প্রকৃতির উৎসব "Nature's Festival"

প্রকৃতির উৎসব "Nature's Festival" Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from প্রকৃতির উৎসব "Nature's Festival", Health Food Shop, khulna, Jessore.
(2)

01/03/2026

রোজার মাসে এই আমটা যা বললো… 😳🥭

#রমজান
#ইফতার
#কাঁচাআম






Heading Capital
18/05/2024

Heading Capital

22/01/2024

গিজার ছাড়া ডাইরেক্ট শাওয়ার এর নিচে 10 মিনিট রাখতে চান এমন কাউকে মেনশন করুন!!!!

আসছে, মাঠে কৃষকের ব্যাস্ত সময় কাটছে, খুব তাড়াতাড়িই আপনাদের দিতে পারবো কপিলমুনির হলুদ। আস্ত অথবা গুঁড়ো অবস্থায় নিতে পারবে...
02/01/2024

আসছে, মাঠে কৃষকের ব্যাস্ত সময় কাটছে, খুব তাড়াতাড়িই আপনাদের দিতে পারবো কপিলমুনির হলুদ। আস্ত অথবা গুঁড়ো অবস্থায় নিতে পারবেন। সাথে থাকুন।
বিস্তারিত জানার জন্য কমেন্ট, ইনবক্স, অথবা সরাসরি কল করুন : ০১৭১৬ ৪৪ ৭৭ ৭৯

31/12/2023

শুভ ইংরেজি নববর্ষ ২০২৪। সকলের জন্য শুভ হোক নতুন বছর. সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে জীবনযাপনের প্রত্যাশায়। মুছে যাক ফেলে আশা সকল অপ্রাপ্তি, দুঃখ আর বেদনা। নতুন বছরে সকলের সাথে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থেকে সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায়। প্রকৃতির উৎসবে সকলকে স্বাগতম।

আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হলুদের একটা সুনাম রয়েছে তবে দক্ষিণ বঙ্গের মধ্যে খুলনার পাইকগাছার  #কপিলমুনি এলাকা হলুদ চাষা...
31/12/2023

আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হলুদের একটা সুনাম রয়েছে তবে দক্ষিণ বঙ্গের মধ্যে খুলনার পাইকগাছার #কপিলমুনি এলাকা হলুদ চাষাবাদের জন্য খুব বিখ্যাত। আমাদের নিজস্য লোক দ্বারা কপিলমুনির #কানাইদিয়া এলাকার হলুদ চাষি দ্বারা ভালো মানের হলুদ বীজ থেকে উৎপন্ন ভালো মানের হলুদ জমি থেকে তুলে সিদ্ধ করে পর্যাপ্ত রোদ্রে শুকিয়ে স্বাস্থসম্মত ভাবে পরিষ্কার করে গুঁড়ো করা হয়. এর সব গুলো ধাপই আমাদের তত্ত্বাবধায়নে হয় বলেই আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করি আমাদের পণ্য ১০০% খাঁটি।


 #কপিলমুনির_হলুদ বাঙলালির রান্নায়  #হলুদ একটা অত্যন্ত দরকারি একটা  #মশলা।  বিশেষকরে মশলার আইটেমগুলো আমরা সকলেই  #খাঁটি ব...
30/12/2023

#কপিলমুনির_হলুদ

বাঙলালির রান্নায় #হলুদ একটা অত্যন্ত দরকারি একটা #মশলা। বিশেষকরে মশলার আইটেমগুলো আমরা সকলেই #খাঁটি বা #অর্গানিক খুঁজে থাকি কারণ বাজারের এই সকল মশলায় অনেক ভেজাল দেওয়া হয়। বিশেষ করে পঁচা ও নষ্ট হলুদ শুকিয়ে গুঁড়ো করে ফেলার পরে আর বোঝার উপায় থাকেনা যে নষ্ট কিছু দিয়ে তৈরী, অনেকে আবার হলুদ গুঁড়া করার সময় মেশিনের মধ্যে চাউলের গুঁড়ো দিয়ে ভেজাল হলুদ গুঁড়ো তৈরী করে বিক্রি করেন।
অর্গানিক খাবারের উপরে আমার বেক্তিগত ঝোঁক থেকেই #প্রকৃতির_উৎসব পেজ এর উদ্ভাবন। নিজে যে খাবার গুলো দেখে পরোক্ষ করে কিনে থাকি আমার #পরিবারের জন্য সেই #কোয়ালিটির খাবারই আমি আপনাদের পর্যন্ত পৌঁছে দেই.
আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের #হলুদের একটা সুনাম রয়েছে তবে দক্ষিণ বঙ্গের মধ্যে #খুলনার #পাইকগাছার #কপিলমুনি এলাকা #হলুদ চাষাবাদের জন্য খুব বিখ্যাত। আমাদের নিজস্য লোক দ্বারা #কপিলমুনির #কানাইদিয়া এলাকার হলুদ চাষি দ্বারা ভালো মানের হলুদ বীজ থেকে উৎপন্ন ভালো মানের হলুদ জমি থেকে তুলে সিদ্ধ করে পর্যাপ্ত রোদ্রে শুকিয়ে স্বাস্থসম্মত ভাবে পরিষ্কার করে গুঁড়ো করা হয়. এর সব গুলো ধাপই আমাদের তত্ত্বাবধায়নে হয় বলেই আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করি আমাদের পণ্য ১০০% #খাঁটি।


