে শান্তির / নাকি অশান্তির ।
Collected