নতুন কিছু আসছে প্রকৃতির উৎসব "Nature's Festival" এ - অর্গানিক ও স্বাস্থ্যকর খাবার প্রত্যাশীদের জন্য !!!
29/12/2023

নতুন কিছু আসছে প্রকৃতির উৎসব "Nature's Festival" এ - অর্গানিক ও স্বাস্থ্যকর খাবার প্রত্যাশীদের জন্য !!!

প্রতিদিন সকালে রুটি পরোটা খেতে খেতে যারা হাঁপিয়ে উঠেছেন স্বাদ পাল্টাতে ছিদ রুটি খেয়ে দেখুন।এই রুটি, ছিদা পিঠা ও ছিটা পিঠ...
20/12/2023

প্রতিদিন সকালে রুটি পরোটা খেতে খেতে যারা হাঁপিয়ে উঠেছেন স্বাদ পাল্টাতে ছিদ রুটি খেয়ে দেখুন।এই রুটি, ছিদা পিঠা ও ছিটা পিঠা যে নামেই ডাকেন না কেন জিনিস একই। খুবই অল্প উপকরণ ও কম সময়ের মধ্যে এ পিঠা তৈরি করা যায়। ছিদ রুটি তৈরি প্রণালী জেনে নিন-

উপকরণ: চালের আটা ২ কাপ, ময়দা আধা কাপ, লবণ স্বাদ মতো।

প্রণালী: চালের আটার সঙ্গে ময়দা যোগ করে এর মধ্যে লবণ দিতে হবে স্বাদ মতো। এবার পানি দিয়ে চালের আটা বা ময়দা মিক্স করে নিতে হবে যেন দলা ভাব না থাকে। মিশ্রণটা অনেক পাতলা করে তৈরি করতে হবে। যখন বেটার হাতে নিলে নিচে পড়ে যাবে তখন বুঝতে হবে মাখানো হয়েছে। এ পিঠা গ্রামের দিকে মাটির খোলায় বা তাওয়ায় তৈরি করা হয়। ননস্টিক প্যানেও খুব সহজেই এটি তৈরি করতে পারেন। প্যান গরম করে বেটার প্যানের উপর ছিটিয়ে ছিটিয়ে দিন। এভাবে ছিটিয়ে ছিটিয়ে তৈরি করার জন্যই এ পিঠার নাম ছিদ পিঠা বা ছিটা রুটি পিঠা। ছিটিয়ে দেয়ার সময় লক্ষ্য রাখবেন যেন প্রতিটা ফোটা একটি অপরটির সঙ্গে মিশে যায়। যখন পিঠার পাশ থেকে আলগা হয়ে যাবে তখন বুঝতে হবে পিঠা তৈরি হয়ে গেছে। এরপর পিঠাগুলো ভাজ দিয়ে তুলে নিতে হবে। প্রতিটি পিঠা তৈরির আগে প্যান ভালো ভাবে মুছে নিতে হবে। এ পিঠা তৈরিতে প্যানে তেল ব্রাশ করার কোনো দরকার নেই। প্রতিবার পিঠা দেয়ার আগে বেটার ভালো ভাবে গুলিয়ে নিন। এভাবে সবগুলো পিঠা বানিয়ে নিতে হবে। আর পিঠাগুলো তুলে একটি ঝাঁঝরির মধ্যে রাখবেন নাহলে পিঠার ক্রিস্পি ভাব নষ্ট হয়ে যাবে। এভাবে খুব সহজেই ছিদ রুটি পিঠা তৈরি করে নিতে পারেন।

চারশো বছরের পুরানো এই নগরী, চারশো বছরের ইতিহাস বয়ে বেড়ানো পুরান ঢাকা। পুরাণ ঢাকার অলি গলির মধ্য দিয়ে হাঁটছি। সরু রাস্...
16/12/2023

চারশো বছরের পুরানো এই নগরী, চারশো বছরের ইতিহাস বয়ে বেড়ানো পুরান ঢাকা। পুরাণ ঢাকার অলি গলির মধ্য দিয়ে হাঁটছি। সরু রাস্তা। রিকশার টুং টাং শব্দ কানে আসছে। চারদিকে বিভিন্ন রকমের মানুষ। কেউ কেউ পান চিবুচ্ছে, ফচ করে পানের পিক ফেলে রাস্তা লাল করে দিচ্ছে। কোনো দোকানে মোহাম্মদ রাফির গান বাজছে। কত রকমের বাণিজ্য এখানে, বিরামহীন মানুষ।

তবু পুরান ঢাকায় কাউকে ক্লান্ত মনে হয় না আমার কেন যেন। সবার মধ্যে একটা স্বতঃস্ফূর্ত ভাব। ভাষার মধ্যেও কিছু একটা আছে। তা নাহলে কিছুক্ষণ পুরান ঢাকার বাতাস গাঁয়ে লাগালেই ঢাকাইয়া ভাষায় কথা বলতে ইচ্ছে হবে কেনো!

গিয়েছিলাম মূলত নান্নার মোরগ পোলাও খেতে। পুরান ঢাকার #বেচারাম_দেউড়িতে #তারা_মসজিদের পাশে এর প্রধান শাখা। আমরা প্রধান শাখায় না গিয়ে #নাজিমউদ্দিন_রোডের শাখায় গিয়েছি। ভীড় দেখে "মাথাই নষ্ট" অবস্থা। সিট সবসময় গরম থাকে, কারণ একজন উঠার সাথে সাথে আরেকজন গিয়ে সেখানে বসে পড়ে।

বেশি ভীড় ভাট্টার মধ্যে খাবার খেতে আমার ভালো লাগে না। অস্বস্তি হয় কিছুটা। তবুও খাওয়া দাওয়ার পর আমরা আসল মিশনে বের হলাম। মিশনের নাম "মিশন-বাকরখানি"। বাকরখানি সেইসব খাদ্যদ্রব্যের একটি যেটি মোঘল আমল থেকেই প্রচলিত। খাবারটিকে হয়ত সাধারণ মনে হতেই পারে, আসলে এর ইতিহাস কিন্তু অসাধারণ।

উনিশ শতকের চল্লিশের দশকে প্রকাশিত হাকিম হাবিবুর রহমান তাঁর "Dhaka Pachash Barash Pahley" গ্রন্থে ঢাকার বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের তৈরি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি প্রধানত োবান, #শুকি এবং #নিমশুকি তিন ধরনের বাখরখানির কথা বলেন। #চিনশুখা রুটিও একপ্রকার বাখরখানি যা বিশেষত চিনি দ্বারা তৈরি করা হয়। #কাইচারুটি এবং #মুলামও #বাখরখানির অন্য প্রকারভেদ। #পনির_বাখরখানি হলো আরেকটি সুস্বাদু খাবার। এর প্রতিটি ভাঁজে ঘি ও গম বা সুজির পরিবর্তে হালুওয়া ব্যবহূত হয়। বৈবাহিক সংক্রান্ত উৎসবে প্রথার অংশ হিসেবে কনের বাড়ি থেকে বর এর বাড়ি কিচমিচ, কাঠবাদামের সাথে ক্রিম দুধ দিয়ে ডালায় করে পাঠানো হয় যা #ভিগারুটি নামেও পরিচিতি।

পুরাণ ঢাকায় এই খাবারটি তুমুল জনপ্রিয় ছিলো একসময়। এখনো টিকে থাকলেও আগের মতো রমরমা অবস্থা নেই। আমাদের পাড়ায় একসময় তিন চারটা বাকরখনির দোকান ছিলো। এখন একটাও নেই। বাকরখনির বানানোর দৃশ্য বোধহয় পুরাণ ঢাকা ছাড়া বাইরে অন্য কোথাও খুব একটা দেখা মেলে না। পুরাণ ঢাকাবাসী ঐতিহ্যের টানে এখনো সকালে চায়ের সাথে বাকরখনি খান। কোনো কোনো দিন ধুমায়িত চায়ের কাপ হাতে তারা ফিরে যান মোঘল আমলে, বাকের-খনির প্রেমের স্মৃতি মাখা সুস্বাদু বাকরখনি থাকে তাদের হাতে.

#প্রকৃতির_উৎসব #অরগানিক #আগা_বাকের।

 #বাকরখানির ইতিহাস বাংলাদেশে বাকরখানির প্রচলন নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন অভিমত। বাকরখানি রুটির নামের পেছনে আছে এক করুণ ইতিহাস।...
14/12/2023

#বাকরখানির ইতিহাস

বাংলাদেশে বাকরখানির প্রচলন নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন অভিমত। বাকরখানি রুটির নামের পেছনে আছে এক করুণ ইতিহাস। জনশ্রুতি অনুসারে, #জমিদার_আগা_বাকের তথা #আগা_বাকর_খাঁর নামানুসারে এই রুটির নামকরণ করা হয়েছে।

#নবাব_মুর্শিদ_কুলী_খাঁর দত্তক ছেলে #আগা_বাকের। প্রখর মেধার অধিকারী আগা বাকের যুদ্ধবিদ্যাতেও পারদর্শী ছিলেন। রাজধানী #মুর্শিদাবাদের নর্তকী #খনি_বেগম এবং #আগা_বাকের পরস্পরের প্রেমে পড়েন। কিন্ত উজিরপুত্র নগর কোতোয়াল জয়নাল খান ছিল পথের কাঁটা, সে খনি বেগমকে প্রেম নিবেদন করলে তিনি জয়নাল খানকে প্রত্যাখান করেন। প্রত্যাখ্যাত হয়ে জয়নাল খনি বেগমের ক্ষতির চেষ্টা করে এবং খবর পেয়ে বাকের সেখানে যান ও তলোয়ারবাজিতে জয়নালকে হারিয়ে দেন। অন্যদিকে জয়নালের দুই বন্ধু উজিরকে মিথ্যা খবর দেয় যে, বাকের জয়নালকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। উজির ছেলের হত্যার বিচার চায়। নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁ পুত্র বাকেরকে বাঘের খাঁচায় নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেন। অবশেষে বাকেরের হাতে মারা যায় বাঘ। ইতিমধ্যে জয়নালের মৃত্যুর মিথ্যা খবর ফাঁস হয়ে গেছে ও সে জোর করে খনি বেগমকে ধরে নিয়ে গেছে দক্ষিণ বঙ্গে। উদ্ধার করতে যান বাকের খনি বেগমকে। পিছু নেন উজির জাহান্দার খান। ছেলে জয়নাল খান বাকেরকে হত্যার চেস্টা করলে উজির নিজের ছেলেকে হত্যা করেন তলোয়ারের আঘাতে। এই অবস্থাতে জয়নাল খনি বেগমকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করে। বাকেরগজ্ঞে সমাধিস্থ করা হয় খনি বেগমকে। আর বাকের সবকিছু ত্যাগ করে রয়ে গেলেন প্রিয়তমার সমাধির কাছে – দক্ষিণ বঙ্গে। #বাকের_খাঁর_নামানুসারেই #বাকলা_চন্দ্রদ্বীপ ( #পটুয়াখালী_বরিশাল) অঞ্চলের নাম হয় #বাকেরগঞ্জ। ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি রুটির নামের পেছনেও রয়েছে #বাকের_খনির প্রেমের ইতিহাস।
অবশ্য নামকরণের ব্যাপারে অন্য আরেকটি জনশ্রুতি রয়েছে। সে অনুযায়ী, মির্জা আগা বাকের ঢাকায় বাকরখানি রুটি প্রচলন করেন। তিনি বৃহত্তর বরিশালের জায়গীরদার ছিলেন। তার প্রেয়সী ছিল আরামবাগের নর্তকী খনি বেগম। তাদের মধ্যে গভীর প্রেম ছিল বলে কথিত আছে। পরবর্তীতে আগা বাকের ২য় মুর্শিদ কুলি খাঁর কন্যাকে বিয়ে করেন। কিন্তু খনি বেগমের স্মৃতি তিনি ভুলে যান নি। তার আবিস্কৃত এবং প্রিয় খাদ্য বিশেষভাবে তৈরি রুটির নাম তার প্রেমকাহিনীর উপর ভিত্তি করেই নামকরণ করা হয়েছিল বাকের-খনি রুটি। পরবর্তীতে এই নাম কিছুটা অপভ্রংশ হয়ে বাকরখানি নাম ধারণ করে। জনশ্রুতি মেনে নিলে ধরে নিতে হয়, বাখরখানির সৃষ্টি আঠারোো শতকের মাঝামাঝি সময়ে। অনেকে আবার ধারণা করেন, সিলেট জেলায় সর্বপ্রথম বাকরখানি তৈরী হয়।
#প্রকৃতির_উৎসব #বাকরখানি #খুলনা #অরগানিক #খুলনার #ঐতিহ্যবাহী

Address

Khulna
Jessore
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রকৃতির উৎসব "Nature's Festival" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share